রাতের খাবার নিয়মিত বাদ দেওয়ার স্বাস্থ্যঝুঁকি ও এর নেতিবাচক প্রভাব
  1. admin@sristy.net : admin :
রাতের খাবার নিয়মিত বাদ দেওয়ার স্বাস্থ্যঝুঁকি ও এর নেতিবাচক প্রভাব
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে গণশুনানিতে জনতার কথা শুনছে প্রশাসন: সেবার দুয়ারে নতুন আস্থার বার্তা তিন শহরে নারীদের জন্য বাস সার্ভিসে ই-টিকিটিং সেবা দেবে সহজ ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ফার্মেসি ও লাইফ সায়েন্সেস ক্যারিয়ার ফেয়ার অনুষ্ঠিত কাতারে গৃহহীন বিড়াল সংকট: কেনাকাটা নয়, দত্তক ও বন্ধ্যাকরণই সমাধান ইউরোপীয় জাহাজ জব্দের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে পাল্টা ব্যবস্থা নেবে রাশিয়া: পুতিন আখেরি চাহার সোম্বা: পালন ও তাৎপর্য নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ আজ সন্ধ্যা থেকেই বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতির আশা: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে জামায়াত-আওয়ামী লীগের অবস্থান: সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া ভারতে আত্মগোপনে জাহাঙ্গীর কবির নানক: আনন্দবাজারকে দিলেন বিশেষ সাক্ষাৎকার হালাল অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা দেখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

নিয়মিত রাতের খাবার বাদ দিলে শরীরে দেখা দিতে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি

সৃষ্টি ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

ব্যস্ত কর্মজীবন, দীর্ঘ যানজট, সামাজিক অনুষ্ঠান কিংবা ওজন কমানোর প্রচেষ্টায় অনেকেই রাতের খাবার এড়িয়ে চলেন। ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং বা নির্দিষ্ট সময়ের পর খাবার না খাওয়ার প্রবণতাও অনেকের মধ্যে লক্ষ্য করা যায়। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, অনিয়মিতভাবে রাতের খাবার বাদ দিলে বড় কোনো সমস্যা না হলেও, এটি নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হলে শরীর ও মনের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতের খাবার শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের সময় শরীর দীর্ঘক্ষণ খাবারবিহীন অবস্থায় থাকে, তাই ঘুমানোর আগে পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি ও পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। এছাড়া পরিবারের সঙ্গে রাতের খাবার খাওয়ার অভ্যাস সামাজিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত রাতের খাবার বাদ দিলে শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম বা জৈবঘড়ির স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হয়। এর ফলে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি বিপাকক্রিয়াতেও প্রভাব পড়ে। এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে রাতের খাবার বর্জনের সঙ্গে হৃদরোগ ও অকাল মৃত্যুঝুঁকির সম্পর্কও বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, রাতের খাবার না খেলে রক্তে শর্করার মাত্রায় ওঠানামা হতে পারে, যা দুর্বলতা, শক্তি কমে যাওয়া কিংবা হাত কাঁপার মতো উপসর্গ তৈরি করতে পারে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও প্রবল। অন্যদিকে, গভীর রাতে খাবার খাওয়ার অভ্যাসও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। গবেষণায় দেখা গেছে, দেরিতে খাবার খেলে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী লেপটিন হরমোনের মাত্রা কমে যেতে পারে, যা অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা ও স্থূলতার ঝুঁকি বাড়ায়।

মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও খাবার বাদ দেওয়ার প্রভাব রয়েছে। নিয়মিত রাতের খাবার না খাওয়ার সঙ্গে বিষণ্নতা, উদ্বেগ এবং অনিদ্রার মতো সমস্যার যোগসূত্র পাওয়া গেছে, বিশেষ করে বয়স্কদের ক্ষেত্রে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, এক-দুদিন খাবার বাদ পড়লে উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে এটি যেন দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত না হয়। ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে খাবার পুরোপুরি বাদ না দিয়ে পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!