থাইল্যান্ড ভ্রমণ অল্প খরচেই ঘুরে আসুন মজার দেশে : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
থাইল্যান্ড ভ্রমণ অল্প খরচেই ঘুরে আসুন মজার দেশে : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফেসবুকে ৩০ জুলাই এসএসসি ফল প্রকাশের গুঞ্জনে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান শিক্ষা বোর্ডের ভিসার ঝামেলা ছাড়াই ভ্রমণ এশিয়ার ৬ দেশ: জেনে নিন তালিকা দেশের ৯ ব্র্যান্ডের টুথপেস্টে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক নাগেশ্বরীতে প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ভ্রাম্যমান সৌরসেচ ব্যবস্থা বিতরণ কাউনিয়ায় মসজিদ থেকে একের পর এক মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল চুরি দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া টুথপেস্টের ৮টি ছাড়া সবগুলোতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক ভাইরাল রিল ভিডিও: প্রধান শিক্ষিকা বিউটি পালের পাশে সহকর্মীরা, ‘শিক্ষকরাও মানুষ’ যাদুকাটায় প্রশাসনের অভিযানে বালু খেকোদের হামলা শুভ সকাল; আজ রবিবার ২৬ জুলাই ২০২৬: আজকের পূর্ণাঙ্গ পঞ্জিকা ভূরুঙ্গামারীতে নসিমনের চাপায় চালক নিহত

থাইল্যান্ড ভ্রমণ অল্প খরচেই ঘুরে আসুন মজার দেশে

সৃষ্টি বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : রবিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৪
থাইল্যান্ড ভ্রমণ  অল্প খরচেই ঘুরে আসুন মজার দেশে

থাইল্যান্ড ভ্রমণ অল্প খরচেই ঘুরে আসুন মজার দেশে

 ভ্রমণের সময় হাতে সময় কম, তবে বিদেশ ভ্রমণের ইচ্ছা প্রবল। এমন পরিস্থিতিতে থাইল্যান্ড হল আদর্শ গন্তব্য।

থাইল্যান্ড কেমন দেশ?

দুর্দান্ত খাবার, গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ু, আকর্ষণীয় সংস্কৃতি এবং দুর্দান্ত সৈকতের পাশাপাশি, থাইল্যান্ড (থাই: ประเทศไทย প্রাথেট থাই) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সর্বাধিক ভ্রমনকৃত দেশ। একে বলা হয় “হাসির দেশ”। থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখণ্ডের প্রাণকেন্দ্র।

থাইল্যান্ডের পূর্বের নাম কি?

তখন থেকে আজ পর্যন্ত থাইল্যান্ড বহু সামরিক ও বেসামরিক সরকারের অধীনে শাসিত হয়েছে। ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত দেশটি শ্যামদেশ (থাই: สยาม সায়াম্‌) নামে পরিচিত ছিল। ঐ বছর এর নাম বদলে থাইল্যান্ড রাখা হয়।

জেনে নিন>>হিমালয়ের সৌন্দর্য‍্য রাণি দার্জিলিং ভ্রমণ

থাইল্যান্ডের কিকি দর্শনীয় স্থান আছে?

হাতে সময় কম, তবে বিদেশ ভ্রমণের ইচ্ছা প্রবল। এমন পরিস্থিতিতে থাইল্যান্ড হল আদর্শ গন্তব্য। থাইল্যান্ডে যতটা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রয়েছে, নগরজীবনের দারুণ উত্তেজনাও রয়েছে। তাই, থাইল্যান্ড এখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় ভ্রমণ গন্তব্য।

৬মাসের কম পাসপোর্ট বৈধতা নিয়ে কি থাইল্যান্ডে প্রবেশ করা যাবে?

প্রবেশ, প্রস্থান এবং ভিসার প্রয়োজনীয়তা সম্ভাব্য অস্বীকৃত প্রবেশ এড়াতে পাসপোর্ট থাইল্যান্ডে আপনার আগমনের তারিখের পরে অন্তত ছয় মাস বৈধ থাকবে। থাই ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা বা এয়ারলাইন কর্মীরা ফেরত টিকিট চাইতে পারেন।

থাইল‍্যান্ডের  ভিসা করবেন কিভাবে?

টুরিস্ট ভিসা বা থাইল্যান্ড ভ্রমণ ভিসা সাধারণত সিঙ্গেল এন্ট্রি ৩ মাসের ও মাল্টিপল এন্ট্রি ৬ মাসের মেয়াদের হয়। উভয় ভিসাতেই প্রতি এন্ট্রিতে থাইল্যান্ডে আপনি সর্বোচ্চ ৬০ দিন থাকতে পারবেন।

বাংলাদেশ থেকে থাইল্যান্ড যেতে খরচ:

ঘুরতে যাবেন, কিন্তু বুঝতে পারছেন না ঠিক কত টাকায় সেখানে গিয়ে পছন্দের কয়েকটি দর্শনীয় স্থানে ঘুরে দেখতে পারবেন। মাত্র ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকায় যাবতীয় খরচ করে পাঁচ দিন ঘুরে আসতে পারেন থ্যাইল্যান্ডের বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য স্থানে।

বাংলাদেশ থাইল‍্যান্ড বিমান ভাড়া:

ভ্রমণের প্রথম খরচ বিমান ভাড়া। বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন ক্যাটাগরির বিমানে আপনি সেখানে পৌছে যেতে পারেন। তবে সর্বনিম্ন বিমান ভাড়ার শুরু ১৩ হাজার থেকে ১৫ হাজারের মধ্যে। আর বিলাসবহুল বিমানগুলোতে ভ্রমণের জন্য আপনি ৪৫ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারবেন। তবে বেশ কিছু এয়ারলাইন্স কোম্পানি আছে যারা বিমান ভাড়ার ক্ষেত্রে কিছু প্যাকেজ ভিত্তিক অফারের ব্যবস্থা রাখে সারা বছর থ্যাইল্যান্ড ভ্রমণের জন্য। সেই ক্ষেত্রে যাওয়া আসার খরচ কিছুটা কমে থাইল্যান্ড এর বিমান ভাড়া যাওয়া-আসা সর্বনিম্ন ১৩-১৪ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৪৮-৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। অতি কম মূল্যে টিকেট পেতে প্রায় ২ মাস আগেই টিকেট কেটে রাখতে হবে যা ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়াসহ হিসাব করলে মোটামুটি কঠিনই বলা যায়।

ব‍্যাংকককে হোটেল খরচ:

ব্যাংককের মোটামুটি ভাল মানের একটা হোটেলের জন্য আপনার ভাড়া গুনতে হবে প্রতি রাতে ১৫০০ থেকে ২০০০ এর মধ্যে। তবে এর থেকে বেশি খরচে থাকার জায়গাও রয়েছে অসংখ্য। এরপর ব্যাংকক থেকেই অধিকাংশ তাদের ভ্রমনের জন্য নির্ধারিত স্থান গুলোতে বের হয়ে যায়। আলাদা আলাদা ভাবে যে যায়গাগুলো দর্শনার্থীদের পছন্দের তালিকায় প্রথমে থাকে তার মধ্যে প্রথমেই আছে পাতায়া। পাতায়াতে এক রাতের জন্য ৩ হাজার টাকার মধ্যে মান সম্মত হোটেল পেতে পারেন। তবে চাইলে এর থেকে অনেক বেশি খরচ করেও সেখানে থাকার পর্যপ্ত ব্যবস্থা আছে।

থাইল‍্যান্ডে খাবার খরচ:

সেখান কার খাবার দাবার এর খরচ ও যে অনেক বেশি সেরকম নয়। খাবার এর প্রতি বেলায় আপনাকে ব্যয় করতে হবে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা। কেউ যদি ভোজন বিলাসী হয়ে থাকেন তবে আপনি এই খরচ আরো বাড়াতে পারেন। পাতায়ার পরে দর্শনার্থীদের কাছে দ্বিতীয় পছন্দের স্থান ফুকেট। ব্যাংকক থেকে ফুকেট এর বিমান খরচ সর্বনিম্ন ৪৫০০ টাকার মত। তবে মাঝে মাঝে এই ভাড়া ওঠা নামা করলেও সেটা সাধ্যের মধ্যেই থাকে। ফুকেটে খাবার খরচও অনেকটাই পাতায়ার কাছাকাছি। সেখানে তিন বেলার খাবার খরচ জন প্রতি ২ হাজার মধ্যেই সেরে নিতে পারবেন।

আর ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা ভাড়া খরচ করে ফুকেটের আশেপাশের সাতটি সমুদ্র সৈকতে বেশ আরাম করে ঘুরে দেখতে পারবেন।

তবে কেনাকাটা বা অন্যান্য খরচ সমস্ত কিছু এই খরচের বাইরে। এছাড়া বেশ কিছু আইল্যান্ডের কাছাকাছি রিসোর্টও আছে। কেউ কেউ সেখানে গিয়েও থাকার পরিকল্পনা করে থাকেন। সেই ক্ষেত্রে যে কোন সাধারণ রিসোর্ট গুলোর ভাড়া হয়ে থাকে ১০০০ থেকে ১৫০০ বাথ বা ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার পাচশ টাকার মতো। থাইল‍্যান্ড ভ্রমণের জন্য উল্লেখযোগ্য সমস্ত দর্শনীয় স্থানের সাধারণ মানের হোটেল ভাড়া, থাকা খাওয়া আর লোকাল যানবাহনের খরচ একি রকম। তবে কেউ যদি বিলাসি ভাবে কাটাইতে চাই, সেই সুযোগ ছড়িয়ে আছে পুরো থাইল্যান্ড জুড়ে।

থাইল্যান্ড ভিসা প্রসেসিং:

ভিসা প্রসেসিং আপনি নিজে নিজে করতে পারেন অথবা চাইলে এজেন্সি দিয়েও করাতে পারেন। ঝামেলা এড়াতে চাইলে এজেন্সি দিয়ে করানো ভাল হবে। এছাড়া এজেন্সি ফরম পুরন থেকে শুরু করে ভিসা আবেদন জমা করে আপনার কাছে পাসপোর্ট ফেরত দিবে। এতে আপনার কোন ঝামেলা হবে না। ভিসা ফি ও এজেন্সি এর সার্ভিস চার্জসহ আনুমানিক ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা মত খরচ হতে পারে।

থাইল্যান্ড ট্যুরিস্ট ভিসা করতে কত ব্যাংক ব্যালেন্স লাগে?

সেভিং অ্যাকাউন্টে ব্যালেন্স থাকতে হবে কমপক্ষে 700 USD প্রতি ব্যক্তি অথবা একটি ক্রেডিট কার্ড স্টেটমেন্ট যার মধ্যে প্রতি ব্যক্তি 700 USD আছে অথবা একটি ফরেক্স কার্ড যার প্রতি ব্যক্তি প্রতি 700 USD আছে। মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার জন্য, ন্যূনতম বর্তমান ব্যালেন্স রুপি সহ গত 6 মাসের ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট। 4 লাখ টাকা প্রয়োজন।

কোথায় ঘুরবেন থাইল্যান্ডে:

দেখার মতো জায়গার অভাব নেই। সব ধরনের পর্যটকদের জন্য সবকিছু আছে। সাধারণত, পর্যটকরা রাজধানী শহর ব্যাংকককে অবতরণ করে। একটি সংক্ষিপ্ত সফরের জন্য, শুধুমাত্র ব্যাংকক পরিদর্শন যথেষ্ট। ব্যাংকক শহরের সাংস্কৃতিক ঘুরে দেখতে পারেন, ওয়াট ফো মন্দির, গ্র্যান্ড প্যালেস, ব্যাংকক জাতীয় জাদুঘর, ওয়াট অরুণ মন্দির, ইরা ওয়ান মন্দির ইত্যাদি দেখতে পারেন। ফুকেট এবং ক্রাবি ব্যাংককের পরে থাইল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় শহর। সাধারণত, এই স্থানগুলি তাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত তবে তাদের শহুরে আকর্ষণ আলাদা। আসল থাই সংস্কৃতি দেখতে ক্রাবি পরিদর্শন করতে হবে। শহরে টাইগার টেম্পল এবং বিখ্যাত রেল সৈকত রয়েছে। অন্যদিকে ফুকেটের সৌন্দর্য অতুলনীয়।

এছাড়াও আপনি ফুকেট থেকে স্পিডবোট বা ফেরিতে করে ফি ফি দ্বীপপুঞ্জে যেতে পারেন। অন্যান্য জনপ্রিয় স্থানগুলির মধ্যে রয়েছে চিয়াং রাই, চিয়াং মাই, কোহ সামুই, পাতায়া ইত্যাদি।
চিয়াং মাই হল একটি চিত্র-নিখুঁত শহর যা জাতীয় উদ্যান, জলপ্রপাত, পাহাড়, মন্দির ইত্যাদি দ্বারা বেষ্টিত। জীবনযাত্রার খরচও কম।
মায়ানমার সীমান্তের কাছে অবস্থিত, চিয়াং রাই শহরটি সাদা রঙের মন্দিরের জন্য বিখ্যাত। তেমনি কোহ সামুই দ্বীপের সৌন্দর্যও মালদ্বীপের থেকে কম নয়।

থাইল‍্যান্ডে কী খাবেন?

থাই স্থানীয় খাবার খুবই সুস্বাদু। তাদের রান্নায় ঝালের ব্যবহার একটু বেশি। বিভিন্ন মসলা ব্যবহারেও দেশটি উৎকর্ষ সাধন করে। সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবারগুলির মধ্যে একটি হল টম ইয়াম স্যুপ। এই মশলাদার খাবারটি সাধারণত ভাজা হয়। বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক মাছ দিয়ে এই স্যুপ তৈরি করা হয়। টম ইয়ামের একটি কম মশলাদার বিকল্প হল টম খা গাই। নারকেল দুধ দিয়ে তৈরি, এই খাবারে সাধারণত মাংস বা মাছ অন্তর্ভুক্ত থাকে। থাই সালাদের মধ্যে ‘ল্যাব’ খুবই জনপ্রিয়। যেকোনো ধরনের মাংস দিয়ে তৈরি এই খাবারটি সাধারণত খুব নোনতা হয়। প্যাড থাই নামক নুডুলস থাইল্যান্ডের অন্যতম জনপ্রিয় খাবার। প্যাড থাই হল বাদাম, মরিচ, পেঁয়াজ ইত্যাদি দিয়ে রান্না করা ভাজা নুডুলস।

এতে প্রোটিন হিসেবে চিংড়ি মাছ বা মাংসের টুকরা থাকে। রাস্তার খাবার হিসেবে পাবেন এই খাবার। এ ছাড়া আঠালো চালের সঙ্গে আম তাদের ঐতিহ্যবাহী খাবার।
কেনাকাটা থাইল্যান্ডকে কেনাকাটার স্বর্গ বলা হয়। যেকোনো বাজেটের পর্যটকরা এখানে কেনাকাটা করতে পারেন। ব্যাংকক শহরের সেন্ট্রাল মার্কেটের মতো ব্যয়বহুল বাজার রয়েছে, যেখানে বিশ্বের বিখ্যাত সব ব্যান্ডের আউটলেট রয়েছে, পাশাপাশি MBK-এর মতো মধ্যবিত্ত বাজার রয়েছে। তবে আমার পরামর্শ হলো ভালো মানের জিনিস কেনার জন্য রবিনসন মার্কেট সেরা। রাতের বেলা ব্যাংককের জীবন ও সৌন্দর্য আলাদা। রাতে পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত থাকে শহর।

মোবাইল যোগাযোগ খরচ:

সাত দিন বা পাঁচ দিনের জন্য আপনার যোগাযোগ সচল রাখার জন্য এ বাবদ আপনার খরচ করতে হবে ২৫০ থেকে ৩০০ বাথ। যা টাকার হিসাবে দাঁড়ায় ৭৫০ থেকে ৯০০ এর মধ্যে।
Wifi Master Key এপস ডাউনলোড করে নিবেন, এতে ফ্রী WiFi ইউজ সহজ হয়।
ফোনে ‘Grab’ এপস ডাউনলোড করে নিবেন। তাহলে যাতায়াতের জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে ট্রাক্সি ড্রাইভারের সাথে দরকষাকষি করতে হবে না। ব্যাংককের ট্যাক্সি ডাইভাররা কেউ মিটারে যেতে চায় না। এলোমেলো ভাড়া চায়, যা মূল ভাড়া আশেপাশেও না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!