স্বাগতিক দেশ প্রথম ম্যাচে হেরে যাওয়া বিশ্বকাপে নতুন রেকর্ড : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
স্বাগতিক দেশ প্রথম ম্যাচে হেরে যাওয়া বিশ্বকাপে নতুন রেকর্ড : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ব্রিটেনে বিশ্বনাথের ইছমাইল উদ্দিনের ব্যাচেলর ডিগ্রী অর্জন পর্তুগাল থেকে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনায় সিক্ত হলেন তালুকদার গিয়াস উদ্দিন ভাইরাল তাজু ভাই এবার টাইমস টুডের মফস্বল সাংবাদিক রাণীশংকৈলে ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক দ্বিতীয় স্ত্রীর বিচ্ছেদ ও ঋণের চাপে ইউপি সদস্যের আত্মহত্যার অভিযোগ কদমতলীতে জাল নোট তৈরির কারখানায় অভিযানে জাল নোটসহ গ্রেপ্তার ২ দৌলতপুরে ছেলের টর্চলাইটের আঘাতে বাবার মৃত‍্যু ফেসবুকে ৩০ জুলাই এসএসসি ফল প্রকাশের গুঞ্জনে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান শিক্ষা বোর্ডের ভিসার ঝামেলা ছাড়াই ভ্রমণ এশিয়ার ৬ দেশ: জেনে নিন তালিকা দেশের ৯ ব্র্যান্ডের টুথপেস্টে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক

স্বাগতিক দেশ প্রথম ম্যাচে হেরে যাওয়া বিশ্বকাপে নতুন রেকর্ড

সৃষ্টি ডেস্ক
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২১ নভেম্বর, ২০২২
স্বাগতিক দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে হেরে যাওয়া প্রথম দলও কাতার

আরব বিশ্বে প্রথম বিশ্বকাপ। শীতকালে প্রথম বিশ্বকাপ “কাতার বিশ্বকাপ” এসব ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে, সে তো আগেই জানা। এবার অভিষেক ম্যাচেও হলো নতুন ইতিহাস। সে ইতিহাস ইকুয়েডরের ফরোয়ার্ড এনার ভ্যালেন্সিয়ার।

ভ্যালেন্সিয়ার গল্পে যাওয়ার আগে ম্যাচের স্কোরলাইনটা জানিয়ে রাখা ভালো। সেটি কাতার সমর্থকদের মোটেও ভালো লাগবে না। স্বাগতিকদের ২–০ গোলে হারিয়ে ‘এ’ গ্রুপ থেকে বিশ্বকাপে শুভসূচনা করেছে ইকুয়েডর। স্বাগতিক দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে হেরে যাওয়া প্রথম দলও কাতার।

 

কাতার গোলকিপার সাদ আল–শেব

 

এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন কাতার ওপরের দুটি তালিকায় নাম লেখাতে পারবে না—এ কথার পক্ষে বাজি ধরার লোকের সংখ্যাই বেশি হবে। ইকুয়েডর এর আগে তিনবার বিশ্বকাপ খেলে একবার শেষ ষোলোতেও (২০০৬) উঠেছে। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়েও কাতারের (৫০) চেয়ে এগিয়ে ইকুয়েডর (৪৪)। আর লাতিন দলটিতে যদি থাকেন ভ্যালেন্সিয়ার মতো সুযোগসন্ধানী ফরোয়ার্ড, তাহলে তো কথাই নেই! আল বায়তও মাতল লাতিন সৌরভে।

প্রথমার্ধে সেটাই দেখা গেল। টুইটম্বুর স্টেডিয়ামে ৫ মিনিটেই হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ভ্যালেন্সিয়া। চুপসে গেল স্টেডিয়ামের সাদা শিবির, কাতারের সমর্থকেরা। অন্য প্রান্তে উঠল হলুদ ঢেউ। কিন্তু নাটকও শুরু হলো তখনই! ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) জানালেন, গোলটি অফসাইড। ফেলিক্স তোরেসের ওভারহেড কিক থেকে ভ্যালেন্সিয়া হেড করার সময় অফসাইড ছিলেন। ব্যস, বাতিল হয় গোল। তবে ভ্যালেন্সিয়াকে স্কোরকার্ডে নাম লেখানো থেকে দূরে রাখা যায়নি। ৩–৪–৩ ফর্মেশন থেকে কখনো কখনো ৫–৪–১ হয়ে যাওয়া কাতারের মিডফিল্ড ইকুয়েডরের মিকাইল এস্ত্রাদা ও ভ্যালেন্সিয়াকে বল পাওয়া থেকে দূরে রাখতে পারেনি। আর তাঁদের ঠেকাতে না পারার ধারাবাহিকতা থেকেই ১৫ মিনিটে এল প্রথম গোল।

কাতারকে হারিয়ে ইতিহাস বদলে দিল ইকুয়েডর
এনার ভ্যালেন্সিয়াই আজ ইকুয়েডরের নায়ক।
আরব বিশ্বে প্রথম বিশ্বকাপ। শীতকালে প্রথম বিশ্বকাপ—কাতার বিশ্বকাপ এসব ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে, সে তো আগেই জানা। এবার অভিষেক ম্যাচেও হলো নতুন ইতিহাস। সে ইতিহাস ইকুয়েডরের ফরোয়ার্ড এনার ভ্যালেন্সিয়ার।

ভ্যালেন্সিয়ার গল্পে যাওয়ার আগে ম্যাচের স্কোরলাইনটা জানিয়ে রাখা ভালো। সেটি কাতার সমর্থকদের মোটেও ভালো লাগবে না। স্বাগতিকদের ২–০ গোলে হারিয়ে ‘এ’ গ্রুপ থেকে বিশ্বকাপে শুভসূচনা করেছে ইকুয়েডর। স্বাগতিক দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে হেরে যাওয়া প্রথম দলও কাতার।

এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন কাতার ওপরের দুটি তালিকায় নাম লেখাতে পারবে না—এ কথার পক্ষে বাজি ধরার লোকের সংখ্যাই বেশি হবে। ইকুয়েডর এর আগে তিনবার বিশ্বকাপ খেলে একবার শেষ ষোলোতেও (২০০৬) উঠেছে। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়েও কাতারের (৫০) চেয়ে এগিয়ে ইকুয়েডর (৪৪)। আর লাতিন দলটিতে যদি থাকেন ভ্যালেন্সিয়ার মতো সুযোগসন্ধানী ফরোয়ার্ড, তাহলে তো কথাই নেই! আল বায়তও মাতল লাতিন সৌরভে।

প্রথমার্ধে সেটাই দেখা গেল। টুইটম্বুর স্টেডিয়ামে ৫ মিনিটেই হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ভ্যালেন্সিয়া। চুপসে গেল স্টেডিয়ামের সাদা শিবির, কাতারের সমর্থকেরা। অন্য প্রান্তে উঠল হলুদ ঢেউ। কিন্তু নাটকও শুরু হলো তখনই! ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) জানালেন, গোলটি অফসাইড। ফেলিক্স তোরেসের ওভারহেড কিক থেকে ভ্যালেন্সিয়া হেড করার সময় অফসাইড ছিলেন। ব্যস, বাতিল হয় গোল। তবে ভ্যালেন্সিয়াকে স্কোরকার্ডে নাম লেখানো থেকে দূরে রাখা যায়নি। ৩–৪–৩ ফর্মেশন থেকে কখনো কখনো ৫–৪–১ হয়ে যাওয়া কাতারের মিডফিল্ড ইকুয়েডরের মিকাইল এস্ত্রাদা ও ভ্যালেন্সিয়াকে বল পাওয়া থেকে দূরে রাখতে পারেনি। আর তাঁদের ঠেকাতে না পারার ধারাবাহিকতা থেকেই ১৫ মিনিটে এল প্রথম গোল।

কাতার যে গোলের সুযোগ পায়নি তা নয়। প্রথমার্ধে যোগ করা সময়ের শেষ মুহূর্তে আল হেইদোসের ক্রস বক্সে একদম ঠিক জায়গায় পেয়েছিলেন কাতারের স্ট্রাইকার আল মোয়েজ আলী। তাঁর হেড ডান পাশে ফাঁকা পোস্টের পাশ দিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। বিরতির পরও কাতারের ম্যাচে ফেরার সুযোগ ছিল। কিন্তু ইকুয়েডরই সুযোগ পেয়েছে সবচেয়ে বেশি। ৫৫ মিনিটে কাতারের ডিফেন্ডার আল রায়ি বল দখলে রাখতে পারেননি। মেন্দেজ কেড়ে নিয়ে ইবারাকে থ্রু পাস দেন। তাঁর ডান পায়ের জোরাল শট রুখে দেন কাতার গোলকিপার সাদ আল–শেব।

৭৭ মিনিটে ইকুয়েডর দুশ্চিন্তায় পড়ে ভ্যালেন্সিয়াকে নিয়ে। চোট পেয়ে খোঁড়াচ্ছিলেন। ইকুয়েডর কোচ গুস্তাভো আলফারো তাঁকে তুলে নেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে কোনো আসরে প্রথম ম্যাচের প্রথমার্ধে জোড়া গোলের নজির গড়লেন ভ্যালেন্সিয়া। এই প্রসঙ্গে উঠে আসবে ১৯৩৪ বিশ্বকাপে স্বাগতিক ইতালির প্রথম ম্যাচ। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সেই ম্যাচে ইতালির ৭–১ গোলের জয়ে প্রথমার্ধে জোড়া গোল করেছিলেন অ্যাঞ্জেলো স্কিয়াভিও।

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ থেকে কি সান্ত্বনা খুঁজে নিতে পারে স্বাগতিক কাতার? ঘরের দর্শকদের সামনে দু–একটা সুযোগ সৃষ্টি আর ইকুয়েডরের খেলোয়াড়দের পেছনে দৌড়ানো? বিশ্বকাপে সেটাই বা কম কী! ইকুয়েডরের জন্য হিসাবটা তেমন নয়। এই গ্রুপে নেদারল্যান্ডস ও সেনেগালও আছে। এই দুই বড় দলকে টপকে শেষ ষোলোয় উঠতে পারলে সেটাই হবে ইকুয়েডরের জন্য বড় অর্জন। তথ্য সুত্র ও ছবি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!