বড় অপরাধে ছোট জরিমানা? ১০ হাজার লিটার ডিজেল মজুতের ঘটনায় প্রশ্নের ঝড় : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
বড় অপরাধে ছোট জরিমানা? ১০ হাজার লিটার ডিজেল মজুতের ঘটনায় প্রশ্নের ঝড় : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশের ৯ ব্র্যান্ডের টুথপেস্টে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক নাগেশ্বরীতে প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ভ্রাম্যমান সৌরসেচ ব্যবস্থা বিতরণ কাউনিয়ায় মসজিদ থেকে একের পর এক মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল চুরি দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া টুথপেস্টের ৮টি ছাড়া সবগুলোতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক ভাইরাল রিল ভিডিও: প্রধান শিক্ষিকা বিউটি পালের পাশে সহকর্মীরা, ‘শিক্ষকরাও মানুষ’ যাদুকাটায় প্রশাসনের অভিযানে বালু খেকোদের হামলা শুভ সকাল; আজ রবিবার ২৬ জুলাই ২০২৬: আজকের পূর্ণাঙ্গ পঞ্জিকা ভূরুঙ্গামারীতে নসিমনের চাপায় চালক নিহত ভারতের ছাত্র আন্দোলন প্রত্যাহার: ক্ষতিপূরণসহ দাবি মেনে নিল সরকার তাড়াশে বহুল আলোচিত মারুফ হাসানের হত্যাকারীর মৃত্যু

বড় অপরাধে ছোট জরিমানা? ১০ হাজার লিটার ডিজেল মজুতের ঘটনায় প্রশ্নের ঝড়

নাটোর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
প্রতিকী ছবি

 

 

বড় অপরাধে ছোট জরিমানা? ১০ হাজার লিটার ডিজেল মজুতের ঘটনায় প্রশ্নের ঝড়

 

 

 

 

 

নাটোরের সিংড়া উপজেলার নিঙ্গইন এলাকায় নাটোর–বগুড়া মহাসড়কের পাশে মাটির নিচে গর্ত করে প্লাস্টিকের ট্যাংকিতে ১০ হাজার লিটার ডিজেল মজুত করার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন।

 

জেনে নিন সাহরী, ইফতার ও নামাজের সময়সুচী

সাহরীর শেষ সময় : ৩:৫৫
ইফতারের সময় : ৬:৪৯
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ভোর ৪:০১
  • দুপুর ১২:০৮
  • বিকেল ৪:৪৩
  • সন্ধ্যা ৬:৪৯
  • রাত ৮:১২
  • ভোর ৫:২৪
  • আল্লাহ্ সর্ব শক্তিমান।

 

 

অভিযানে নিয়মবহির্ভূতভাবে জ্বালানি তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগে জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী মো. রুবেলকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

 

 

 

তবে আইনে মজুতদারির শাস্তি অনেক বেশি হওয়ায় এই জরিমানাকে ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে। একই ধরনের অপরাধে কোথাও কম, কোথাও বেশি জরিমানা দেওয়ার নজিরও রয়েছে। যেমন—নাটোরে ১০ হাজার লিটার ডিজেল মজুতের ঘটনায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হলেও পাবনায় একটি পাম্পে অবৈধভাবে তেল মজুতের ঘটনায় ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ফলে দুই জায়গায় দুই ধরনের সাজা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

পড়ুন>>তেল কিনতে সীমা বেঁধে দিল সরকার, বাইকে ২ লিটার; কারে ১০ লিটার!

 

১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ (১) ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি মজুতদারি ও কালোবাজারি কারবারে দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে তাকে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

 

 

 

তবে শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি আর্থিক বা অন্য কোনো লাভের উদ্দেশ্যে নয়, অন্য কারণে মজুত করেছিলেন, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে জরিমানাও করা যাবে।

 

 

 

ভ্রাম্যমাণ আদালতের এখতিয়ার ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন, ২০০৯-এর ৬(১) ধারায় বলা হয়েছে, ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনাকালে তাঁর সামনে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক দণ্ড দিতে পারেন।

 

পড়ুন>>মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জ্বালানি ঝুঁকি: দেশে কতদিন চলবে তেলের মজুত?

 

 

আইনের ৭(৩) ধারায় বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি অভিযোগ অস্বীকার করলে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে তার ব্যাখ্যা সন্তোষজনক হলে তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে হবে।

 

 

 

 

আর ৭(৪) ধারায় বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে মামলাটি বিচারের জন্য উপযুক্ত আদালতে পাঠাতে হবে।

 

 

 

তবে বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগ রয়েছে—মামলা আদালতে না পাঠিয়ে সরাসরি জরিমানা বা সাজা দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন অনুযায়ী, মোবাইল কোর্ট সর্বোচ্চ দুই বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারে না। আর সংশ্লিষ্ট আইনে নির্ধারিত অর্থদণ্ডের সীমার মধ্যেই জরিমানা করার ক্ষমতা রয়েছে।

 

 

 

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১১ সালের অক্টোবর ও ডিসেম্বরে দুটি এবং ২০১২ সালের মে মাসে একটি রিট করা হয়।

আরও পড়ুন>>ইমাম নিয়োগ নিয়ে রাজশাহীতে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে জামায়াত কর্মী নিহত

 

 

পরে তিনটি রিট একসঙ্গে নিষ্পত্তি করে ২০১৭ সালের ১১ মে হাইকোর্ট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকে অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন, ২০০৯-এর ১১টি ধারা-উপধারাও অবৈধ ঘোষণা করা হয়।

 

 

 

রায়ে বলা হয়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের বিচারিক ক্ষমতা দেওয়া সংবিধানের ক্ষমতার পৃথকীকরণ নীতির পরিপন্থী এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর আঘাত। তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারি আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন এবং রাষ্ট্রপক্ষকে আপিলের অনুমতি দেন। সেই আপিল এখনো নিষ্পত্তি হয়নি।

 

 

 

ফলে আপিল বিভাগের স্থগিতাদেশের ভিত্তিতেই বর্তমানে দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

 

 

 

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!