ভাইরাল রিল ভিডিও: প্রধান শিক্ষিকা বিউটি পালের পাশে সহকর্মীরা, ‘শিক্ষকরাও মানুষ’
- আপডেট সময় : ০৭:১১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
ভাইরাল রিল ভিডিও: প্রধান শিক্ষিকা বিউটি পালের পাশে সহকর্মীরা, ‘শিক্ষকরাও মানুষ’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া একটি রিল ভিডিওকে কেন্দ্র করে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পিটাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বিউটি পাল। তবে ভিডিওটি নিয়ে সমালোচনার পাশাপাশি এবার তার পক্ষেও সরব হয়েছেন সহকর্মী শিক্ষক-শিক্ষিকারা।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে বিউটি পাল তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ‘Annabel Li Li’ থেকে কয়েক সেকেন্ডের একটি রিল ভিডিও প্রকাশ করেন। ভিডিওতে তাকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শাড়ি পরে, খোলা চুলে জনপ্রিয় গান ‘আজ কেন মন উদাসী হয়ে দূর অজানায় চায় হারাতে’-এর সঙ্গে বিভিন্ন ভঙ্গিতে উপস্থিত হতে দেখা যায়।
পড়ুন>> যাদুকাটায় প্রশাসনের অভিযানে বালু খেকোদের হামলা
ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় সচেতন মহল ও কয়েকজন অভিভাবকের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অনেকেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এমন ভিডিও ধারণকে একজন প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব ও মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মন্তব্য করেন।
তবে সমালোচনার বিপরীতে বিউটি পালের সমর্থনে সামাজিক মাধ্যমে অবস্থান নিয়েছেন তার সহকর্মী শিক্ষক-শিক্ষিকারা। তারা নিজ নিজ ফেসবুক প্রোফাইলে রিল ভিডিও প্রকাশ ও পোস্টের মাধ্যমে তার প্রতি সংহতি প্রকাশ করছেন।
পড়ুন>>বিশ্বাসযোগ্য সাংবাদিক হতে হবে: ফারুক ওয়াসিফ
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা পলাশী বাইন এক পোস্টে লিখেছেন, “একজন শিক্ষক কি হাসতে পারবে না? গাইতে পারবে না? একটু সাজতে পারবে না? একটু স্টাইল করে ঘুরতে পারবে না? তিনি তো শুধু একটি ভিডিও করেছেন। এতে শিক্ষক সমাজের মর্যাদা কোথায় নষ্ট হলো?”
আরেক শিক্ষিকা হাসনাহেনা শাপলা লিখেছেন, “সব দোষ প্রাইমারি শিক্ষকদের। শিক্ষক তুমি নাচবে কেন, গাইবে কেন, ফেসবুকে আসবে কেন, স্বাধীনতা তোমার থাকবে কেন? তুমি জানো না তুমি শিকলে বাঁধা? এ আমার নীরব প্রতিবাদ।”
আরও পড়ুন>> মেরুকরণ নয়, অংশীদারিত্বের পথেই হাঁটবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
শিক্ষিকা উম্মে কুলসুমও একটি পোস্টে বলেন, “শিক্ষক মানে শুধু ক্লাসরুম, খাতা-কলম আর দায়িত্বের বোঝা নয়। শিক্ষকরাও মানুষ। তাদেরও অনুভূতি, আনন্দ-বেদনা রয়েছে। একজন মানসিকভাবে ভালো থাকা শিক্ষকই শিক্ষার্থীদের আরও সুন্দরভাবে শিক্ষা দিতে পারেন। তাই অযথা ট্রল নয়, বরং একে অপরের প্রতি সম্মান ও সহমর্মিতা দেখানো উচিত।”
এদিকে, বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সামাজিক মাধ্যমে ভিডিওটি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার পাশাপাশি শিক্ষকদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, পেশাগত আচরণ ও সামাজিক প্রত্যাশা নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























