কুড়িগ্রামে ৪টি আসনে ১৪ জন প্রার্থী বাতিল
কুড়িগ্রামে ৪টি সংসদীয় আসনে মোট ৩৯ জন প্রার্থীর মনোনয়ন ফরম যাচাই বাছাই শেষে ১৪জনের প্রার্থীতা বাতিল এবং ২৫জনের প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাতিলকৃত প্রার্থীর মধ্যে ৯জন স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং ৫জন দলীয় প্রার্থী।
রোববার(৩ ডিসেম্বর) জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে দিনব্যাপী যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্ণিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বৈধ প্রার্থীতা ঘোষণা করেন।
বাকি ছয় জনের বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আসলাম হোসেন সওদাগর (আওয়ামী লীগ), মোস্তাফিজুর রহমান (জাপা), কাজী মো. লতিফুল কবীর (বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন), মো.আব্দুল হাই (জাকের পার্টি), নুর মোহাম্মদ (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি), মো. মনিরুজ্জামান খান ভাষাণী (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি)।
কুড়িগ্রাম-২ আসনে ১১জন প্রার্থীর মধ্যে ৫জনের বৈধ এবং ৬জনের প্রার্থীতা বাতিল ঘোষণা করা হয়। বাতিলকৃত প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪ জন এবং অপর দুইজন জাকের পার্টি ও বাংলাদেশ বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি (বিএসপি)’র প্রার্থী ছিলেন।
এই আসনে বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন বর্তমান সংসদ সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদ (জাপা), মো. জাফর আলী (আওয়ামী লীগ), মো. আব্দুস সালাম (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি), মো. আব্দুল কুদ্দুস মিয়া (ওয়ার্কার্স পার্টি), মো.মকবুল হোসেন (বাংলাদেশ কংগ্রেস)।
কুড়িগ্রাম-৩ আসনের ৭জন প্রার্থীর সাবাইকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। তারা হলেন আব্দুস সুবহান (জাপা), মো. সাহেব মিয়া (জাকের পার্টি), মোছাদ্দেকুল আলম (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি), সৌমেন্দ্র প্রসাদ পান্ডে (আওয়ামী লীগ), ডা. আক্কাছ আলী সরকার (স্বতন্ত্র), মো. আব্দুল বাতেন (তৃণমূল বিএনপি), মো. হাবিবুর রহমান (কৃষক শ্রমিক জনতালীগ)।
কুড়িগ্রাম-৪ আসনের ১৪জন প্রার্থীর মধ্যে ৭জনকে বৈধ এবং ৭জনের প্রার্থীতা বাতিল ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ৩জন দলীয় এবং ৪জন স্বতন্ত্র প্রার্থী।
মনোনয়ন বাতিলকৃতরা হচ্ছেন, স্বতন্ত্র শাহ মো. নুর-ই শাহী, কৃষক শ্রমিক জনতালীগের মোহাম্মদ আবু শামিম হাবীব, তৃণমুল বিএনপি’র আতিকুর রহমান, বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টিও আব্দুল হামিদ, স্বতন্ত্র জোবাইদুল ইসলাম বাদল, স্বতন্ত্র ফারুকুল ইসলাম এবং স্বতন্ত্র মো. মাছুম ইকবাল।
জেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং অফিস সুত্রে জানা যায়, এসব প্রার্থীর কাগজপত্রের ত্রুটিজনিত কারণে প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। তবে তাদের আগামীতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে বলে জানানো হয়।
প্রার্থীতা যাচাই বাছাইয়ের সময় পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম, জেলা নির্বাচন অফিসার মো. জিলহাজ উদ্দিন, গণমাধ্যমকর্মীসহ সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ এবং প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply