ঢাকা ১০:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্যাস সরবরাহ সংকট: যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি আমদানির পথে কাতার দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘর ছাড়ছে দৌলতপুরের বানভাসি মানুষ সুন্দরগঞ্জে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তশিলদারের অনিয়মের বিরুদ্ধে ইউএনও ও জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দেশে ইলিশের ঘাটতি: প্রথমবারের মতো ভারত থেকে আমদানি রাণীশংকৈলে এসিল্যান্ডের বদলি ঠেকাতে রাজপথে জনতা মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা: সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান ব্রিকস নেতাদের পুলিশের পাঁচ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে বদলি ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা ২৫ হাজার বছর আগেও মাদক হিসেবে সুপারির ব্যবহার ছিল, বলছে নতুন গবেষণা

এক বছরে দৃশ্যমান পরিবর্তন, দ্বিতীয় মেয়াদে বলদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

মো. নুরুল ইসলাম

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

এক বছরে দৃশ্যমান পরিবর্তন, দ্বিতীয় মেয়াদে বলদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম

 

দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক বছরের মধ্যে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষক-অভিভাবক সম্পৃক্ততা এবং শিক্ষার্থীবান্ধব নানা উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বলদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে দৃশ্যমান পরিবর্তনের নজির স্থাপন করেছেন সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম। এসব কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় তাঁকে দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য পুনরায় বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মনোনীত করা হয়েছে।

 

রবিবার (২৬ জুলাই ২০২৬) দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য তাঁর মনোনয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এর আগে ২ জুলাই ২০২৫ সালে তিনি প্রথমবারের মতো বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের তিন মাসের মধ্যেই দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ বিদ্যালয় ভবন সংস্কারের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেন তিনি।

পরবর্তীতে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে বিদ্যালয়ের জন্য নতুন একাডেমিক বহুতল ভবনের অনুমোদন নিশ্চিত হয়, যা স্থানীয়দের কাছে বিদ্যালয়ের উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। শুধু অবকাঠামো নয়, শিক্ষা ও সামাজিক মূল্যবোধভিত্তিক কার্যক্রমেও ছিল তাঁর সক্রিয় ভূমিকা। তাঁর নেতৃত্বে দুই দফা বৃহৎ অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, লেখাপড়া, শৃঙ্খলা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে মতবিনিময় হয়।

বিদ্যালয়ের কৃতী ও গুণী শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান, প্রয়াত সাবেক প্রধান শিক্ষককে মরণোত্তর সম্মাননা এবং এলাকার সফল পিতাদের স্বীকৃতি প্রদানের মতো ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব আয়োজন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিদ্যালয়ের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং ইতিবাচক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করেছে। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার বিকাশে বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়ন, নিয়মিত পাঠদান, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগের ফলে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির হারও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

 

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহিনুর বেগম বলেন, “সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিদ্যালয়ের উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি এবং শিক্ষক-অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।”

 

সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুস ছাত্তার বিএসসি বলেন, “বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ধারাবাহিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের যে উদ্যোগ তিনি নিয়েছেন, তা প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধকে তিনি সমান গুরুত্ব দিয়েছেন।” প্রাক্তন শিক্ষকবৃন্দের অভিমত, বিদ্যালয়ের উন্নয়ন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা এবং সম্মাননার সংস্কৃতি চালুর মাধ্যমে তিনি একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

 

ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বলদিয়া ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মোখলেছুর রহমান বলেন, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে উন্নয়ন ও অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্বের যে উদাহরণ মো. নুরুল ইসলাম তৈরি করেছেন, তা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে।”

সোনাহাট ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বাবুল আক্তার বলেন, “একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন শুধু ভবন নির্মাণে সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষক-অভিভাবক সম্পৃক্ততা এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করাও জরুরি। সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম এসব ক্ষেত্রেই কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।”

দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পেয়ে প্রতিক্রিয়ায় মো. নুরুল ইসলাম বলেন, “এই দায়িত্ব আমার কাছে সম্মানের পাশাপাশি একটি অঙ্গীকার। বিদ্যালয়কে আধুনিক, মানসম্মত ও শিক্ষার্থীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”

স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের প্রত্যাশা, দ্বিতীয় মেয়াদে নতুন একাডেমিক ভবনের নির্মাণ, ডিজিটাল শিক্ষা সম্প্রসারণ, ফলাফল আরও উন্নয়ন এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে বলদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় জেলার অন্যতম আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

এক বছরে দৃশ্যমান পরিবর্তন, দ্বিতীয় মেয়াদে বলদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম

আপডেট সময় : ০৯:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

 

 

এক বছরে দৃশ্যমান পরিবর্তন, দ্বিতীয় মেয়াদে বলদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম

 

দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক বছরের মধ্যে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষক-অভিভাবক সম্পৃক্ততা এবং শিক্ষার্থীবান্ধব নানা উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বলদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে দৃশ্যমান পরিবর্তনের নজির স্থাপন করেছেন সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম। এসব কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় তাঁকে দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য পুনরায় বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মনোনীত করা হয়েছে।

 

রবিবার (২৬ জুলাই ২০২৬) দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য তাঁর মনোনয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এর আগে ২ জুলাই ২০২৫ সালে তিনি প্রথমবারের মতো বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের তিন মাসের মধ্যেই দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ বিদ্যালয় ভবন সংস্কারের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেন তিনি।

পরবর্তীতে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে বিদ্যালয়ের জন্য নতুন একাডেমিক বহুতল ভবনের অনুমোদন নিশ্চিত হয়, যা স্থানীয়দের কাছে বিদ্যালয়ের উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। শুধু অবকাঠামো নয়, শিক্ষা ও সামাজিক মূল্যবোধভিত্তিক কার্যক্রমেও ছিল তাঁর সক্রিয় ভূমিকা। তাঁর নেতৃত্বে দুই দফা বৃহৎ অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, লেখাপড়া, শৃঙ্খলা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে মতবিনিময় হয়।

বিদ্যালয়ের কৃতী ও গুণী শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান, প্রয়াত সাবেক প্রধান শিক্ষককে মরণোত্তর সম্মাননা এবং এলাকার সফল পিতাদের স্বীকৃতি প্রদানের মতো ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব আয়োজন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিদ্যালয়ের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং ইতিবাচক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করেছে। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার বিকাশে বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়ন, নিয়মিত পাঠদান, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগের ফলে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির হারও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

 

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহিনুর বেগম বলেন, “সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিদ্যালয়ের উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি এবং শিক্ষক-অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।”

 

সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুস ছাত্তার বিএসসি বলেন, “বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ধারাবাহিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের যে উদ্যোগ তিনি নিয়েছেন, তা প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধকে তিনি সমান গুরুত্ব দিয়েছেন।” প্রাক্তন শিক্ষকবৃন্দের অভিমত, বিদ্যালয়ের উন্নয়ন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা এবং সম্মাননার সংস্কৃতি চালুর মাধ্যমে তিনি একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

 

ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বলদিয়া ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মোখলেছুর রহমান বলেন, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে উন্নয়ন ও অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্বের যে উদাহরণ মো. নুরুল ইসলাম তৈরি করেছেন, তা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে।”

সোনাহাট ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বাবুল আক্তার বলেন, “একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন শুধু ভবন নির্মাণে সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষক-অভিভাবক সম্পৃক্ততা এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করাও জরুরি। সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম এসব ক্ষেত্রেই কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।”

দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পেয়ে প্রতিক্রিয়ায় মো. নুরুল ইসলাম বলেন, “এই দায়িত্ব আমার কাছে সম্মানের পাশাপাশি একটি অঙ্গীকার। বিদ্যালয়কে আধুনিক, মানসম্মত ও শিক্ষার্থীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”

স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের প্রত্যাশা, দ্বিতীয় মেয়াদে নতুন একাডেমিক ভবনের নির্মাণ, ডিজিটাল শিক্ষা সম্প্রসারণ, ফলাফল আরও উন্নয়ন এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে বলদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় জেলার অন্যতম আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।

 

 

Facebook Comments Box