নামের জটিলতায় নিরপরাধ জেলের ২০ দিন কারাভোগ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
নামের জটিলতায় নিরপরাধ জেলের ২০ দিন কারাভোগ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আশুলিয়ায় দম্পতি ও অনাগত সন্তান নিহতের ঘটনায় পিবিআইয়ের তদন্তে যা বেরিয়ে এল মানিকগঞ্জে স্কুলছাত্র নিখোঁজ: চিরকুটে লিখে গেল ‘কেউ আমাকে খোঁজার চেষ্টা করবে না খুলনায় ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলির ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক এসকেএস ফাউন্ডেশনে ২৭৭ পদে নিয়োগ: আবেদনের সুযোগ ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দফা দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে অ্যাম্বুলেন্স চালকদের কর্মবিরতি: জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি ২০৩০ বিশ্বকাপ ফুটবলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্পেনের সাথে কাতারের চুক্তি ইউএস ওপেন: ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আলকারাজকে হারিয়ে সেমিফাইনালে বেন শেলটন স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় থাকবে: সিইসি সিঙ্গাপুরে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের সম্পদ ক্রোক ও ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের নির্দেশ সেপ্টেম্বরের শেষ ও অক্টোবরে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়বে, সতর্কবার্তা স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর

নামের জটিলতায় নিরপরাধ জেলের ২০ দিন কারাভোগ

সৃষ্টি ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পটুয়াখালীর মহিপুরে এক মর্মান্তিক আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়েছিলেন মো. জলিল হাওলাদার নামের এক সাধারণ জেলে। মামলার প্রকৃত আসামি না হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র নাম ও বাবার নামের হুবহু মিল থাকার কারণে তাকে ২০ দিন কারাভোগ করতে হয়েছে। পুলিশি পরিচয় যাচাইয়ের গাফিলতির কারণে একজন নিরপরাধ ব্যক্তি এমন হয়রানির শিকার হওয়ায় স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

মামলার প্রেক্ষাপট ও গ্রেপ্তারের ঘটনা

ঘটনার সূত্রপাত ২০২৩ সালে, যখন ব্যবসায়ী মো. আলমগীর হোসেন ২ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৩ টাকা পাওনা আদায়ের দাবিতে পটুয়াখালী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ ছিল, পাওনা পরিশোধের জন্য দেওয়া একটি চেক অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে ব্যাংক থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। এই মামলার প্রেক্ষিতে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে গত ১৯ আগস্ট মহিপুর থানা পুলিশ মো. জলিল হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। অথচ প্রকৃত আসামি বর্তমানে প্রবাসে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

পরিচয় যাচাইয়ে পুলিশের ব্যর্থতা

  • গ্রেপ্তার হওয়া জলিলের জামাতা জাহাঙ্গীর আলমের দাবি, তার শ্বশুর একজন সাধারণ জেলে এবং তিনি মামলার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নন।
  • পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় আসামির নাম ও বাবার নাম উল্লেখ থাকলেও মায়ের নাম, ছবি বা মোবাইল নম্বরের মতো সুনির্দিষ্ট তথ্য ছিল না।
  • মহিপুর থানার ওসি মো. শামীম হাওলাদার জানান, পরোয়ানায় থাকা তথ্যের সাথে মিল থাকায় এসআই শহীদুল তাকে গ্রেপ্তার করেছিলেন, যা ছিল একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল।
  • পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) সাজেদুল ইসলাম সজল স্বীকার করেছেন যে, পূর্ণাঙ্গ পরিচয় না থাকায় এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে।

আদালতের হস্তক্ষেপ ও পরবর্তী পদক্ষেপ

সোমবার পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আমলী আদালতের বিচারক আবু বকর সিদ্দিক বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়ে জলিল হাওলাদারের জামিন মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে আদালত আগামী ধার্য তারিখে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মামলার বাদীকে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পটুয়াখালী জেলা জজ কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বাদশা বলেন, পুলিশের উচিত ছিল গ্রেপ্তারের আগে মায়ের নাম ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা যাচাই করা। ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল এড়াতে পরোয়ানায় আসামির পূর্ণাঙ্গ তথ্য নিশ্চিত করার জন্য আদালতের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে। নিরপরাধ মানুষের এমন কারাভোগ আইনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও সতর্কতার অভাবকে পুনরায় সামনে নিয়ে এসেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, পাওনা পরিশোধের জন্য দেওয়া একটি চেক ২০২৩ সালের ২৭ মার্চ অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে ব্যাংক থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি আরও বলেন, ‘সহজ-সরল একজন নিরপরাধ মানুষকে ভুলভাবে গ্রেপ্তার করে ২০ দিন কারাগারে রাখা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এদিকে নির্দোষ হয়েও ২০ দিন কারাভোগের ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তা না হলে নিরপরাধ মানুষ হয়রানি ও কারাভোগের শিকার হতে পারেন।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিষয়টি জানার পর ওই ব্যক্তির জামিনের জন্য সুপারিশ করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
error: Content is protected !!