টু টাং শব্দে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে এসেছে ভূরুঙ্গামারীর কামার পল্লীর : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
টু টাং শব্দে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে এসেছে ভূরুঙ্গামারীর কামার পল্লীর : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্বেচ্ছাশ্রমে পাট কেটে ও ধানের চারা রোপণ করলেন আনসার-ভিডিপি সদস্যরা ভূরুঙ্গামারীতে কামড়ে পালানোর চেষ্টা করেও পুলিশ-বিজিবির হাতে ধরা গাঁজাচাষী ভূরুঙ্গামারীতে মাদক বিরোধী মানববন্ধন দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসন ও শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ৩দিন ব্যাপি নজরুল বর্ষ উৎপাদন এক বছরে দৃশ্যমান পরিবর্তন, দ্বিতীয় মেয়াদে বলদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম কাউনিয়ায় কলেজছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেফতার কাউনিয়ায় বিলের পদ্ম ফুলের সৌন্দর্যে চোখ আটকে যাচ্ছে দর্শণার্থীদের বরিশালে নাতির লাথিতে প্রাণ গেল নানির ব্রিটেনে বিশ্বনাথের ইছমাইল উদ্দিনের ব্যাচেলর ডিগ্রী অর্জন পর্তুগাল থেকে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনায় সিক্ত হলেন তালুকদার গিয়াস উদ্দিন

টু টাং শব্দে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে এসেছে ভূরুঙ্গামারীর কামার পল্লীর

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই, ২০২২
টু টাং শব্দে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে এসেছে ভূরুঙ্গামারীর কামার পল্লীর

টু টাং শব্দে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে এসেছে ভূরুঙ্গামারীর কামার পল্লীর

টু টাং শব্দে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে এসেছে ভূরুঙ্গামারীর কামার পল্লীর।
কুরবানি ঈদকে সামনে রেখে শেষ সময়ে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে এসেছে ভূরুঙ্গামারীর কামার পল্লীর । কাজের ব‍্যস্ততা বেড়েছে কামারদের। টুং টাং শব্দে মুখরিত হয় ওঠেছে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর কামারপল্লী।

 

 

সারা বছর তেমন কাজ না থাকলেও কুরবানির ঈদ এলে তাদের ব‍্যস্ততা বেড়ে যায় কয়েকগুন। কুরবানির পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম তৈরিতে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন কামাররা।

 

বৃহস্পতিবার সকালে ভূরুঙ্গামারী বাজারের বিভিন্ন কামারের দোকান ঘুরে দেখা যায়, তপ্ত লোহা  গলিয়ে চলছে দা, বটি, ছুরি ও চাকু তৈরির কাজ। কেউ ভারী হাতুড়ি দিয়ে পেটাচ্ছেন তপ্ত লোহা। কেউ পোড়া দা ও ছুরিতে দিচ্ছেন শান।কেউবা হাঁপর টেনে বাতাস দিচ্ছেন। দম ফেলারও সময় নেই তাদের।

পড়ুন>> কাউনিয়ায় কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে কামার পল্লীতে ব্যস্ততা

 

ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে বলে জানান কামাররা। দা, ছুরি, চাকু ও বটির বেচাকেনা বেড়েছে। কারিগররা জানান, এবছর প্রতি পিছ চাকু ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, দা ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা, ৬০০ থেকে ১০০০ টাকায় চাপাতি, জবাই ছুরি ৮০০-১২০০ টাকা বিক্রি করছেন।

 

এছাড়াও পুরনো যন্ত্রপাতি শান দিতে গুনতে হচ্ছে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত। ভূরুঙ্গামারী বাজারের কামার আব্দুল জব্বার ও আব্দুল্লাহ জানান, সারা বছরই আমাদের মোটামুটি বিক্রি হয়। তবে কোরবানি ঈদে বিক্রি হয় সবচেয়ে বেশি। এই সময় ভালোই আয় হয়। যা দিয়ে মুটামুটি ভাবে দিন চলে যায়।ভুরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা ও কামারের দোকান মালিক রোকুনুজ্জামান কর্মকার জানান, করোনার কারনে দীর্ঘদিন দোকান বন্ধ ছিল কোরবানীর ঈদকে ঘিরে আবারও দোকান চালু করেছি।

 

পশু জবাই থেকে শুরু করে কোরবানীর মাংস রান্নার  চুড়ান্ত প্রস্তুতি পর্যন্ত দা, বটি, ছুরি, চাপাতি ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি প্রয়োজন হয়।বছরের অন্যান্য সময় কাজ কম থাকলেও এ সময়ে আমরা কর্মব্যস্ত হয়ে পড়ি।

 

পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পাইকেরছড়া গ্রামের বাসিন্দা আমিনুর কর্মকার জানান, সারা বছরই কষ্ট করে চলতে হয়। কুরবানির ঈদ এলে আমাদের কর্মব্যস্ততা বেড়ে যায়। ঈদের রাত পর্যন্ত নির্ঘুম কাটাতে হয়। একসময় এ পেশায় অনেক লোক ছিল কিন্তু এখন আগের মতো কাজের লোকও মিলছে না। বাপ-দাদার ব্যবসা কোনরকম টিকিয়ে রেখেছি।

 

পাইকেরছড়া ইউনিয়নের গছিডাঙ্গা গ্রামের এরশাদ ও আনারুল জানান,  ২৫০ টাকায় একটি চাকু কিনেছি। আর একটি দা ও একটি বটি ধার দিতে নিয়েছে ১৫০ টাকা।

 

তারা বলেন মনে হচ্ছে দাম একটু বেশি তারপরও কি করবো সামনে ঈদ।অন‍্যান‍্যরা জানান, কোরবানি ঈদে তারা প্রতিবছর দা, ছুরি, চাপাতিসহ বিভিন্ন উপকরণ তৈরি করেন। তুলনামূলক ভাবে এবছর বেচা কেনা একটু কম।বর্তমানে লোহা ও কয়লার দাম অনেক বেড়েছে। সে তুলনায় কামার শিল্পের উৎপাদিত পণ্যের দাম বাড়েনি। তাদের আশা, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এ শিল্প আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারবে।

 

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!