ভূরুঙ্গামারীতে সরিষার দাম পেয়ে আনন্দে কৃষক : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
ভূরুঙ্গামারীতে সরিষার দাম পেয়ে আনন্দে কৃষক : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্বেচ্ছাশ্রমে পাট কেটে ও ধানের চারা রোপণ করলেন আনসার-ভিডিপি সদস্যরা ভূরুঙ্গামারীতে কামড়ে পালানোর চেষ্টা করেও পুলিশ-বিজিবির হাতে ধরা গাঁজাচাষী ভূরুঙ্গামারীতে মাদক বিরোধী মানববন্ধন দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসন ও শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ৩দিন ব্যাপি নজরুল বর্ষ উৎপাদন এক বছরে দৃশ্যমান পরিবর্তন, দ্বিতীয় মেয়াদে বলদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম কাউনিয়ায় কলেজছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেফতার কাউনিয়ায় বিলের পদ্ম ফুলের সৌন্দর্যে চোখ আটকে যাচ্ছে দর্শণার্থীদের বরিশালে নাতির লাথিতে প্রাণ গেল নানির ব্রিটেনে বিশ্বনাথের ইছমাইল উদ্দিনের ব্যাচেলর ডিগ্রী অর্জন পর্তুগাল থেকে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনায় সিক্ত হলেন তালুকদার গিয়াস উদ্দিন

ভূরুঙ্গামারীতে সরিষার দাম পেয়ে আনন্দে কৃষক

সৃষ্টি ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : রবিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
ভূরুঙ্গামারীতে সরিষার দাম পেয়ে আনন্দে কৃষক

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলন আর ভালো দামে কৃষকের মুখে ফুটে ওঠেছে স্বপ্ন পুরনের হাসি।এবার ভোজ্য তেলের দাম বাড়ার কারণে কৃষকদের সরিষা চাষে আগ্রহ ছিল বেশি। এছাড়াও সারা বছর ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতেও সরিষা চাষ করছেন অনেক কৃষক। দাম ভালো পাওয়ায় খুশি কৃষকরা।
উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি মণ সরিষা প্রকার ভেদে ২ হাজার ৪০০ টাকা থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানাগেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ২ হাজার ৪৫ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। অর্জিত হয়েছে ২ হাজার ২০ হেক্টর। চাষিরা উচ্চ ফলনশীল বিনা-৪, বারী- ৯, বারী-১৪, বারী-১৭, বারী-১৮ ও দেশী জাতের সরিষা চাষ করেছেন।একাধিক কৃষকের সাথে কথা বলে জানা গেছে সরিষা চাষ খুবিই লাভজনক একটা আবাদ। অতি অল্প সময়ে, অল্প পুজিতে কৃষকরা লাভবান হন তাই অধিকাংশ কৃষক এখন সরিষা চাষের দিকে ঝুকছেন। দুটি ফসলের মাঝে কৃষকরা সরিষা চাষের ফলনকে বোনাস হিসেবে দেখছেন।

আমন ধান কাটার পর জমিতে সরিষা লাগাতে হয়। যা মাত্র ৬০ থেকে ৭০ দিনের মধ্যে ফসল কৃষক ঘরে তুলতে পারেন। এক বিঘা (৩২ শতাংশ) জমিতে সরিষা আবাদ করতে খরচ হয় চার থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা। যদি সঠিক ভাবে পরিচর্চা করা যায় তাহলে প্রতি বিঘায় ফলন হয় ৫ থেকে ৬ মণ সরিষা।উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের বেলদহ গ্রামের কৃষক আবু যায়েদ জানান, আমন ধান কাটার পর তিন বিঘা জমিতে বারী-১৭, বারী-১৮ সরিষা চাষ করেছি। ফলনও বেশ ভাল হয়েছে। প্রতি মণ সরিষা ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করেছি।এতে বোরো আবাদের তেল ও সার কেনার টাকা জোগাড় হয়ে যাবে।

আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের কৃষক তালেব আলী জানান, পরিবারের খাবার তেলের চাহিদা মেটাতে তিনি আড়াই বিঘা জমিতে সরিষার আবাদ করেছেন। ফলন খুব ভালো হয়েছে। নিজের চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত সরিষা বিক্রি করেছেন। ভালো দাম পেয়ে তিনি খুশি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, উপজেলায় এবার সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে । স্বল্প সময়ের মধ্যে কৃষককে অধিক ফলন পেতে নানা ভাবে প্রশিক্ষন দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও কৃষি প্রনোদনায় সার ও বীজ সঠিক সময়ে কৃষকদের কাছে পৌছে দেয়া হয়েছে। ফলে কৃষকের কোন সমস্যার সৃষ্টি হয়নি। উৎপাদন ও দামে কৃষকদের সন্তুষ্টি দেখে তিনিও খুশি হয়েছেন।

পড়ুন>> নতুন তৈলবীজ পেরিলা পরিবর্তন আনতে পারে দেশের অর্থনীতিতে

পড়ুন>> এক চাষে পাঁচ বার ধান কাটা যাবে, উদ্ভাবন গরিবদের জন্য বিলিয়ে দেবেন- বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!