দেশের সীমিত সম্পদের সুষ্ঠু ও সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে সরকার সারাদেশে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া এমপি। তিনি বলেন, গ্রামীণ জনপদের যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়ন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে, যার মূল লক্ষ্য হলো প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও উন্নয়নের সুফল তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।
মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টায় দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার আলোকডিহি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোকডিহি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পীরেরহাট পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত হয়েছিল।
হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া আরও বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। আধুনিক সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকার দেশের প্রতিটি অঞ্চলে সমানভাবে উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করতে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আন্তরিকভাবে কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেহা তুজ জোহরার সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রকৌশলী মাসুদার রহমান, চিরিরবন্দর থানার ওসি মাহমুদুন নবী, জেলা বিএনপির নেতা রবিউল আলম তুহিন, খানসামা উপজেলা বিএনপির নেতা সাঈদ আহমেদ সেলিম বুলবুল, সাখাওয়াত হোসেন লিটন, চিরিরবন্দর উপজেলা বিএনপির নেতা নুর আলম সরকার দুলু, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মমিনুল ইসলাম মমিন, বিএনপি নেতা আব্দুল মতিন সরকার এবং সহকারী অধ্যাপক মেজবাহুল ইসলামসহ অন্যান্যরা। সভায় উপজেলা বিএনপি, ইউনিয়ন বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে এদিন সকাল থেকে হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন ও উদ্বোধনী কর্মসূচিতে অংশ নেন। তার কর্মসূচির মধ্যে ছিল বিন্যাকুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবন পরিদর্শন, তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের চৌরঙ্গি বাজার থেকে ভূষিরবন্দর পর্যন্ত পাকা সড়ক নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন, ফতেজংপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পীরেরহাট জিসি সড়ক পর্যন্ত পাকা সড়ক নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং ডাঙ্গারহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও ডাঙ্গারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন।
Leave a Reply