সার আছে, তাহলে সংকট কেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার পাশাপাশি এখনই বন্ধ করতে হবে কৃষকের ভোগান্তি। : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
সার আছে, তাহলে সংকট কেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার পাশাপাশি এখনই বন্ধ করতে হবে কৃষকের ভোগান্তি। : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তিন দফা দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে অ্যাম্বুলেন্স চালকদের কর্মবিরতি: জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি ২০৩০ বিশ্বকাপ ফুটবলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্পেনের সাথে কাতারের চুক্তি ইউএস ওপেন: ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আলকারাজকে হারিয়ে সেমিফাইনালে বেন শেলটন স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় থাকবে: সিইসি সিঙ্গাপুরে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের সম্পদ ক্রোক ও ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের নির্দেশ সেপ্টেম্বরের শেষ ও অক্টোবরে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়বে, সতর্কবার্তা স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর সিলেটে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারির অভিযোগে আরএনবির দুই সদস্য আটক চীন-কাতার সম্পর্ক: নতুন ‘সোনালি দশকে’ প্রবেশ ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিস্তার সারের সংকট ও বিতরণ জটিলতা: কৃষকের ভোগান্তি ও সরকারি উদ্যোগ স্থায়ী ক্যাম্পাস ছাড়াই চলছে ২৫ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মান নিয়ে বড় প্রশ্ন

সার আছে, তাহলে সংকট কেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার পাশাপাশি এখনই বন্ধ করতে হবে কৃষকের ভোগান্তি।

মোখলেছুর রহমান
  • প্রকাশিত : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সার আছে, তাহলে সংকট কেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার পাশাপাশি এখনই বন্ধ করতে হবে কৃষকের ভোগান্তি।

 

সার আছে, তাহলে সংকট কেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার পাশাপাশি এখনই বন্ধ করতে হবে কৃষকের ভোগান্তি।

 

 

বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা ও গ্রামীণ অর্থনীতির ভিত্তি কৃষি। অথচ প্রয়োজনের সময় কৃষককে সার না পেয়ে ঘুরতে হয়, অপেক্ষা করতে হয় বা বেশি দামে কিনতে হয়। সরকারি হিসাবে মজুত থাকলেও মাঠে সংকট কেন? এই প্রশ্নের উত্তর জরুরি।

 

 

সার সংকট শুধু উৎপাদন বা আমদানির ঘাটতি নয়; দুর্বল বিতরণব্যবস্থা, মজুতদারি, ডিলারদের অনিয়ম ও নজরদারির অভাবও এর কারণ হতে পারে। গুদামে সার থাকলেও তা কৃষকের কাছে না পৌঁছালে বাস্তবে সংকট থেকেই যায়।

 

 

সরকারি ভর্তুকির উদ্দেশ্য কৃষকের খরচ কমানো। কিন্তু নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে হলে কৃষকের উৎপাদন খরচ বাড়ে, লাভ কমে এবং কৃষি নিরুৎসাহিত হয়। তাই কৃত্রিম সার সংকট জাতীয় স্বার্থের বিষয়।

 

 

সার বিতরণে ডিলারদের বরাদ্দ, উত্তোলন, মজুত ও বিক্রির তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ ও প্রকাশ করতে হবে। প্রতিটি বিক্রয়ে রসিদ দেওয়া এবং বিক্রয়কেন্দ্রে সরকারি মূল্য টাঙানো বাধ্যতামূলক করা উচিত।

 

মজুতদারি, বেশি দামে বিক্রি বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি প্রমাণিত হলে ডিলারশিপ বাতিলসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু অভিযোগের পর অভিযান নয়, আগাম নজরদারি চালাতে হবে।

 

এক এলাকায় অতিরিক্ত মজুত ও অন্য এলাকায় সংকট থাকলে দ্রুত পুনর্বণ্টনের ব্যবস্থা করতে হবে। জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বাস্তব মজুতের হিসাব রাখা জরুরি।

 

“সরকারের সাফল্য শুধু গুদামে কত টন সার আছে, কত টন উত্তোলন করে বিতরণ করা হয়েছে। তা দিয়ে মাপা যাবে না। মাপকাঠি হতে হবে, কৃষক সময়মতো, নির্ধারিত দামে ও প্রয়োজন অনুযায়ী সার পাচ্ছেন কি না। এটাই মুল কথা। গুদামে সার থাকা মানেই সংকটমুক্ত বাংলাদেশ নয়। কৃষকের হাতে সময়মতো সার পৌঁছানোই প্রকৃত সাফল্য।”

 

কৃষকের অভিযোগ জানানোর জন্য কার্যকর হটলাইন ও অভিযোগকেন্দ্র চালু করতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত বাফার স্টক, আগাম আমদানি পরিকল্পনা এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত বিতরণব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

 

সরকারের সাফল্য শুধু গুদামে কত টন সার আছে, তা দিয়ে মাপা যাবে না। মাপকাঠি হতে হবে, কৃষক সময়মতো, নির্ধারিত দামে ও প্রয়োজন অনুযায়ী সার পাচ্ছেন কি না। এটাই মুল কথা। গুদামে সার থাকা মানেই সংকটমুক্ত বাংলাদেশ নয়। কৃষকের হাতে সময়মতো সার পৌঁছানোই প্রকৃত সাফল্য।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
error: Content is protected !!