সরিষার বাম্পার ফলনে ভূরুঙ্গামারীর কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক  : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
সরিষার বাম্পার ফলনে ভূরুঙ্গামারীর কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক  : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ব্রিটেনে বিশ্বনাথের ইছমাইল উদ্দিনের ব্যাচেলর ডিগ্রী অর্জন পর্তুগাল থেকে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনায় সিক্ত হলেন তালুকদার গিয়াস উদ্দিন ভাইরাল তাজু ভাই এবার টাইমস টুডের মফস্বল সাংবাদিক রাণীশংকৈলে ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক দ্বিতীয় স্ত্রীর বিচ্ছেদ ও ঋণের চাপে ইউপি সদস্যের আত্মহত্যার অভিযোগ কদমতলীতে জাল নোট তৈরির কারখানায় অভিযানে জাল নোটসহ গ্রেপ্তার ২ দৌলতপুরে ছেলের টর্চলাইটের আঘাতে বাবার মৃত‍্যু ফেসবুকে ৩০ জুলাই এসএসসি ফল প্রকাশের গুঞ্জনে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান শিক্ষা বোর্ডের ভিসার ঝামেলা ছাড়াই ভ্রমণ এশিয়ার ৬ দেশ: জেনে নিন তালিকা দেশের ৯ ব্র্যান্ডের টুথপেস্টে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক

সরিষার বাম্পার ফলনে ভূরুঙ্গামারীর কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক 

সৃষ্টি ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২২
সরিষার বাম্পার ফলনে ভূরুঙ্গামারীর কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে চলতি মৌসুমে  সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে। দিগন্ত জোড়া মাঠে সরিষা ফুলের হলুদের সমারোহ শেষে ফলনের ভারে সরিষা গাছ এখন নুয়ে পরেছে। ভালো ফলন ও দামের আশায় কৃষক লাভের স্বপ্ন বুনছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানাগেছে,চলতি মৌসুমে উপজেলার ২ হাজার ৪৫ হেক্টর  জমিতে সরিষা আবাদের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২ হাজার ২০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে।অতি অল্প সময়ে, অল্প পুজিতে কৃষকরা সরিষা চাষে লাভবান হন তাই অধিকাংশ কৃষক এখন সরিষা চাষের দিকে ঝুকছেন। দুটি ফসলের মাঝে কৃষকরা সরিষা চাষের ফলনকে বোনাস হিসেবে দেখছেন। একসময় কৃষকরা আমন ধান কাটার পর জমি পতিত ফেলে রাখতো। সময়ের সাথে সাথে তা পুরোটাই পাল্টে গেছে। আমন ধান কাটার পর জমিতে সরিষা লাগাতে হয়। যা মাত্র ৬০ থেকে ৭০ দিনের মধ্যে ফসল কৃষক ঘরে তুলতে পারেন। এক বিঘা (৩৩শতাংশ) জমিতে সরিষা আবাদ করতে খরচ হয় আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা। যদি সঠিক ভাবে পরিচর্চা করা যায় তাহলে প্রতি বিঘায় ফলন হয় ৬ থেকে ৭ মণ সরিষা। সরিষার বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে ফুটে ওঠেছে হাসির  ঝিলিক।

উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের গছিডাঙ্গা  গ্রামের কৃষক এরশাদ আলী জানান, আমন ধান কাটার পর আড়াই বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। ফলনও বেশ ভাল হয়েছে। এই সরিষা বিক্রি করে বোরো আবাদের তেল ও সার কেনার টাকা জোগাড় হয়ে যাবে।ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের বাগভান্ডার গ্রামের কৃষক গনি মিয়া বলেন দুই বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। আশা করছি ১ হাজার ৮ শত টাকা থেকে ২ হজার টাকায় প্রতি মণ সরিষা বিক্রি করতে পারবো।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, সরিষা মূলত একটি মসলা জাতীয় ফসল।  উপজেলায় এবার সরিষার বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে কৃষককে অধিক ফলন পেতে নানা ভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও কৃষি প্রনোদনায় সার ও বীজ সঠিক সময়ে কৃষকদের কাছে পৌছে দেয়া হয়েছে। ফলে  কৃষকের কোন সমস্যার সৃষ্টি হয়নি। আশা করছি প্রাকৃতিক কোন বিপর্যয় না ঘটলে কৃষক  এবার সরিষার ভালো  ফলন পাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!