ফুটবল বিশ্বকাপের মহাযজ্ঞের পর্দা নেমেছে গত রাতের ফাইনালের মাধ্যমে। ৪৮ দলের এই টুর্নামেন্টে ১০৪টি ম্যাচ শেষে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্পেন দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। টুর্নামেন্টজুড়ে বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করা দেশের শীর্ষ ফুটবল কোচ মারুফুল হক বিশ্বকাপ শেষে তাঁর দৃষ্টিতে টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ নির্বাচন করেছেন। তিনি আক্রমণাত্মক ৪-৩-৩ ফরমেশনে এই দলটি সাজিয়েছেন।
গোলরক্ষক হিসেবে মারুফুল হক বেছে নিয়েছেন কেপ ভার্দের ভোজিনিয়াকে। তাঁর মতে, চ্যাম্পিয়ন স্পেনের উনাই সিমন সেরা গোলরক্ষক হলেও ভোজিনিয়ার সামনে রক্ষণভাগ ততটা শক্তিশালী ছিল না, তবুও তিনি সব পরিস্থিতিতে নির্ভরযোগ্য ছিলেন। রক্ষণভাগে রাইটব্যাক হিসেবে মরক্কোর আশরাফ হাকিমিকে রাখা হয়েছে তাঁর গতি ও আক্রমণাত্মক খেলার জন্য। সেন্টারব্যাক হিসেবে থাকছেন স্পেনের পাউ কুবারসি, যিনি দ্রুত রিকভারিতে সেরা, এবং ফ্রান্সের দায়োত উপামেকানো, যিনি রক্ষণ সামলেও আক্রমণে সহায়তা করতে পারদর্শী। লেফটব্যাক হিসেবে স্পেনের মার্ক কুকুরেয়াকে রাখা হয়েছে, কারণ তিনি রক্ষণে দ্রুত ফিরে আসার পাশাপাশি আক্রমণেও কার্যকর।
মিডফিল্ডে হোল্ডিং মিডফিল্ডার হিসেবে রদ্রিকে রাখা হয়েছে, যিনি কোনো গোল বা অ্যাসিস্ট না করেও গোল্ডেন বল জিতেছেন এবং ম্যাচ নিয়ন্ত্রণের অনন্য ক্ষমতা রাখেন। সেন্টার অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে রাখা হয়েছে ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহামকে, যিনি গোল করা ও গোল করানোর দক্ষতায় সবার চেয়ে এগিয়ে। তাঁর সাথে থাকছেন ফ্রান্সের মাইকেল ওলিসে, যিনি উভয় প্রান্ত থেকে খেলা তৈরিতে পারদর্শী।
আক্রমণভাগে ডান পাশে রাখা হয়েছে লিওনেল মেসিকে, যাঁকে নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইনকে বেছে নেওয়া হয়েছে, কারণ তিনি গোল করার পাশাপাশি দলের বিল্ডআপেও ভালো সহায়তা করেছেন। বাঁ পাশে থাকছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে, যিনি এই বিশ্বকাপে ১০ গোল এবং ক্যারিয়ারে মোট ২২ গোল করেছেন। কোচ হিসেবে মারুফুল হক বেছে নিয়েছেন ফ্রান্সের দিদিয়ের দেশমকে, কারণ তিনি খেলোয়াড়দের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলার স্বাধীনতা দেন। দলের অধিনায়ক করা হয়েছে লিওনেল মেসিকে।
Leave a Reply