ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

নাগেশ্বরীতে লাম্পি রোগে গরুর মৃত্যু, দুশ্চিন্তায় খামারী ও কৃষক

নাগেশ্বরী থেকে মোসলেম উদ্দিন
  • আপডেট সময় : ০৪:০২:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬ ২৭০৪২ বার পড়া হয়েছে

নাগেশ্বরীতে লাম্পি রোগে গরুর মৃত্যু, দুশ্চিন্তায় খামারী ও কৃষক।

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

নাগেশ্বরীতে লাম্পি রোগে গরুর মৃত্যু, দুশ্চিন্তায় খামারী ও কৃষক

 

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে লাম্পি স্কীন রোগে গরুর মৃত্যু হচ্ছে,খামারিদের মাঝে দুশ্চিন্তার ছায়া।

 

 

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এ রোগে গরু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, নেওয়াশী ইউনিয়নেই ৫টি গরুর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়, এর মধ্যে মুছুল্লিপাড়া গ্রামের আমজাদ হোসেনের ১টি আশরাফ হোসেনের ১টি খলিল মিয়ার ১টি, শুকুর আলী১টি,হাছেন আলীর ১টি গরুর মৃত্যু হয়।

পড়ুন>> বিরলে আঃলীগ এর রাজনীতি থেকে অব্যাহতি নিলেন চার রাজনীতিবীদ

 

নারায়ণপুর ইউনিয়নের হাই স্কুল পাড়া গ্রামের ওসমান গনির একটি গরু আক্রান্ত, আব্দুল আলীমের ১টি গরু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়। একমাস আগে জয়নাল আবেদীনের ১টি গরুর বাছুর মারা যায়। এদের বেশির ভাগ লাম্পি ভাইরাস স্কীন রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে জানায় ভুক্তভোগী কৃষক।

 

 

এছাড়াও অনেকের গরু খুরা রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানায় অনেকে। রোগে গরুর মৃত্যু ও আক্রান্তদের অধিকাংশ বাছুর গরু।

 

 

এছাড়াও আক্রান্ত গরুর সংখ্যাও দিন দিন বেড়েই চলেছে, আক্রান্তদের মধ্যে খবর পাওয়া গেছে, গোবর্ধনেরকুটি হাজীপাড়া গ্রামের ছোহরাব হোসেনের একটি ছোট বাছুর গরু, হাসনাবাদ ইউনিয়নের চতলারপাড় নবুর হোসেন ১টি, গাবের তল এলাকার আসাদুলের ১টি গরু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছে।

 

 

এদের মধ্যে কেউই সরকারি ভাবে কোন পরামর্শ ও চিকিৎসা পায়নি বলে তারা জানায়, এই ভাইরাস জনিত রোগের কারনে গরুর খামারিদের মাঝে ব্যপকভাবে হতাসা কাজ করছে। অনেকের গরুর খত শুকিয়ে গেলেও কোরবানির বাজারে ওই সব গরু ক্রেতাদের কিনতে অনাগ্রহ দেখা যায়। এতে লাভের বদলে খামারিদের লোকসানের আশংকাই বেশি।

পড়ুন>> চলনবিলে নতুন পানিতে বোয়াল মাছ শিকারের ধুম

 

এ ব্যাপারে প্রাণী সম্পদ অফিসে ককিল চন্দ্রের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার আরিফুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। পরবর্তীতে আরিফুর রহমানের (ইউওলো) সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ” উপজেলায় মাত্র ২জন চিকিৎসক তাই আমরা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে চিকিৎসা বা পরামর্শ দিতে পারি না। লাম্পি ভাইরাসের ভ্যাকসীন বিষয়ে বলেন সরকারি ভাবে সরবরাহ কম থাকায় সবাইকে ভ্যাকসীন দেয়া সম্ভব হয় না। যারা হাসপাতালে আসে তাদের পরামর্শ দেয়া হয়।”

 

এছাড়াও মাঠ কর্মীরা পরামর্শ দিচ্ছে। এ রোগে গরুর শরীরে গোটা গোটা হয়ে ফুলে যায়, তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, খাওয়া বন্ধ করে দেয়, ফলে গরু দুর্বল হয়ে পরে।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নাগেশ্বরীতে লাম্পি রোগে গরুর মৃত্যু, দুশ্চিন্তায় খামারী ও কৃষক

আপডেট সময় : ০৪:০২:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

 

 

নাগেশ্বরীতে লাম্পি রোগে গরুর মৃত্যু, দুশ্চিন্তায় খামারী ও কৃষক

 

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে লাম্পি স্কীন রোগে গরুর মৃত্যু হচ্ছে,খামারিদের মাঝে দুশ্চিন্তার ছায়া।

 

 

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এ রোগে গরু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, নেওয়াশী ইউনিয়নেই ৫টি গরুর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়, এর মধ্যে মুছুল্লিপাড়া গ্রামের আমজাদ হোসেনের ১টি আশরাফ হোসেনের ১টি খলিল মিয়ার ১টি, শুকুর আলী১টি,হাছেন আলীর ১টি গরুর মৃত্যু হয়।

পড়ুন>> বিরলে আঃলীগ এর রাজনীতি থেকে অব্যাহতি নিলেন চার রাজনীতিবীদ

 

নারায়ণপুর ইউনিয়নের হাই স্কুল পাড়া গ্রামের ওসমান গনির একটি গরু আক্রান্ত, আব্দুল আলীমের ১টি গরু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়। একমাস আগে জয়নাল আবেদীনের ১টি গরুর বাছুর মারা যায়। এদের বেশির ভাগ লাম্পি ভাইরাস স্কীন রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে জানায় ভুক্তভোগী কৃষক।

 

 

এছাড়াও অনেকের গরু খুরা রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানায় অনেকে। রোগে গরুর মৃত্যু ও আক্রান্তদের অধিকাংশ বাছুর গরু।

 

 

এছাড়াও আক্রান্ত গরুর সংখ্যাও দিন দিন বেড়েই চলেছে, আক্রান্তদের মধ্যে খবর পাওয়া গেছে, গোবর্ধনেরকুটি হাজীপাড়া গ্রামের ছোহরাব হোসেনের একটি ছোট বাছুর গরু, হাসনাবাদ ইউনিয়নের চতলারপাড় নবুর হোসেন ১টি, গাবের তল এলাকার আসাদুলের ১টি গরু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছে।

 

 

এদের মধ্যে কেউই সরকারি ভাবে কোন পরামর্শ ও চিকিৎসা পায়নি বলে তারা জানায়, এই ভাইরাস জনিত রোগের কারনে গরুর খামারিদের মাঝে ব্যপকভাবে হতাসা কাজ করছে। অনেকের গরুর খত শুকিয়ে গেলেও কোরবানির বাজারে ওই সব গরু ক্রেতাদের কিনতে অনাগ্রহ দেখা যায়। এতে লাভের বদলে খামারিদের লোকসানের আশংকাই বেশি।

পড়ুন>> চলনবিলে নতুন পানিতে বোয়াল মাছ শিকারের ধুম

 

এ ব্যাপারে প্রাণী সম্পদ অফিসে ককিল চন্দ্রের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার আরিফুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। পরবর্তীতে আরিফুর রহমানের (ইউওলো) সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ” উপজেলায় মাত্র ২জন চিকিৎসক তাই আমরা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে চিকিৎসা বা পরামর্শ দিতে পারি না। লাম্পি ভাইরাসের ভ্যাকসীন বিষয়ে বলেন সরকারি ভাবে সরবরাহ কম থাকায় সবাইকে ভ্যাকসীন দেয়া সম্ভব হয় না। যারা হাসপাতালে আসে তাদের পরামর্শ দেয়া হয়।”

 

এছাড়াও মাঠ কর্মীরা পরামর্শ দিচ্ছে। এ রোগে গরুর শরীরে গোটা গোটা হয়ে ফুলে যায়, তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, খাওয়া বন্ধ করে দেয়, ফলে গরু দুর্বল হয়ে পরে।

 

 

Facebook Comments Box