মোনাজাতে জিয়ার নাম নেই! ছাত্রদলের প্রতিবাদ ও ক্ষোভে সংশোধনী মোনাজাত
- আপডেট সময় : ০৭:০৮:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৫৯৭৩ বার পড়া হয়েছে
মোনাজাতে জিয়ার নাম নেই! ছাত্রদলের প্রতিবাদ ও ক্ষোভে সংশোধনী মোনাজাত
মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত মোনাজাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর নাম উল্লেখ না করায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে শাখা ছাত্রদল। ছাত্রদলের প্রতিবাদের মুখে ইমাম দ্বিতীয়বার মোনাজাত পরিচালনা করতে বাধ্য হন।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) একুশের প্রথম প্রহরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।
রাত ১২টা ১ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এরপর জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠন শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব আশরাফ উদ্দিন খান।
পড়ুন>>বেকারত্বের নির্মম বাস্তবতা: কুড়িগ্রামে চিরকুট রেখে আত্মহত্যা যুবকের
তবে মোনাজাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করায় উপস্থিত ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং প্রতিবাদ শুরু করেন।
শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন,
“ইমাম সাহেব অত্যন্ত সজ্জন মানুষ। তিনি কখনোই জিয়ার নাম বাদ দেন না। এটি বিশ্ববিদ্যালয় উদযাপন কমিটি ও প্রশাসনের ইচ্ছাকৃত কারসাজি বলে আমরা মনে করি। যার প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করছেন, তার নাম নিতে ভুল হওয়া রহস্যজনক।” প্রতিবাদ কর্মসূচিতে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাসুদ রুমী মিথুনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও প্রক্টর প্রফেসর ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, “আমরা নিজেরাও জিয়ার আদর্শের সৈনিক। ইমাম সাহেব ভুলবশত নাম উল্লেখ করেননি। বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ ভিত্তিহীন। প্রতিবাদের পর তিনি ভুল স্বীকার করে পুনরায় মোনাজাত করেছেন।”
পড়ুন>> প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে জামায়াত আমির ভাষা শহীদদের প্রতি প্রথমবার শ্রদ্ধা জানালেন
প্রোভিসি প্রফেসর ড. এয়াকুব আলী বলেন,“আমি দোয়ার আগেই খতিবকে শহীদ জিয়া, খালেদা জিয়াসহ বর্তমান সরকারের দায়িত্বশীলদের জন্য দোয়ার কথা বলেছিলাম। মানুষ হিসেবে ভুল হতেই পারে। বিষয়টি নিয়ে অযথা উত্তেজনার কিছু নেই।”
এদিকে মোনাজাতকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনার একপর্যায়ে শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক এস এম সুইটের সঙ্গে প্রোভিসির বাকবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এবং দ্বিতীয়বার যথাযথভাবে মোনাজাত সম্পন্ন হওয়ার পর পরিবেশ শান্ত হয়।




















