মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ১৪ আগস্টের পর এক ডলারও বিক্রি করেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ১৪ আগস্টের পর এক ডলারও বিক্রি করেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় জাল নথি তৈরির সিন্ডিকেট: ৫ বাংলাদেশি আটক ডোনাল্ড ট্রাম্পের শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন: স্বাধীন চিকিৎসা প্যানেল গঠনের দাবি হাকিমপুরের ওসির বিরুদ্ধে ঘুষ-বাণিজ্য ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির গুরুতর অভিযোগ প্রেক্ষাপট: নেত্রকোনায় পিকআপ ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ নিহত ৪ জ্বালানি সংকট কাটাতে এফএসআরইউ মেরামতের অপেক্ষায় সরকার: বিদ্যুৎমন্ত্রী গুম ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঘটনায় মামলার অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি পুলিশ কর্মকর্তা অসিত কুমার ঝিনাইদহ পুলিশ লাইনে আরজিকর কাণ্ডে সাবেক বিধায়ক নির্মল ঘোষ গ্রেপ্তার: তদন্তে নতুন মোড় ডারউইন টেস্ট: তানজিদের প্রথম ফিফটি, অল্পের জন্য আক্ষেপ মুমিনুলের লভ্যাংশ পেলেন সদস্যরা কাউনিয়ায় বালাপাড়া বণিক সমবায় সমিতির বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ কর্মকর্তা বোসরা ইসলামকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ১৪ আগস্টের পর এক ডলারও বিক্রি করেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক

সৃষ্টি নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ১৪ আগস্টের পর থেকে এক ডলারও বিক্রি করেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক
সিপিডির লোগো

 

 

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ১৪ আগস্টের পর এক ডলারও বিক্রি করেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক

 

রবিবার (১০ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘অন্তর্বর্তী সরকারের ৩৬৫ দিন’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তফিজুর রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।

 

 

এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানান, গত বছরের ১৪ আগস্টের পর থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক ডলারও বিক্রি করেনি। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখার কৌশলের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পড়ুন>> আয়কর রিটার্নে ‘জিরো রিটার্ন’ দাখিলের ব্যবস্থা নেই

 

গভর্নর বলেন, ‘আমরা বুঝেছিলাম, মূল্যস্ফীতি কমাতে হলে বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা জরুরি। তাই নীতি ছিল—একটি ডলারও বিক্রি করবো না। গত বছরের ১৪ আগস্ট থেকে আজ পর্যন্ত সেই নীতি কঠোরভাবে মেনে চলা হয়েছে।’

 

 

বিদেশি ব্যাংকের লাইন অব ক্রেডিট (এলসি) পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের শুরুর সময় আন্তর্জাতিক ব্যাংকারদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকে ২০০-র বেশি বিদেশি ব্যাংক এলসি বন্ধ করে দিয়েছিল। ‘আমরা তাদের বলেছিলাম, এখানেই থামুন, আর বন্ধ করবেন না। যদি উন্নতি না হয়, তখন ব্যবস্থা নিন। এরপর আমরা কখনও বকেয়া রাখিনি এবং রাখবোও না।’

 

 

তিনি আরও জানান, তখন ২.৫ বিলিয়ন ডলার বকেয়া ছিল। ধাপে ধাপে তা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। রেমিট্যান্স ও রফতানি আয় বেড়ে যাওয়ায় এখন প্রত্যেক বিদেশি ব্যাংক আগের অবস্থায় ফিরেছে, এমনকি কেউ কেউ লাইন অব ক্রেডিটও বাড়িয়েছে।

 

 

দুবাইভিত্তিক এগ্রিগেটরদের বিষয়ে গভর্নর বলেন, ‘তাদের স্পষ্ট করে জানানো হয়েছিল—আমাদের নির্ধারিত ১২২ টাকার রেটে ডলার বিক্রি করতে হবে, নইলে তাদের কাছ থেকে ডলার কেনা হবে না। তারা চাইলে ডলার ধরে রাখতে পারে, কিন্তু আমরা জানি পাঁচ থেকে সাত দিনের বেশি তারা রাখতে পারবে না।’

 

গভর্নরের মতে, এসব পদক্ষেপ দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হয়েছে।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!