ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শৈশবের কামড়ানোর অভ্যাস থেকেই টাইগার নাম পান অভিনেতা স্বর্ণের দাম কমাল বাজুস, ভরিতে সাশ্রয় ৩২৬৬ টাকা জুলাইকে ধারণ করে না তাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনে অনুপস্থিত বিরোধী দলের নেতা -প্রধান মন্ত্রী  জাপানে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু আগামী এপ্রিলে নড়িয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন সংবিধান সংশোধনীতে বিরোধী দলের সহযোগিতা পাচ্ছেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের ২১ ক্যাটাগরির নিয়োগ পরীক্ষার সময়সূচি সুনামগঞ্জে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলা, আটক ১ বাকুতে সিকা শীর্ষ সম্মেলনে কাতারের আমিরের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য ১৮ সদস্যের দল ঘোষণা বাংলাদেশের

তাহিরপুরের চারটি অস্থায়ী পশুর হাট ইজারায় শুভঙ্করের ফাঁকি

সুনামগঞ্জ থেকে আমির হোসেন
  • আপডেট সময় : ০৯:১৮:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬ ২৮৬৭৮ বার পড়া হয়েছে

তাহিরপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে থেকে চারটি অস্থায়ী পশুর হাট ইজারাকে কেন্দ্র করে শুভঙ্করের ফাঁকি ও অনিয়মের অভিযোগ

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

 

 

তাহিরপুরের চারটি অস্থায়ী পশুর হাট ইজারায় শুভঙ্করের ফাঁকি
‎

‎
‎ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে পশু ক্রয়বিক্রয়ের সুবিধার্থে তাহিরপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে থেকে চারটি অস্থায়ী পশুর হাট ইজারাকে কেন্দ্র করে শুভঙ্করের ফাঁকি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এতে করে সরকার কয়েক লাখ টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হয়ে বলে স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ।
‎
‎

 

 

সরকারি হিসাব ও স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, গত সপ্তাহে উপজেলার সবচেয়ে বড় বাদাঘাট গরুর হাট ছাড়াও ক্রেতাদের সুবিধার্থে উপজেলার শান্তিপুর, বড়ছড়া, লাউড়েরগড় ও কলাগাঁও বাজারে অস্থায়ী গরুর হাট বসানোর জন্য ইজারা দেয় উপজেলা প্রশাসন। এর মধ্যে কলাগাঁও বাজার পশুর হাট ২৮ হাজার , লাউড়েরগড় বাজার পশুর হাট ১৮ হাজার, একতা বাজার পশুর হাট মাত্র ২০ হাজার টাকা এবং  উপজেলার আলোচিত শান্তিপুর পশুর হাট ৪৮ হাজার ১০০টাকায় ইজারা দেয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান মানিক ।

 

পড়ুন>> নীলফামারীতে বিষপানে নারীর মৃত্যু

 

 

অভিযোগ উঠেছে, ওই চারটি হাটে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়া উপজেলা প্রশাসনের যোগসাজশে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অধিক মূল্যের চারটি পশুর হাট ইজারা দেয়া হয় নামমাত্র ১ লাখ ১৪ হাজার ১০০ টাকায়। ওই অস্থায়ী চারটি পশুর হাট ইজারা মূল্যের চেয়ে কম টাকায় ইজারা দেয়া উপজেলার সচেতন মহলসহ এলাকাবাসীর মধ্যে চলছে আলোচনা আর সমালোচনার ঝড়।

 

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অস্থায়ী পশুর হাট ইজারা নিতে আগ্রহী অনেকেই জানান, উপজেলা প্রশাসন কোনোধরনের বিজ্ঞপ্তি বা প্রচার চাড়াই এইসব অস্থায়ী পশুর হাট গুলো ইজারা দেয়। আর এই চারটি হাটেই নামমাত্র ইজারা মূল্য দিয়ে বর্তমান সরকার দলীয় বিএনপি নেতাদের ইজারা দেয়া হয়েছে।
‎
‎

 

 

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি হাটে এ ধরনের অনিয়মের অভিযোগ প্রশাসনের জন্য উদ্বেগজনক। তারা দ্রুত একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, খাস কালেকশনের হিসাব অডিট এবং অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাট-বাজার কেন্দ্র করে রাজস্ব ফাঁকি ও সিন্ডিকেট সংস্কৃতি দীর্ঘদিনের সমস্যা।

‎পড়ুন>>বিরলে সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিল হতে অনুদানের অর্থ বিতরণ
‎

‎এদিকে স্থানীয়দের দাবি, তাহিরপুর উপজেলার বৃহৎ পশুর হাট বাদাঘাট বাজারে গত দুই বছর ইজারা না হওয়ায় খাস কালেকশনে সরকারের নির্ধারিত রাজস্ব আদায়ের পরিবর্তে বর্তমান রাজনৈতিক দলের একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট হাটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কোটি টাকার বাণিজ্য পরিচালনা করছে। এই হাটে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে তাহিরপুর উপজেলা সদর ইউনিয়ন ভূমি তহশিলদার নামমাত্র উপস্থিত দেখিয়ে ওই সিন্ডিকেটটি কালেকশনের মাধ্যমে সিংহভাগ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে অথচ সরকারি কোষাগারে জমা পড়ছে নামমাত্র অংশ।

 

 

 

এতে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এমন অভিযোগ স্থানীয় সচেতন মহলের। এই হাটটি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অর্ধ কোটি টাকায় ইজারা হলেও অথচ গত দুই বছর ধরেই বাদাঘাট হাটটির ইজারা না হওয়ায় খাস কালেকশনের নামের চলছে সরকারি অর্থ লুটপাটের নিরব মচ্ছধ। বাস্তবে এই হাটে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব আদায়ের কথা থাকলেও বাস্তবে আদায় হচ্ছে তার কয়েকগুণ কম।
‎
‎

আরও পড়ুন>> ঈদুল আযহা উপলক্ষে তাড়াশে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা প্রদান

 

 

স্থানীয়দের ভাষায়, ‘এটা হাট না, যেন রাজস্ব লুটের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে।’ স্থানীয়দের আরও অভিযোগ রয়েছে, বাদাঘাট বাজার গরুর হাটসহ উপজেলার সবকয়টি গরুর হাটকে ঘিরে একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক চক্র গড়ে উঠেছে, যারা সম্প্রতি সময়ে ওই হাটের রাজস্ব আদায়কে নিয়ন্ত্রণ করছেন।
‎
‎

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, ‘হাটে গরু ওঠানামা, বেচাকেনা, ইজারা আদায় সবকিছুই একটা রাজনৈতিক সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অনেক বড় অঙ্কের টাকা হাতবদল হচ্ছে, কিন্তু সরকারি রসিদে দেখা যায় নামে মাত্র। সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব।
‎
‎

উপজেলা বিএনপির নেতা আজিজুর রহমান বলেন, ‘গত বছরে আমি ইজারা নিয়েছিলাম, তবে এ বছর নয়। পারিশ্রমিকের বিনিময়ে আমার কিছু জনবলের সহযোগিতায় খাস কালেকশন করা হচ্ছে। কত টাকা কালেকশন হচ্ছে তা আমি বলতে পারব না।’
‎
‎আরও পড়ুন>>সুনামগঞ্জ ডিবি পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমান ভারতীয় পন‍্যসহ আটক-১
‎

এ বিষয়ে তাহিরপুর উপজেলা নবাগত নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মেহেদী হাসান মানিক জানান, বাদাঘাট বাজার পশুর হাট গত পহেলা বৈশাখ থেকেই খাস কালেকশন চলছে। একজন তহশিলদার থেকে ইজারা আদায় করছেন। এখানে কোন অনিয়ম বা অর্থ লুটপাটে প্রশ্নই উঠেনা। যা তোলা হচ্ছে তাই সরকারের কোষাগারে জমা হচ্ছে।

 

 

 

তহশিলদার একা কালেকশন করতে পারবেনা বিদায় স্থানীয় কিছু লোক রেখে ইজারা আদায় করা হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে জনসাধারণের পশু ক্রয়বিক্রয়ের সুবিধার্থে উপজেলায় চারটি অস্থায়ী পশুর ইজারা দেয়া হয়েছে। চারটি অস্থায়ী পশুর হাট ইজারা দেয়া হয়েছে তা ইজারা মূল্যের চেয়ে অতি কম মূল্যে ইজারা দেয়া হয়েছে। এমন প্রশ্নের জবাবে ইউএনও বলেন, ওপেন ডাকের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দরদাতাকে ইজারা দেয়া হয়ে।
‎

‎

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তাহিরপুরের চারটি অস্থায়ী পশুর হাট ইজারায় শুভঙ্করের ফাঁকি

আপডেট সময় : ০৯:১৮:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

 

 

 

 

 

তাহিরপুরের চারটি অস্থায়ী পশুর হাট ইজারায় শুভঙ্করের ফাঁকি
‎

‎
‎ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে পশু ক্রয়বিক্রয়ের সুবিধার্থে তাহিরপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে থেকে চারটি অস্থায়ী পশুর হাট ইজারাকে কেন্দ্র করে শুভঙ্করের ফাঁকি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এতে করে সরকার কয়েক লাখ টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হয়ে বলে স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ।
‎
‎

 

 

সরকারি হিসাব ও স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, গত সপ্তাহে উপজেলার সবচেয়ে বড় বাদাঘাট গরুর হাট ছাড়াও ক্রেতাদের সুবিধার্থে উপজেলার শান্তিপুর, বড়ছড়া, লাউড়েরগড় ও কলাগাঁও বাজারে অস্থায়ী গরুর হাট বসানোর জন্য ইজারা দেয় উপজেলা প্রশাসন। এর মধ্যে কলাগাঁও বাজার পশুর হাট ২৮ হাজার , লাউড়েরগড় বাজার পশুর হাট ১৮ হাজার, একতা বাজার পশুর হাট মাত্র ২০ হাজার টাকা এবং  উপজেলার আলোচিত শান্তিপুর পশুর হাট ৪৮ হাজার ১০০টাকায় ইজারা দেয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান মানিক ।

 

পড়ুন>> নীলফামারীতে বিষপানে নারীর মৃত্যু

 

 

অভিযোগ উঠেছে, ওই চারটি হাটে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়া উপজেলা প্রশাসনের যোগসাজশে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অধিক মূল্যের চারটি পশুর হাট ইজারা দেয়া হয় নামমাত্র ১ লাখ ১৪ হাজার ১০০ টাকায়। ওই অস্থায়ী চারটি পশুর হাট ইজারা মূল্যের চেয়ে কম টাকায় ইজারা দেয়া উপজেলার সচেতন মহলসহ এলাকাবাসীর মধ্যে চলছে আলোচনা আর সমালোচনার ঝড়।

 

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অস্থায়ী পশুর হাট ইজারা নিতে আগ্রহী অনেকেই জানান, উপজেলা প্রশাসন কোনোধরনের বিজ্ঞপ্তি বা প্রচার চাড়াই এইসব অস্থায়ী পশুর হাট গুলো ইজারা দেয়। আর এই চারটি হাটেই নামমাত্র ইজারা মূল্য দিয়ে বর্তমান সরকার দলীয় বিএনপি নেতাদের ইজারা দেয়া হয়েছে।
‎
‎

 

 

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি হাটে এ ধরনের অনিয়মের অভিযোগ প্রশাসনের জন্য উদ্বেগজনক। তারা দ্রুত একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, খাস কালেকশনের হিসাব অডিট এবং অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাট-বাজার কেন্দ্র করে রাজস্ব ফাঁকি ও সিন্ডিকেট সংস্কৃতি দীর্ঘদিনের সমস্যা।

‎পড়ুন>>বিরলে সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিল হতে অনুদানের অর্থ বিতরণ
‎

‎এদিকে স্থানীয়দের দাবি, তাহিরপুর উপজেলার বৃহৎ পশুর হাট বাদাঘাট বাজারে গত দুই বছর ইজারা না হওয়ায় খাস কালেকশনে সরকারের নির্ধারিত রাজস্ব আদায়ের পরিবর্তে বর্তমান রাজনৈতিক দলের একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট হাটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কোটি টাকার বাণিজ্য পরিচালনা করছে। এই হাটে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে তাহিরপুর উপজেলা সদর ইউনিয়ন ভূমি তহশিলদার নামমাত্র উপস্থিত দেখিয়ে ওই সিন্ডিকেটটি কালেকশনের মাধ্যমে সিংহভাগ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে অথচ সরকারি কোষাগারে জমা পড়ছে নামমাত্র অংশ।

 

 

 

এতে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এমন অভিযোগ স্থানীয় সচেতন মহলের। এই হাটটি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অর্ধ কোটি টাকায় ইজারা হলেও অথচ গত দুই বছর ধরেই বাদাঘাট হাটটির ইজারা না হওয়ায় খাস কালেকশনের নামের চলছে সরকারি অর্থ লুটপাটের নিরব মচ্ছধ। বাস্তবে এই হাটে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব আদায়ের কথা থাকলেও বাস্তবে আদায় হচ্ছে তার কয়েকগুণ কম।
‎
‎

আরও পড়ুন>> ঈদুল আযহা উপলক্ষে তাড়াশে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা প্রদান

 

 

স্থানীয়দের ভাষায়, ‘এটা হাট না, যেন রাজস্ব লুটের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে।’ স্থানীয়দের আরও অভিযোগ রয়েছে, বাদাঘাট বাজার গরুর হাটসহ উপজেলার সবকয়টি গরুর হাটকে ঘিরে একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক চক্র গড়ে উঠেছে, যারা সম্প্রতি সময়ে ওই হাটের রাজস্ব আদায়কে নিয়ন্ত্রণ করছেন।
‎
‎

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, ‘হাটে গরু ওঠানামা, বেচাকেনা, ইজারা আদায় সবকিছুই একটা রাজনৈতিক সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অনেক বড় অঙ্কের টাকা হাতবদল হচ্ছে, কিন্তু সরকারি রসিদে দেখা যায় নামে মাত্র। সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব।
‎
‎

উপজেলা বিএনপির নেতা আজিজুর রহমান বলেন, ‘গত বছরে আমি ইজারা নিয়েছিলাম, তবে এ বছর নয়। পারিশ্রমিকের বিনিময়ে আমার কিছু জনবলের সহযোগিতায় খাস কালেকশন করা হচ্ছে। কত টাকা কালেকশন হচ্ছে তা আমি বলতে পারব না।’
‎
‎আরও পড়ুন>>সুনামগঞ্জ ডিবি পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমান ভারতীয় পন‍্যসহ আটক-১
‎

এ বিষয়ে তাহিরপুর উপজেলা নবাগত নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মেহেদী হাসান মানিক জানান, বাদাঘাট বাজার পশুর হাট গত পহেলা বৈশাখ থেকেই খাস কালেকশন চলছে। একজন তহশিলদার থেকে ইজারা আদায় করছেন। এখানে কোন অনিয়ম বা অর্থ লুটপাটে প্রশ্নই উঠেনা। যা তোলা হচ্ছে তাই সরকারের কোষাগারে জমা হচ্ছে।

 

 

 

তহশিলদার একা কালেকশন করতে পারবেনা বিদায় স্থানীয় কিছু লোক রেখে ইজারা আদায় করা হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে জনসাধারণের পশু ক্রয়বিক্রয়ের সুবিধার্থে উপজেলায় চারটি অস্থায়ী পশুর ইজারা দেয়া হয়েছে। চারটি অস্থায়ী পশুর হাট ইজারা দেয়া হয়েছে তা ইজারা মূল্যের চেয়ে অতি কম মূল্যে ইজারা দেয়া হয়েছে। এমন প্রশ্নের জবাবে ইউএনও বলেন, ওপেন ডাকের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দরদাতাকে ইজারা দেয়া হয়ে।
‎

‎

Facebook Comments Box