মালয়েশিয়ার বিমানবন্দরে প্রবেশে বাধা পাওয়াদের তালিকায় শীর্ষে বাংলাদেশিরা
- আপডেট সময় : ০৭:১৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে
মালয়েশিয়ার বিমানবন্দরে ভুয়া ভিসা এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হওয়া বিদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির বর্ডার কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রোটেকশন এজেন্সি (এমসিবিএ)। সম্প্রতি পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে বিপুল সংখ্যক বিদেশি নাগরিককে দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
মধ্য আগস্টের একটি ২৪ ঘণ্টার সমন্বিত অভিযানে মোট ২২৯ জন বিদেশিকে মালয়েশিয়ায় প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। এই অভিযানের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রবেশে ব্যর্থ হওয়াদের তালিকায় বাংলাদেশিদের সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ ২০৪ জন। এছাড়া ভারত থেকে ১৪ জন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়া থেকে ৩ জন করে এবং কম্বোডিয়া থেকে ২ জনকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
গত ১২ আগস্ট স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭টা থেকে পরদিন সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত কেএলআইএ টার্মিনাল ১ ও ২-এর আন্তর্জাতিক আগমন ও প্রস্থান পথে ৭৬৪ জন বিদেশিকে স্ক্রিনিং করা হয়। এমসিবিএ জানিয়েছে, শুধুমাত্র বুধবার ভোরে ঢাকা থেকে আসা তিনটি ফ্লাইটের ৬৬ জন বাংলাদেশি যাত্রীকেও টার্মিনাল-১ থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আগস্ট মাসের শুধুমাত্র ১২ তারিখের আগের ২৪ ঘন্টার অভিযানে শুধু ২০৪ জন বাংলাদেশিকেই আটক করে সংস্থাটি স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭ টা থেকে থেকে শুরু হওয়া পরদিন সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চলা অভিযানের সময় সংস্থাটি কেএলআইএ টার্মিনাল ১। দক্ষ জনশক্তি গড়তে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী সিলেটের আরিফুল হক চৌধুরী। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সংসদ ভবনের উন্মুক্ত দক্ষিণ প্লাজায় শপথ।
কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, যারা প্রবেশের শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন, তাদের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে ভুয়া হোটেল বুকিং দেখানো, ফেরার ফিরতি টিকিট না থাকা এবং পর্যটক হিসেবে ভ্রমণের জন্য পর্যাপ্ত আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে না পারা।
এমসিবিএর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রবেশ করা অধিকাংশ যাত্রীই পর্যটনের আড়ালে অবৈধভাবে কাজ করার উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। সংস্থাটি জানিয়েছে, এখন থেকে বিমানবন্দরের প্রবেশপথের নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করা হবে। একইসঙ্গে কোনো কর্মকর্তা যদি অবৈধ অভিবাসী পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংস্থাটি এক বিবৃতিতে বলেছে।”সবাই দেশে অবৈধভাবে থাকার এবং কাজ করার জন্য প্রবেশ সুবিধার অপব্যবহার করার চেষ্টা করছিল বলে মনে করা হচ্ছে। MCBA জানিয়েছে, প্রবেশপথ নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করা হবে এবং অবৈধভাবে বিদেশীদের পাচারের প্রচেষ্টায় জড়িত কর্মকর্তাদের সহ যে কোনও পক্ষের বিরুদ্ধে আপসহীন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন কর্তৃপক্ষ বলছে, অবৈধভাবে প্রবেশের এ প্রবণতা রোধে তারা যেকোনো ধরনের নথি জালিয়াতির বিষয়ে আপসহীন। নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবে এই কঠোরতা বজায় রাখা হবে।
এর আগে কুয়ালালামপুরে পরিচালিত পৃথক অভিযানে বাংলাদেশিসহ ৭৭০ জন অভিবাসীকে আটক করা হয়েছিল। এছাড়া নথি জালিয়াতির অভিযোগে আরও ৫ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ।
সূত্র: Probash Barta
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
























