আরজিকর কাণ্ডে সাবেক বিধায়ক নির্মল ঘোষ গ্রেপ্তার: তদন্তে নতুন মোড়
- আপডেট সময় : ০৮:৪৫:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
আরজিকর কাণ্ডে সাবেক বিধায়ক নির্মল ঘোষ গ্রেপ্তার: তদন্তে নতুন মোড়
কলকাতার আরজিকর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক নারী চিকিৎসকের মৃত্যুর পর অস্বাভাবিক দ্রুততায় দেহ সৎকারের ঘটনায় সাবেক তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত সোমবার খড়দহ থানায় মৃত চিকিৎসকের বাবা নির্মল ঘোষসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, পরিবারের অনুমতি ছাড়াই পানিহাটির শ্মশানে তড়িঘড়ি করে মরদেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। এই প্রক্রিয়ায় নির্মল ঘোষের পাশাপাশি স্থানীয় পুরপ্রতিনিধি সোমনাথ দে এবং r সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন বলে দাবি পরিবারের।
পড়ুন>>হাকিমপুরের ওসির বিরুদ্ধে ঘুষ-বাণিজ্য ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির গুরুতর অভিযোগ
গত রোববার আরজিকর হাসপাতালের ওই চিকিৎসকের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীর স্মরণসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত ছিলেন। সেখানে পানিহাটির শ্মশানঘাটের সেই দিনের ঘটনা খতিয়ে দেখার জন্য ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটকে নির্দেশ দেন তিনি।
এফআইআর দায়েরের পর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে গেলেও, পুলিশ নির্মল ঘোষের ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশার বালেশ্বরের কাছে একটি হোটেল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। তাকে ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় আনা হচ্ছে। একই রাতে পুলিশ সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কেও গ্রেপ্তার করেছে এবং তৃতীয় অভিযুক্তের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে।
মৃতার পরিবারের অভিযোগ, শ্মশানে শেষকৃত্যের সময় স্থানীয় প্রশাসন অস্বাভাবিক তাড়াহুড়ো করেছিল এবং দাহকার্যের খরচও মকুব করা হয়েছিল। নির্মল ঘোষসহ অভিযুক্তরা কেন দেহ সৎকারে এত তৎপর ছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মৃতার বাবা-মা। এই নতুন মামলায় তথ্যপ্রমাণ লোপাট ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ ওই সময় সৎকারের সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসক, নার্স, শ্মশানঘাটের কর্মীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তলব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পড়ুন>>লভ্যাংশ পেলেন সদস্যরা কাউনিয়ায় বালাপাড়া বণিক সমবায় সমিতির
আরজিকরের ধর্ষিত এবং খুন হওয়া চিকিৎসকের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীর দিন রোববার উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটিতে স্মরণসভায় উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, এফআইআর হওয়ার পর থেকে তিন জনই গা ঢাকা দিয়েছেন। বাকী এক জনের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। নির্মলসহ এই তিন জন কী কারণে দেহ সৎকার করতে এত সক্রিয় হয়ে উঠেছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মৃতার বাবা-মা।
মা/জ/ন
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
























