ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২৫ হাজার বছর আগেও মাদক হিসেবে সুপারির ব্যবহার ছিল, বলছে নতুন গবেষণা নরসিংদীর শিবপুরে শীতলক্ষ্যা নদীতে নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের সন্ধান মিলেছে জ্বালানি সংকটে শিল্পখাত ধুঁকছে, সরকারের ব্যর্থতার সমালোচনা জামায়াত আমীরের ব্রিকসের বিবর্তন ও বর্তমান চ্যালেঞ্জ: ঐকমত্যে পৌঁছানোই এখন বড় বাধা পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে প্রাণ হারানো সীতাকুণ্ডের রমজান আলীর মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি নিজ গ্রামে দাফন বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের প্রত্যেকেই বর্তমান সরকারের অংশ: রুহুল কবির রিজভী পিরোজপুরে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি: হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯৩ রোগী পাবনায় আব্দুল বারেক মৃত্যুর ঘটনা মামলার পলাতক দম্পতি আটক বাব এল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিল হুতিরা, ট্রাম্পের কাছে সৌদির অনুরোধ প্রত্যাখ্যান দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন: তথ্যমন্ত্রী

চীনা নারী পাচারকারীদের পাকিস্তানের পর এখন টার্গেট বাংলাদেশ

নুরল ইসলাম, মানবাধিকার কর্মী
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৭:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬ ৮৪৩৫ বার পড়া হয়েছে

ছবি নেট

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

চীনা নারী পাচারকারীদের পাকিস্তানের পর এখন টার্গেট বাংলাদেশ

 

চীনা নারী পাচারকারীদের পাকিস্তানের পর এখন টার্গেট বাংলাদেশ।
কয়েক বছর আগে পাকিস্তানেও শুরুটা হয়েছিল প্রেমের গল্প দিয়ে, অনলাইন পরিচয়, প্রেম, তারপর বিয়ের প্রস্তাব।

 

 

Associated Press-এর তদন্ত অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ সালের মধ্যে অন্তত ৬২৯ জন পাকিস্তানি নারী ও তরুণীকে ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে চীনে নিয়ে যাওয়া হয়।

 

 

পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় চীনা ও স্থানীয় দালালরা দরিদ্র এবং অল্পবয়সী মেয়েদের টার্গেট করত। তারপর ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে বিয়ের মাধ্যমে তাদের চীনে নিয়ে যাওয়া হতো।

পড়ুন>> ভূরুঙ্গামারীতে চালের ড্রাম থেকে ৮ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার: আটক ১

 

যেসব ভুক্তভোগী কৌশলে পাকিস্তানে ফিরতে পেরেছিলেন, তারা অভিযোগ করেন যে চীনে নিয়ে যাওয়ার পর প্রথম কিছুদিন ভালো ব্যবহার করা হলেও পরে তারা বুঝতে পারেন যে তারা পাচারের শিকার হয়েছেন।

 

 

তাদের ওপর শারীরিক নির্যাতন, যৌন নির্যাতন, জোরপূর্বক গর্ভধারণের চাপ সৃষ্টি করা হতো এবং অনেককে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রশাসন চীনা নাগরিক এবং স্থানীয় দালালদের আটক করে।

 

 

চীনে নারী পাচারের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর পাকিস্তানে আর সুবিধা করতে পারেনি চক্রটি। একই চক্র এবার টার্গেট করেছে বাংলাদেশের দরিদ্র মেয়েদের। সেই একই প্যাটার্নে প্রতারণার ফাঁদ পাতা হচ্ছে।

পড়ুন>> সাপাহারে পুশইনের চেষ্টা ঠেকিয়ে দিয়েছে বিজিবি

 

প্রায় প্রতি সপ্তাহেই নিউজ দেখা যায়, চীনা যুবক প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসেছে। মুসলিম পরিবারগুলোর জন্য আরও বড় বিষয় হলো, একজন মুসলিম মেয়ের জন্য কোনো অমুসলিম পুরুষকে বিয়ে করা ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ নয়। এটি স্পষ্ট হারাম।

 

 

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী চীনে দীর্ঘদিনের এক সন্তান নীতির কারণে সেখানে কোটি কোটি পুরুষ নারীর তুলনায় বেশি।

 

 

তাই গ্রামের দরিদ্র মেয়েগুলোকে শুধুমাত্র ভোগ করার জন্যই ভুয়া বিয়ের ফাঁদ পাতা হয়েছে। মনে রাখবেন, মানবপাচারকারী কখনো নিজেকে মানবপাচারকারী বলে পরিচয় দেয় না।

 

 

 

সুতরাং যেসব এলাকায় চীনা নাগরিক আসবে এলাকাবাসীর উচিত বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চীনা নারী পাচারকারীদের পাকিস্তানের পর এখন টার্গেট বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

 

 

 

চীনা নারী পাচারকারীদের পাকিস্তানের পর এখন টার্গেট বাংলাদেশ

 

চীনা নারী পাচারকারীদের পাকিস্তানের পর এখন টার্গেট বাংলাদেশ।
কয়েক বছর আগে পাকিস্তানেও শুরুটা হয়েছিল প্রেমের গল্প দিয়ে, অনলাইন পরিচয়, প্রেম, তারপর বিয়ের প্রস্তাব।

 

 

Associated Press-এর তদন্ত অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ সালের মধ্যে অন্তত ৬২৯ জন পাকিস্তানি নারী ও তরুণীকে ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে চীনে নিয়ে যাওয়া হয়।

 

 

পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় চীনা ও স্থানীয় দালালরা দরিদ্র এবং অল্পবয়সী মেয়েদের টার্গেট করত। তারপর ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে বিয়ের মাধ্যমে তাদের চীনে নিয়ে যাওয়া হতো।

পড়ুন>> ভূরুঙ্গামারীতে চালের ড্রাম থেকে ৮ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার: আটক ১

 

যেসব ভুক্তভোগী কৌশলে পাকিস্তানে ফিরতে পেরেছিলেন, তারা অভিযোগ করেন যে চীনে নিয়ে যাওয়ার পর প্রথম কিছুদিন ভালো ব্যবহার করা হলেও পরে তারা বুঝতে পারেন যে তারা পাচারের শিকার হয়েছেন।

 

 

তাদের ওপর শারীরিক নির্যাতন, যৌন নির্যাতন, জোরপূর্বক গর্ভধারণের চাপ সৃষ্টি করা হতো এবং অনেককে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রশাসন চীনা নাগরিক এবং স্থানীয় দালালদের আটক করে।

 

 

চীনে নারী পাচারের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর পাকিস্তানে আর সুবিধা করতে পারেনি চক্রটি। একই চক্র এবার টার্গেট করেছে বাংলাদেশের দরিদ্র মেয়েদের। সেই একই প্যাটার্নে প্রতারণার ফাঁদ পাতা হচ্ছে।

পড়ুন>> সাপাহারে পুশইনের চেষ্টা ঠেকিয়ে দিয়েছে বিজিবি

 

প্রায় প্রতি সপ্তাহেই নিউজ দেখা যায়, চীনা যুবক প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসেছে। মুসলিম পরিবারগুলোর জন্য আরও বড় বিষয় হলো, একজন মুসলিম মেয়ের জন্য কোনো অমুসলিম পুরুষকে বিয়ে করা ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ নয়। এটি স্পষ্ট হারাম।

 

 

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী চীনে দীর্ঘদিনের এক সন্তান নীতির কারণে সেখানে কোটি কোটি পুরুষ নারীর তুলনায় বেশি।

 

 

তাই গ্রামের দরিদ্র মেয়েগুলোকে শুধুমাত্র ভোগ করার জন্যই ভুয়া বিয়ের ফাঁদ পাতা হয়েছে। মনে রাখবেন, মানবপাচারকারী কখনো নিজেকে মানবপাচারকারী বলে পরিচয় দেয় না।

 

 

 

সুতরাং যেসব এলাকায় চীনা নাগরিক আসবে এলাকাবাসীর উচিত বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো।

 

 

Facebook Comments Box