স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটসঙ্গীদের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত: মির্জা ফখরুল
- আপডেট সময় : ১০:৫৬:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
সোমবার রাতে রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জোটসঙ্গীদের বৈঠক ও নৈশভোজ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন ও এ সংক্রান্ত সব বিষয়ে জোটসঙ্গীদের সঙ্গে আলোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য আইন থাকলেও সেই আইনে দলীয়ভাবে নির্বাচন করার সুযোগ নেই। তাই এ বিষয়ে এখন আলোচনা না করলেও চলে। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রে জোটের শরিকদের সঙ্গে পারস্পরিক আলোচনা বজায় রাখা হবে।
তিনি আরও বলেন, ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারকে হটিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। যারা এই আন্দোলনে জীবন দিয়েছেন, আহত হয়েছেন ও ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। দীর্ঘ ১৫-১৬ বছর ধরে যারা একসঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন করেছেন, তাদের সবাইকে নিয়ে এই আবেগঘন নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছিল বলে জানান তিনি।
বৈঠকে উপস্থিত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা সরকার গঠনের শুরুর দিকটিকে প্রশংসা করেছেন। মির্জা ফখরুল জানান, প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পর সংসদীয় দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করে যে নির্বাচনের সংগ্রাম পরিচালনা করেছেন এবং দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছেন, সেজন্য তিনি শরিক দলগুলোকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
বর্তমান সরকারকে একটি ধ্বংসস্তূপ থেকে কাজ শুরু করতে হচ্ছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিগত শাসনামলে অর্থনীতি ধ্বংস করা হয়েছে, ব্যাংকগুলো লুট করা হয়েছে এবং সব প্রতিষ্ঠানে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হয়েছিল। তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছেন। এছাড়া তিনি ৩১ দফা কর্মসূচি সর্বশক্তি দিয়ে বাস্তবায়ন এবং জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা সব বিষয় অক্ষরে অক্ষরে পালনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
সোমবার (২০ জুলাই) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জোটসঙ্গীদের বৈঠক ও নৈশভোজ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, “আজকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই আন্দোলনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সঙ্গে যারা ছিলেন, যারা একসঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন করেছেন দীর্ঘ ১৫-১৬ বছর, তাদের নেতৃবৃন্দকে তিনি আহ্বান জানিয়েছিলেন আজকে কথা বলার জন্য, তাদের সঙ্গে একসঙ্গে একটু সামান্য কিছু ডাল-ভাত খাওয়ার জন্য। দীর্ঘ ১৫ বছরে যখন একসঙ্গে আন্দোলন করেছি, সেই সব দল

























