মহা ধুমধামে বিয়ে হয়ে যায় নীলার প্রবাসীর সঙ্গে। একটা গল্পে লেখা থাকে অল্প। তবে সেই গল্প গুলো লেখা হয় কার জীবন থেকে।হয়তো বা মাঝে মাঝে এই গল্প মিলে যায় কার
চাষী –রাজিয়া খাতুন চৌধুরাণী সব সাধকের বড় সাধক আমার দেশের চাষা, দেশ মাতারই মুক্তিকামী, দেশের সে যে আশা। দধীচি কি তাহার চেয়ে সাধক ছিল বড়? পুণ্য অত হবে নাকো সব
স্মৃতির বাতায়নে আষাঢ়ের হাতছানি। কাঠ ফাটা রোদে বুক ফেটে যাক, বাদলের ধারা থেকে বাঁচার পরিবর্তে ছাতা দিয়েই রোদকে আড়াল করুক না। আজ বর্ষার আগমন হয়েছে। বৃষ্টি আসুক, না আসুক আজ
মা কাজী কাদের নেওয়াজ মা কথাটি ছোট্ট অতি কিন্তু জেনো ভাই, ইহার চেয়ে নাম যে মধুর তিন ভুবনে নাই। সত্য ন্যায়ের ধর্ম থাকুক মাথার ‘পরে আজি, অন্তরে মা থাকুন মম
ভালোবাসার ছক -রাজলক্ষ্মী মৌসুমী (যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী লেখক, কবি ও সাহিত্যিক) কত কথা, কত আশা, কত স্বপ্ন সব নিয়েই মিলার জীবন। বৃষ্টির ঝর্ণা ধারায় ভিজে ভিজে রঙ্গিন আলিঙ্গন। ছোট ছোট সুখ
নির্বাচনী দোয়া -মতিন বাঙালি নির্বাচনের সময় এলে নেতারা যান মাজারে। লাশের দোয়ার মূল্য অনেক নির্বাচনের বাজারে । কবর থেকে ভোট পাঠাবে লক্ষ, কোটি, হাজারে নেতারা তাই সেজদা করেন চিশতি এবং
ছি! -শ.ম. শহীদ আরে গদা— চললি কোথায় সাত সকালে তুই? যাচ্ছিরে ভাই শ্বশুড়বাড়ি সংগে নিয়ে পান-সুপারী আর নিয়েছি দৈয়ের হাঁড়ি সন্দেশ কেজি দুই! মাছটা বড় পেলাম নারে পেয়েছি যা এই
কাজের লোক -নব কৃষ্ণ ভট্টাচার্য মৌমাছি, মৌমাছি কোথা যাও নাচি নাচি দাঁড়াও না একবার ভাই। ওই ফুল ফোটে বনে যাই মধু আহরণে দাঁড়াবার সময় তো নাই। ছোট পাখি, ছোট
‘‘আয় খুকু আয়’’ -পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় কাটেনা সময় যখন আর কিছুতে বন্ধুর টেলিফোনে মন বসে না জানালার গ্রীলটাতে ঠেকাই মাথা মনে হয় বাবার মত কেউ বলে না আয় খুকু আয় খুকু
খুকি ও কাঠবেড়ালি –কাজী নজরুল ইসলাম কাঠবেড়ালি! কাঠবেড়ালি! পেয়ারা তুমি খাও? গুড়-মুড়ি খাও? দুধ-ভাত খাও? বাতাবি-নেবু? লাউ? বেড়াল-বাচ্চা? কুকুর-ছানা? তাও- ডাইনি তুমি হোঁৎকা পেটুক, খাও একা পাও যেথায় যেটুক!