ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্রি সেচ সুবিধা: দুশ্চিন্তা থেকে চাষিদের মুখে হাসি : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্রি সেচ সুবিধা: দুশ্চিন্তা থেকে চাষিদের মুখে হাসি : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ব্রিটেনে বিশ্বনাথের ইছমাইল উদ্দিনের ব্যাচেলর ডিগ্রী অর্জন পর্তুগাল থেকে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনায় সিক্ত হলেন তালুকদার গিয়াস উদ্দিন ভাইরাল তাজু ভাই এবার টাইমস টুডের মফস্বল সাংবাদিক রাণীশংকৈলে ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক দ্বিতীয় স্ত্রীর বিচ্ছেদ ও ঋণের চাপে ইউপি সদস্যের আত্মহত্যার অভিযোগ কদমতলীতে জাল নোট তৈরির কারখানায় অভিযানে জাল নোটসহ গ্রেপ্তার ২ দৌলতপুরে ছেলের টর্চলাইটের আঘাতে বাবার মৃত‍্যু ফেসবুকে ৩০ জুলাই এসএসসি ফল প্রকাশের গুঞ্জনে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান শিক্ষা বোর্ডের ভিসার ঝামেলা ছাড়াই ভ্রমণ এশিয়ার ৬ দেশ: জেনে নিন তালিকা দেশের ৯ ব্র্যান্ডের টুথপেস্টে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক

ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্রি সেচ সুবিধা: দুশ্চিন্তা থেকে চাষিদের মুখে হাসি

সৃষ্টি ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৯ আগস্ট, ২০২২
ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্রি সেচ সুবিধা: দুশ্চিন্তা থেকে চাষিদের মুখে হাসি

ঠাকুরগাঁও থেকে  মজিবর রহমান শেখ: ঠাকুরগাঁও জেলায় খরিফ-২ (আমন) মৌসুমে প্রয়োজনীয় বৃষ্টি না হওয়ায় দুশ্চিন্তায় ছিলেন চাষিরা। তবে সে দুশ্চিন্তা থেকে চাষিদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য আমন ধানের জমিতে সম্পূরক সেচের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ঠাকুরগাঁও জেলা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া তথ্যমতে, এ বছর পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়িত ভুল্লি বাঁধ সেচ প্রকল্পের ৮০০ হেক্টর, টাংগন বাঁধ সেচ প্রকল্পের ৪৪৫০ হেক্টর, বুড়ি বাঁধ সেচ প্রকল্পের ১৭২০ হেক্টর জমি সহ ঠাকুরগাঁও জেলার সকল সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে ১১,৬৬৫ হেক্টর জমিতে সম্পূরক সেচ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে ১১,৬৬৫ হেক্টর জমিতে ৫৮,২৭৫ মেট্রিক টন ধান উৎপন্ন হবে, যার মূল্য ১১৫ কোটি টাকা।

এতে আনুমানিক ৮১ কোটি টাকার জ্বালানি সাশ্রয় হবে। ঠাকুরগাঁও জেলা অফিসের আওতায় ৮৯টি কৃষক পানি ব্যবস্থাপনা দল রয়েছে। এতে ভূল্লী বাঁধ সেচ প্রকল্পের ১ হাজার জন, টাংগন বাঁধ ৬ হাজার জন ও বুড়ি বাঁধ সেচ প্রকল্পে ২ হাজার জন কৃষক সুবিধা পাচ্ছেন। বুড়ি বাঁধ সেচ প্রকল্পের আওতায় উপকারভোগী কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, যে পরিমাণ বৃষ্টির প্রয়োজন সেটি পাওয়া যাচ্ছে না খরার কারনে। তবে সম্পূরক সেচের মাধ্যমে আমন জমিতে পানি দেয়ায় হতাশা দূর হয়েছে। ভালো ফসল হবে আশা করছি।

ভূল্লী বাঁধ সেচ প্রকল্পের সভাপতি আসাদুজ্জামান বলেন, আমাদের বাঁধের আওতায় এক হাজার কৃষক সম্পূরক সেচ পাচ্ছেন। আমরা আমন ধান নিয়ে অনেক বেশী দুশ্চিন্তার মধ্যে ছিলাম। আর এবারে যখন বৃষ্টি হওয়া দরকার তখন আমরা বৃষ্টি পায়নি। তবে সম্পূরক সেচের মাধ্যমে আমিসহ আমাদের এখানকার চাষিরা অনেক উপকৃত হচ্ছেন। আর কৃষিতে প্রাণ ফিরে পেয়েছেন।জেলার টাংগন, বুড়ি ও ভুল্লি বাঁধ সেচ প্রকল্পের পূর্নবাসন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক, প্রকৌশলী মোখলেসুর রহমান বলেন, আমন জমিতে সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে চাষিরা দারুণ ভাবে লাভবান হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি তাদের পাশে থাকার। সম্পূরক সেচের মাধ্যমে বড় অঙ্কের একটি জ্বালানি সাশ্রয় হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ঠাকুরগাঁও জেলা উপ-প্রধান সম্প্রসারণ অফিসার রফিউল বারী বলেন, আমরা সব সময় চাষিদের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। খরা মোকাবেলায় আমরা আমন ধানের জমিতে সম্পূরক সেচের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমরা মনে করছি এর মাধ্যমে কৃষিতে স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!