ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে এনসিপির গণবিক্ষোভ এআই ও রোবট প্রযুক্তিতে ব্যাপক চাকরির ঝুঁকি দেখছেন বিল গেটস ইরানে বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের, নির্দেশ পেলেই ৯৬ ঘণ্টায় অভিযান ত্রুটিপূর্ণ ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বই ফেরতের নির্দেশ মাউশির ফটিকছড়িতে ঝোপে পাওয়া নবজাতকের দায়িত্ব নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন এল ক্লাসিকোয় মরিনহোর তিন কৌশলে কুপোকাত বার্সেলোনা ফেসবুক পোস্ট দেওয়া এসিল্যান্ড আরিফুর রহমানকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে কর অঞ্চল-৯, ঢাকায় ৩৭ পদে নিয়োগ: আবেদনের নিয়ম ও বিস্তারিত ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা শেখ হাসিনার ফেরা নিয়ে গুঞ্জন, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন

১৬ বছর পর বার্নাব্যুতে হোসে মরিনিও: রিয়াল মাদ্রিদের ডাগআউটে নতুন শুরুর অপেক্ষায়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর সাথে হোসে মরিনিওর স্মৃতিটা বেশ গভীর। ১৬ বছর আগে এই মাঠেই ইন্টার মিলানকে চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জিতিয়েছিলেন পর্তুগিজ এই কোচ। সেই ঐতিহাসিক সাফল্যের পর তিনি রিয়াল মাদ্রিদের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সেই বার্নাব্যুতেই রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদের ইউরোপীয় যাত্রা শুরু করছেন তিনি, আর প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে সেই ইন্টার মিলানই।

২০১০ সালে মরিনিওর অধীনে ইন্টার মিলান বায়ার্ন মিউনিখকে ২-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা ঘরে তুলেছিল। ১৯৬৫ সালের পর সেটিই ছিল ইন্টারের প্রথম ইউরোপসেরা হওয়ার গৌরব। সেবার সিরি ‘আ’ এবং ইতালিয়ান কাপ জিতে তারা ঐতিহাসিক ট্রেবল পূর্ণ করেছিল। সেই ফাইনালের পরপরই মরিনিও রিয়ালে যোগ দেওয়ার ইঙ্গিত দেন এবং এক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁর নিয়োগ চূড়ান্ত হয়। রিয়ালের দায়িত্বে তিনি তিন মৌসুম অতিবাহিত করেছিলেন।

দীর্ঘ ১৬ বছর পর রিয়ালের ডাগআউটে ফিরে এলেও মরিনিও অতীতের কোনো দায়ভার নিয়ে ভাবছেন না। তিনি স্পষ্ট করেছেন, অতীতের সাফল্য বা ব্যর্থতার সাথে বর্তমানের কোনো সম্পর্ক নেই। রিয়ালের হয়ে প্রথম মেয়াদে লিগ শিরোপা জিতলেও চ্যাম্পিয়নস লিগ ট্রফি অধরাই ছিল তাঁর। তবে এবার তিনি কেবল বর্তমানের চ্যালেঞ্জ নিয়েই মনোযোগী। মরিনিও বলেন, ২০১৩ সালে রিয়াল ছাড়ার সময় তিনি নিজের সর্বোচ্চটা দিয়েছিলেন, কিন্তু এখনকার লক্ষ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন।

তবে রিয়াল মাদ্রিদের বর্তমান পরিস্থিতি বেশ চ্যালেঞ্জিং। লা-লিগায় টানা তিন জয়ের পর শুক্রবার তারা রিয়াল বেতিসের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে। সেই ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপে পেনাল্টি মিস করেন। ইউরোপের মঞ্চে নামার আগে দলের মধ্যে স্থিরতা ফেরানোই এখন মরিনিওর মূল লক্ষ্য। অন্যদিকে, ইন্টার মিলানও আত্মবিশ্বাসী অবস্থায় আছে; সিরি ‘আ’-তে তারা দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও নাপোলিকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে, যেখানে ৯১ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন লাওতারো মার্তিনেজ।

পরিসংখ্যান বলছে, দুই দল এখন পর্যন্ত ১৯ বার মুখোমুখি হয়েছে, যার মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদ ১০টি এবং ইন্টার মিলান ৭টি ম্যাচে জয় পেয়েছে। ১৯৯৮ সালের পর ইন্টার আর রিয়ালকে হারাতে পারেনি। অপটার পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই ম্যাচে রিয়ালের জয়ের সম্ভাবনা ৫৬ শতাংশ এবং ইন্টারের ২২ দশমিক ৩ শতাংশ। তবে ইনজুরি ও নিষেধাজ্ঞার কারণে দুই দলই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে পাচ্ছে না। রিয়াল মাদ্রিদ পাচ্ছে না এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা, আরদা গুলের, বার্নার্দো সিলভা, এদের মিলিতাও, রদ্রিগো, ফেরলাঁ মেন্দি ও রাউল আসেনসিওকে। ইন্টারের হয়ে হাঁটুর চোটে মাঠের বাইরে আছেন ফেদেরিকো দিমারকো। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২০১৩ সালে যখন আমি রিয়াল ছেড়েছিলাম, আমরা যা জিতেছি ও যা হারিয়েছি, সবকিছুর জন্য সর্বোচ্চটা দিয়েছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ম্যাচের আগে সেই প্রসঙ্গ উঠতেই মোরিনিওর উত্তর, ‘না, এটা দুটি ভিন্ন সময়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাই ইউরোপের মঞ্চে নামার আগে তাই নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জও থাকছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে মরিনিওর চাওয়া স্পষ্ট, ‘আমরা প্রতিটি ম্যাচ, প্রতিটি প্রতিযোগিতা জিততে চাই।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

১৬ বছর পর বার্নাব্যুতে হোসে মরিনিও: রিয়াল মাদ্রিদের ডাগআউটে নতুন শুরুর অপেক্ষায়

আপডেট সময় : ০৩:৪২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর সাথে হোসে মরিনিওর স্মৃতিটা বেশ গভীর। ১৬ বছর আগে এই মাঠেই ইন্টার মিলানকে চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জিতিয়েছিলেন পর্তুগিজ এই কোচ। সেই ঐতিহাসিক সাফল্যের পর তিনি রিয়াল মাদ্রিদের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সেই বার্নাব্যুতেই রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদের ইউরোপীয় যাত্রা শুরু করছেন তিনি, আর প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে সেই ইন্টার মিলানই।

২০১০ সালে মরিনিওর অধীনে ইন্টার মিলান বায়ার্ন মিউনিখকে ২-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা ঘরে তুলেছিল। ১৯৬৫ সালের পর সেটিই ছিল ইন্টারের প্রথম ইউরোপসেরা হওয়ার গৌরব। সেবার সিরি ‘আ’ এবং ইতালিয়ান কাপ জিতে তারা ঐতিহাসিক ট্রেবল পূর্ণ করেছিল। সেই ফাইনালের পরপরই মরিনিও রিয়ালে যোগ দেওয়ার ইঙ্গিত দেন এবং এক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁর নিয়োগ চূড়ান্ত হয়। রিয়ালের দায়িত্বে তিনি তিন মৌসুম অতিবাহিত করেছিলেন।

দীর্ঘ ১৬ বছর পর রিয়ালের ডাগআউটে ফিরে এলেও মরিনিও অতীতের কোনো দায়ভার নিয়ে ভাবছেন না। তিনি স্পষ্ট করেছেন, অতীতের সাফল্য বা ব্যর্থতার সাথে বর্তমানের কোনো সম্পর্ক নেই। রিয়ালের হয়ে প্রথম মেয়াদে লিগ শিরোপা জিতলেও চ্যাম্পিয়নস লিগ ট্রফি অধরাই ছিল তাঁর। তবে এবার তিনি কেবল বর্তমানের চ্যালেঞ্জ নিয়েই মনোযোগী। মরিনিও বলেন, ২০১৩ সালে রিয়াল ছাড়ার সময় তিনি নিজের সর্বোচ্চটা দিয়েছিলেন, কিন্তু এখনকার লক্ষ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন।

তবে রিয়াল মাদ্রিদের বর্তমান পরিস্থিতি বেশ চ্যালেঞ্জিং। লা-লিগায় টানা তিন জয়ের পর শুক্রবার তারা রিয়াল বেতিসের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে। সেই ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপে পেনাল্টি মিস করেন। ইউরোপের মঞ্চে নামার আগে দলের মধ্যে স্থিরতা ফেরানোই এখন মরিনিওর মূল লক্ষ্য। অন্যদিকে, ইন্টার মিলানও আত্মবিশ্বাসী অবস্থায় আছে; সিরি ‘আ’-তে তারা দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও নাপোলিকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে, যেখানে ৯১ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন লাওতারো মার্তিনেজ।

পরিসংখ্যান বলছে, দুই দল এখন পর্যন্ত ১৯ বার মুখোমুখি হয়েছে, যার মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদ ১০টি এবং ইন্টার মিলান ৭টি ম্যাচে জয় পেয়েছে। ১৯৯৮ সালের পর ইন্টার আর রিয়ালকে হারাতে পারেনি। অপটার পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই ম্যাচে রিয়ালের জয়ের সম্ভাবনা ৫৬ শতাংশ এবং ইন্টারের ২২ দশমিক ৩ শতাংশ। তবে ইনজুরি ও নিষেধাজ্ঞার কারণে দুই দলই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে পাচ্ছে না। রিয়াল মাদ্রিদ পাচ্ছে না এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা, আরদা গুলের, বার্নার্দো সিলভা, এদের মিলিতাও, রদ্রিগো, ফেরলাঁ মেন্দি ও রাউল আসেনসিওকে। ইন্টারের হয়ে হাঁটুর চোটে মাঠের বাইরে আছেন ফেদেরিকো দিমারকো। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২০১৩ সালে যখন আমি রিয়াল ছেড়েছিলাম, আমরা যা জিতেছি ও যা হারিয়েছি, সবকিছুর জন্য সর্বোচ্চটা দিয়েছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ম্যাচের আগে সেই প্রসঙ্গ উঠতেই মোরিনিওর উত্তর, ‘না, এটা দুটি ভিন্ন সময়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাই ইউরোপের মঞ্চে নামার আগে তাই নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জও থাকছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে মরিনিওর চাওয়া স্পষ্ট, ‘আমরা প্রতিটি ম্যাচ, প্রতিটি প্রতিযোগিতা জিততে চাই।

Facebook Comments Box