খাগড়াছড়ি ভ্রমণ গাইড Khagrachari Travel Guide : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
খাগড়াছড়ি ভ্রমণ গাইড Khagrachari Travel Guide : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফেসবুকে ৩০ জুলাই এসএসসি ফল প্রকাশের গুঞ্জনে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান শিক্ষা বোর্ডের ভিসার ঝামেলা ছাড়াই ভ্রমণ এশিয়ার ৬ দেশ: জেনে নিন তালিকা দেশের ৯ ব্র্যান্ডের টুথপেস্টে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক নাগেশ্বরীতে প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ভ্রাম্যমান সৌরসেচ ব্যবস্থা বিতরণ কাউনিয়ায় মসজিদ থেকে একের পর এক মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল চুরি দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া টুথপেস্টের ৮টি ছাড়া সবগুলোতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক ভাইরাল রিল ভিডিও: প্রধান শিক্ষিকা বিউটি পালের পাশে সহকর্মীরা, ‘শিক্ষকরাও মানুষ’ যাদুকাটায় প্রশাসনের অভিযানে বালু খেকোদের হামলা শুভ সকাল; আজ রবিবার ২৬ জুলাই ২০২৬: আজকের পূর্ণাঙ্গ পঞ্জিকা ভূরুঙ্গামারীতে নসিমনের চাপায় চালক নিহত

খাগড়াছড়ি ভ্রমণ গাইড Khagrachari Travel Guide

সৃষ্টি বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১ এপ্রিল, ২০২৪
খাগড়াছড়ি ভ্রমণ গাইড Khagrachari Travel Guide

খাগড়াছড়ি ভ্রমণ গাইড Khagrachari Travel Guide
পাহাড়, ঝরণা, আঁকাবাঁকা পথ, সবুজের সমারোহ, লেক সমৃদ্ধ করেছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িকে ( Khagrachari)। শীত মানেই খাগড়াছড়িতে উপচে পড়া ভিড়। ভোরের কুয়াশায় পাহাড়ের রূপ যেন আরও বৃদ্ধি পায়।

খাগড়াছড়ি কিসের জন্য বিখ্যাত?

বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলা আপনাকে অবশ্যই যেতে হবে। কারণ এখানে আলুটিলা গুহা, হাতি মুড়া পাহাড়, আলুটিলা গুহা, রিসাং জলপ্রপাত ইত্যাদির মতো অনেক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জায়গা রয়েছে।

খাগড়াছড়ির দর্শনীয় জায়গা কিকি?

হাতি মুড়া পাহাড়, আলুটিলা গুহা, রিসাং জলপ্রপাত, বৌদ্ধ বিহার

আলুটিলা গুহা

খাগড়াছড়ির অন্যতম জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান আলুটিলা গুহা। এটি  আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্রে অবস্থিত এক প্রাকৃতিক গুহা। একে দেবতার গুহাও বলা হয়ে থাকে। যারা রোমাঞ্চ পছন্দ করেন তাদের দারুণ লাগবে এই গুহা।

আলো প্রবেশ করতে পারে না বিধায় গুহাটি খুবই অন্ধকার ও শীতল। এজন্য ভেতরে প্রবেশ করতে টর্চলাইট বা মশাল জ্বালিয়ে নিতে হয়। কর্দমাক্ত ও পিচ্ছিল এ গুহায় মশাল জ্বালিয়ে প্রবেশ করলে দারুণ এক অনুভূতি হবে। গুহার এপাশ থেকে ওপাশ যেতে সময় লাগে প্রায় ১৫ মিনিট। দৈর্ঘ্য ৩৫০ ফুট। ৪০ টাকা প্রবেশ ফি দিয়ে প্রবেশ করতে হয়। খাগড়াছড়ি সদর থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে মাটিরাঙ্গা উপজেলায় এটি অবস্থিত।

রিসাং জলপ্রপাত

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে আসা জলের প্রবাহ দ্বারা তৈরি হয়েছে রিসারং জলপ্রপাত। এটি খাগড়াছড়ির আলুটিলা’র পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। ২০০৩ সাল থেকে এটি মানুষের নজরে পড়ে এবং বর্তমানে খাগড়াছড়ি ভ্রমণকারীদের জন্য একটি অনন্য দর্শনীয় স্থান। অনেকে এটিকে হাইকিং এর জন্যও উপযুক্ত স্থান মনে করেন। এই জলপ্রপাতের উচ্চতা হচ্ছে প্রায় ৩০ মিটার এবং এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কল্পনাতীত। জলপ্রপাতের প্রবেশদ্বার থেকে মূল জলপ্রপাতের পৌঁছাতে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা সময় লাগে। তবে এটি স্লাইডিং এর জন্য পরিচিত একটি স্থান।

 

তাছাড়া এখানে সারি সারি সিঁড়ি রয়েছে যা সরাসরি জলপ্রপাতের নিচ পর্যন্ত পৌঁছায়। এখানে হাইকিং এবং ভ্রমণ করতে হলে ভালো গ্রিপযুক্ত জুতা সাথে নিতে হবে এবং নিচে অবতরণের সময় সতর্ক থাকতে হবে যাতে আপনি পিছলে না যান।
তবে এখানকার সবচাইতে বেশি যে কারণে মানুষ আসেন তা হল, জলপ্রপাত এর পানিতে গোসল করা।

এ ঝরণার কাছেই আবার আরেকটি ঝরনা আছে, যার দূরত্ব ২০০ গজও হবে না। প্রায় ৩০ মিটার উঁচু পাহাড় থেকে আছড়ে পড়া পানি দেখলেই পানিতে নামতে ইচ্ছা করবে। শরীর জুড়িয়ে নিতে ইচ্ছা হবে ঝরণার প্রবাহমান ধারায়।

খাগড়াছড়ি সদর থেকে ঝরণার দূরত্ব ১১ কিলোমিটার। আসা যাবে বাস বা প্রাইভেটকার অথবা স্থানীয় যানবহনে। মোটরসাইকেলে আলুটিলা থেকে ভাড়া নেবে জনপ্রতি ৫০ টাকা আর ফেরার সময় নেবে জনপ্রতি ১০০ টাকা।

হাতি মুড়া (স্বর্গের সিঁড়ি)

খাগড়াছড়ির পানছড়ি এলাকায় একটি উঁচু পাহাড়ি পথের নাম হচ্ছে হাতিমুড়া। অনেকে এটিকে স্বর্গের সিঁড়ি বলে থাকে। হাতিমাথা মূলত একটি দুর্গম পাহাড়। এর চূড়া থেকে আশেপাশের অন্যান্য পাহাড়, পাহাড়ের পাদদেশে সবুজ গাছপালা, মেঘ পাহাড়ের লুকোচুরি খেলাসহ পাহাড়িদের নির্মিত ঘর-জীবনবৈচিত্র্য দেখা যায়।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এ পাহাড়ে ৩০৮ ফুট লম্বা লোহার সিঁড়ি তৈরি করেছে। এই দুর্গম সিঁড়িপথ দিয়ে ১৫ গ্রামের বাসিন্দারা চলাচল করে। এই সিঁড়িটি লোহা দিয়ে তৈরি এবং প্রায় ৩০৮ ফুট দীর্ঘ। এটি একই সাথে প্রায় ১৫ টি গ্রামকে সংযুক্ত করে এবং তাদের অর্থনীতিতে অনেক বড় ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই পাহাড়ী রাস্তার এবং আশপাশের সৌন্দর্য অনেক পর্যটককে এখানে আসতে বাধ্য করে।

এখানে যেতে চাইলে সবচেয়ে ভালো হয় একজন গাইড নিলে। কারণ প্রথম কেউ যেতে চাইলে পথ বিভ্রাট হতে পারে। খাগড়াছড়ি সদর থেকে পানছড়ি যাওয়ার পথে জামতলী যাত্রী ছাউনি নামতে হবে। এরপর জামতলী থেকে চেঙ্গী নদী পার হয়ে প্রায় দেড় ঘন্টা ট্রেকিং করে এই পাহাড়ে যেতে হবে।

পানছড়ি অরণ‍্য কুঠির

পানছছড়ি অরণ‍্য কুঠির খাগড়াছড়ির পানছড়িতে অবস্থিত। এ মন্দিরটি বাংলাদেশের অন্যতম বড় বৌদ্ধ মন্দির। শান্তিপুর গভীর অরণ্যে প্রায় ৬৫ একর জায়গায় জুড়ে এ মন্দিরটি বৌদ্ধদের কাছে পবিত্র তীর্থস্থান। ৫০ ফুট উচ্চতার বিশাল এক নান্দনিক বৌদ্ধের প্রতিকৃতি আছে, এখানে যা তৈরি করতে প্রায় চার বছর সময় লেগেছে। ধর্মীয় আচার পালনের জন্য সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত পর্যটক প্রবেশ খাগড়াছড়ি সদর থেকে এ বৌদ্ধ মন্দিরের দূরত্ব প্রায় ২৫ কিলোমিটার। সদর থেকে জিপ বা মাহেন্দ্র ভাড়া নিয়ে এখানে আসা যায়।

নিউজিল্যান্ড পাড়া

খাগড়াছড়ি সদর থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে নিউজিল্যান্ড পাড়া অবস্থিত। পানখাইয়া পাড়া এবং পোরাছড়ার কিছু অংশ নিউজিল্যান্ডের মতো হওয়ায় স্থানীয়দের কাছে এটি নিউজিল্যান্ড পাড়া হিসেবে পরিচিত। এমনকি পানখাইয়া পাড়া থেকে পোরাছড়া গ্রামে যাওয়ার রাস্তাটির নামকরণ স্থানীয়রা করেছেন নিউজিল্যান্ড সড়ক নামে।
সমতল ভূমিতে সবুজ শস্যখেত, সাদা মেঘের ভেলা ও পাহাড় মিলে দারুণ এক প্রাকৃতিক ল্যান্ডস্কেপ এ স্থানটি। নয়নাভিরাম এ প্রকৃতিতে চোখ রাখলে চোখ জুড়িয়ে যাবে।

মাতাই পুখিরি

পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে মহালছরি উপজেলার নুনছড়িতে দেবতার আশীর্বাদস্বরূপ পাহাড়ের চূড়ায় প্রাকৃতিক হ্রদ মাতাই পুখিরি (Matai Pukhiri) অবস্থিত।

মাতাই অর্থ দেবতা এবং পুখিরি অর্থ পুকুর। আর তাই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই হ্রদটি পর্যটকদের কাছে দেবতার পুকুর হিসেবে সুপরিচিত। মৃত আগ্নেয়গিরির জ্বালা মুখ থেকে এ হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০০০ ফুট উচ্চতায় সাড়ে ৫ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত দেবতা পুকুরের দৈর্ঘ্য দেড় হাজার ফুট এবং প্রস্থ ছয়শ ফুট।

পুকুরের চারদিকে আছে ঘন সবুজ অরণ্য ও সুবিন্যস্ত পর্বতশ্রেণি। দেবতার পুকুর হ্রদের পানি কখনো সম্পূর্ণ শুকিয়ে যায় না এবং বর্ষাকালে এটি কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে উঠে।

দেবতার পুকুর বা লেক সৃষ্টির কারণ হিসাবে বেশকিছু লোককথা প্রচলিত আছে। এক স্থানীয় জুম চাষী স্বপ্নে দেবতার নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করে জুম চাষ চালিয়ে যান। কিছুদিনের মধ্যে এক ভুমিকম্পের পর স্থানীয়রা দেখতে পায় জুম পাহাড়ের জায়গাটিতে একটি জলাশয়ের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া প্রচলিত আছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের জলের চাহিদা পূরণের জন্য স্বয়ং জল দেবতা এই পুকুর খনন করেছেন। আবার এই জলাশয়ের গভীরতা নিয়ে প্রচলিত লোককথা থেকে জানা যায়, রেবতি রঞ্জন নামের এক জনৈক হিন্দু ব্যক্তি বাঁশের ভেলায় চড়ে লেকের গভীরতা মাপার চেষ্টা করলে মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরে আসেন।

আর এই অঞ্চলের সনাতন ধর্মাবলম্বী, প্রকৃতি পূজারি ত্রিপুরা জনগোষ্টির বিশ্বাস, দেবতা পুকুরের তলায় গুপ্তধন লুকায়িত রয়েছে, যা স্বয়ং দেবতাদের পাহারায় রয়েছে এবং হ্রদের পাড়ে গিয়ে দেবতার কাছে কিছু চাইলে তা পাওয়া যায়। প্রতি বছর চৈত্র সংক্রান্তিতে এখানে তীর্থ মেলা এবং প্রকৃতি পূজারি ত্রিপুরাদের মহাযজ্ঞের আয়োজন করা হয়। পুণ্য লাভের আশায় দূর দূরান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ ত্রিপুরাদের তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত দেবতার পুকুর আসেন।

খাগড়াছড়ি শহর থেকে জীপ বা চান্দের গাড়ীতে নুনছড়ি হয়ে খাগড়াছড়ি-মহালছড়ি- রাঙ্গামাটি সড়কের কাছে নেমে প্রায় ১৮০০ টি সিঁড়ির ধাপ পেরিয়ে মাতাই পুখিরি যেতে পারবেন।

খাগড়াছড়ি হতে মাতাই পুখিরি যাওয়ার রাস্তায় এফএনএফ রেস্টুরেন্ট, ইসমাইল হোটেল, ব্যাম্বু শুট, হিল ফ্লেভারস, ফুডাং থাং, চাওমিন রেস্টুরেন্ট ও জুম স্পাইস ইত্যাদি রেস্টুরেন্ট রয়েছে।

ঢাকা থেকে যেভাবে যাবেন

ঢাকার বিভিন্ন বাস স্ট্যান্ড থেকে সরাসরি খাগড়াছড়ি এর উদ্দেশ্যে বাস চলাচল করে এসব বাসে চড়ে প্রায় ৬ থেকে ৭ ঘণ্টার মধ্যে খাগড়াছড়ি চলে আসা যায়। খাগড়াছড়িতে থাকার জন্য বেশকিছু হোটেল রয়েছে।

ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি কিভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি সরাসরি বেশ কিছু বাস চলাচল করে। এরমধ্যে জনপ্রিয় হলো শান্তি পরিবহন। এ ছাড়াও হানিফ, শ্যামলী, ঈগল পরিবহন ইত্যাদি বাসে খাগড়াছড়ি যাওয়া যায়। বাসভেদে ও এসি-নন এসিভেদে এসব বাসের ভাড়া ৭৫০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা।
খাগড়াছড়িতে বেশি মানুষ গেলে কম টাকা খরচ হয়। যাওয়ার পর ১০-১৫ জন মিলে চাঁদের গাড়ি বা জিপ গাড়ি ভাড়া করে দর্শনীয় স্থান একসঙ্গে দেখতে পারেন।
জিপ বা চাঁদের গাড়ি ভাড়া নেবে তিন থেকে চার হাজার টাকা। চার-পাঁচ জন হলে সিএনজিচালিত অটোরিকশাও ভাড়া নেওয়া যায়। ভাড়া নেবে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা। একা হলে একদিনের জন্য মোটরসাইকেল ভাড়া নেওয়া যায়। তবে অবশ্যই আগে দরদাম করে ভাড়া মিটিয়ে নিতে হবে।

খাগড়াছড়িতে কোথায় থাকবেন?

থাকার জন্য বেশ কিছু আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে খাগড়াছড়িতে। এর মধ‍্যে খাগড়াছড়ি পর্যটন মোটেল, ফরেস্ট রেস্ট হাউস, হোটেল গাইরিং, অরণ্য বিলাশ, গিড়ি থেবার, হোটেল ইকো ছড়ি, ইকো ছড়ি ইন ইত্যাদি। এসব হোটেলে ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকায় থাকা যায়। বেসরকারি রিসোর্টগুলোর ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর।

খাগড়াছড়িতে কি খাবেন?

যেহেতু এটা পাহাড়ি এলাকা তাই পাহাড়ি খাবারের স্বাদ নিতে ভুলবেন না। পাহাড়ি খাবারের মধ্যে জুম সবজি, বাঁশ কোড়ল, ব্যাম্বু চিকেন, ব্যাম্বু ফিশ, জুম ডাল, পাজন ইত্যাদির স্বাদ নিতে পারেন। খাগড়াছড়ি শহরের শাপলা চত্বর, বাস স্ট্যান্ড ও পান্থাই পাড়ায় অবস্থিত সিস্টেম রেস্তোরাঁ, পেডা টিং টিং, গাং সাবারং, পাজন ও চিম্বাল রেস্টুরেন্টের অনেক সুনাম রয়েছে।

খাগড়াছড়ি ভ্রমণ খরচ কত?

ট্রাভেল এজেন্সি গুলো ৫৫০০/- থেকে৬৫০০/=  টাকা প্রতি জন। (নন-এসি)। ৭০০০/-  থেকে ৮০০০/= টাকা প্রতি জন। (এসি) নিয়ে থাকেন। ক্লিক করে ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!