ভূরুঙ্গামারীতে রাজকীয় কোরবানীর গরু-বাংলার রাজা
- আপডেট সময় : ১২:১১:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২০ ৬০৭ বার পড়া হয়েছে
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ১২ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬ ফুট উচ্চতার বিশাল বড় এক ষাঁড় নাম তার ‘বাংলার রাজা’।ওজন প্রায় ২৫ মণ। বয়স সাড়ে চার বছর। ধবধবে সাদার উপর গায়ে গাড় কালো রং। রাজার হালে থাকে। খানা দানায়ও রাজকীয় ভাব। রাজকীয় স্বভাবের কারণে নাম রাখা হয়েছে ‘বাংলার রাজা’।গোটা উপজেলায় এটি সবচাইতে বড় গরু। আসন্ন কুরবানী ঈদ কে সামনে রেখে বাংলার রাজার দাম হাকা হয়েছে ১৬ লাখ টাকা।উপজেলার সদর ইউনিয়নের মানিক কাজী গ্রামের উমর আলীর ছোট ছেলে জয়নাল আবেদিনের বাড়িতে লালিত পালিত হচ্ছে শংকর জাতের এই ষাঁড়টি।বাংলার রাজার মালিক জয়নাল আবেদিন জানান, কয়েক বছর আগে দুধেল একটি গাভি ক্রয় করেন তিনি। সেই গাভি থেকে এই রাজার জন্ম। সম্পূর্ণ দেশী খাবার খুদির জাউ, খৈল, ভূষি, ভাতের মাড়, ঘাষ ও খড় খাইয়ে তাকে শখের বশে লালন পালন করছেন। কোন প্রকার মোটা তাজা করার ওষুধ কিংবা ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয়নি ।জয়নাল আবেদিন বলেন, বিক্রির ঘোষনা দেয়ার পর প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গা থেকে ক্রেতা আসছেন বাড়িতে। তবে আশানুরুপ দাম বলছেন না তারা। করোনা ও বন্যার কারণে হয়তো বেশি লাভ হবে না। তবে লাভ না হলেও আসল দামে বিক্রি করতে পারবেন এমনটি প্রত্যাশা তার।ভূরুঙ্গামারী উপজেলা মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, আসলে এত বড় গরু বাজারে জবাই করলে একদিনে সব মাংস বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা কম। তাই আমরা গরুটি কিনতে যাইনি। তিনি গরুটিকে অনলাইন পশুর হাটে তোলার পরামর্শ দেন।ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: কে,এম ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, জয়নাল আবেদিন সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে ষাঁড়টিকে লালন-পালন করছেন, আমরা সার্বক্ষনিক গরুটির খোঁজ খবর রেখেছি। ষাঁড়টি সমপূর্ণ সুস্থ আছে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























