ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নৌ অবরোধ’ ঘোষণা করেছে। গত সোমবার (২০ জুলাই) থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। এই পদক্ষেপের ফলে লোহিত সাগরের নৌ চলাচল ব্যবস্থা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে হুতিরা জানিয়েছে, ‘চোখের বদলে চোখ’ নীতির ওপর ভিত্তি করে তারা এই নৌ অবরোধ ঘোষণা করেছে। সংগঠনটির দাবি, ইয়েমেনের ওপর সৌদি আরব যে ‘অন্যায় ও নিপীড়নমূলক অবরোধ’ আরোপ করে রেখেছে, এটি তারই পাল্টা জবাব। তবে হুতিদের এই ঘোষণার বিষয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে নৌ চলাচল ব্যাহত হলে বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
তাদের ধারণা অনুযায়ী, এই রুটটি বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহ প্রায় ৭ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে, কারণ সৌদি আরবের একটি বড় অংশের তেল এই পথ দিয়েই আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করা হয়। উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ইতোমধ্যে প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে বলেও বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন।
Leave a Reply