রক্তাক্ত শৈশব: রাষ্ট্র আর কতকাল নির্বিকার থাকবে? : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
রক্তাক্ত শৈশব: রাষ্ট্র আর কতকাল নির্বিকার থাকবে? : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দৌলতপুরে ছেলের টর্চলাইটের আঘাতে বাবার মৃত‍্যু ফেসবুকে ৩০ জুলাই এসএসসি ফল প্রকাশের গুঞ্জনে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান শিক্ষা বোর্ডের ভিসার ঝামেলা ছাড়াই ভ্রমণ এশিয়ার ৬ দেশ: জেনে নিন তালিকা দেশের ৯ ব্র্যান্ডের টুথপেস্টে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক নাগেশ্বরীতে প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ভ্রাম্যমান সৌরসেচ ব্যবস্থা বিতরণ কাউনিয়ায় মসজিদ থেকে একের পর এক মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল চুরি দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া টুথপেস্টের ৮টি ছাড়া সবগুলোতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক ভাইরাল রিল ভিডিও: প্রধান শিক্ষিকা বিউটি পালের পাশে সহকর্মীরা, ‘শিক্ষকরাও মানুষ’ যাদুকাটায় প্রশাসনের অভিযানে বালু খেকোদের হামলা শুভ সকাল; আজ রবিবার ২৬ জুলাই ২০২৬: আজকের পূর্ণাঙ্গ পঞ্জিকা

রক্তাক্ত শৈশব: রাষ্ট্র আর কতকাল নির্বিকার থাকবে?

মোখলেছুর রহমান
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
সীতাকুন্ড ইকোপার্ক

 

 

 

 

রক্তাক্ত শৈশব: রাষ্ট্র আর কতকাল নির্বিকার থাকবে?

 

 

সীতাকুণ্ডে সাত বছরের এক শিশু, যার শ্বাসনালি কাটা, শরীর রক্তে ভেজা- প্রাণ বাঁচাতে সে হাঁটছে। এই বীভৎস দৃশ্য কোনো চলচ্চিত্রের নয়, ২০২৬-এর বাংলাদেশের এক নির্মম বাস্তবতা।

 

 

দ্বিতীয় শ্রেণির এই শিশুটিকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রশ্ন জাগে, আমরা কি কোনো সভ্য সমাজে বাস করছি, নাকি এক আদিম জঙ্গলে?

 

 

২০২৬ সালের শুরু থেকেই নারীর প্রতি সহিংসতার যে চিত্র ফুটে উঠছে, তা রীতিমতো শিউরে ওঠার মতো। বছরের প্রথম মাসেই ৩৫ জন নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসেও নরসিংদী থেকে পাবনা- দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নৃশংসতা থামেনি। এই পরিসংখ্যান কেবল সংখ্যা নয়, বরং আমাদের বিচারব্যবস্থা ও সামাজিক নিরাপত্তার চরম ব্যর্থতার দলিল।

 

 

 

 

ধর্ষণ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে তদন্ত ও সাক্ষী উপস্থাপন- পুরো প্রক্রিয়ার ৯৯ শতাংশই রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত। অথচ বিচারহীনতার সংস্কৃতি আর প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় অপরাধীরা বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে। বিচার চাইতে গিয়ে উল্টো ভুক্তভোগী পরিবারকে এলাকা ছাড়তে হচ্ছে, এমনকি নরসিংদীর কিশোরীর মতো জীবনও দিতে হচ্ছে।

 

 

      আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান থাকলেও প্রয়োগের অভাবে তা কাগজেই সীমাবদ্ধ। মামলার দীর্ঘসূত্রতা আর সামাজিক হয়রানি ভুক্তভোগীদের বিচারহীনতার অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে। রাষ্ট্র কি কেবল ক্ষমতার সমীকরণ মেলাতেই ব্যস্ত থাকবে? সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কি রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার নয়?

 

 

 

 

সীতাকুণ্ডের সেই রক্তাক্ত শিশুটি আজ আমাদের বিবেক আর আইনের শাসনের মরণাপন্ন অবস্থার প্রতিচ্ছবি। রাষ্ট্র যদি এখনই এই দানবীয় অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান না নেয়, তবে এই গ্লানি থেকে আমাদের মুক্তি নেই। সময় এসেছে দায়মুক্তির সংস্কৃতি ভেঙে প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার।

​   রাষ্ট্রের কাছে জনগণের সোজাসাপ্টা প্রশ্ন: আর কত রক্ত ঝরলে আপনাদের ঘুম ভাঙবে?

 

 

 

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!