সিংড়ায় ব্রিধান-৮৭ চাষে ব‍্যাপক ফলন তাজরুলের : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
সিংড়ায় ব্রিধান-৮৭ চাষে ব‍্যাপক ফলন তাজরুলের : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভূরুঙ্গামারীতে ভ্রাম‍্যমান আদালতে মাদকসেবী যুবককে ১মাসের কারাদন্ড দৌলতপুরে ভিক্ষুকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ছাগল বিতরণ সুন্দরগঞ্জে এসকেএস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ডিআরআর চ্যাম্পিয়নদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ  তাড়াশে দুঃস্থ ও অতিদরিদ্র ১০০ পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ ভূরুঙ্গামারীতে আলিম পরীক্ষায় দায়িত্বে অবহেলায় কেন্দ্র সচিব ও ট্যাগ অফিসার সাময়িক বরখাস্ত জাল নোট প্রতিরোধে ভূরুঙ্গামারীতে সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ১৩৪ কোটি টাকার উটপাখি গবেষণা প্রকল্পে আনা ২২টির মধ্যে ১৫টি জবাই টুথপেস্ট-সয়াবিন তেলের পর এবার বাজারের ৯৫ শতাংশ চিনিতেই মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক সুন্দরগঞ্জে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ যুবক গ্ৰেপ্তার হবিগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ

সিংড়ায় ব্রিধান-৮৭ চাষে ব‍্যাপক ফলন তাজরুলের

নাটোর থেকে বেল্লাল হোসেন বাবু
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২২
সিংড়ায় ব্রিধান-৮৭ চাষে ব‍্যাপক ফলন তাজরুলের

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত স্বল্প জীবন কালীন উচ্চ ফলনশীল জাতের ব্রিধান-৮৭ চাষ করে ব্যাপক ফলন পেয়ে সফলতা অর্জন করেছেন নাটোরের সিংড়া উপজেলার ২ নং ডাহিয়া ইউনিয়নের পিপলশন গ্রামের কৃষক তাজরুল ইসলাম।

তাজরুল ইসলাম চলতি আমন মৌসুমে ১৫ বিঘা জমিতে ব্রিধান-৮৭ চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন।

প্রতি বিঘায় তার ফলন হয়েছে ২৫ থেকে ২৬ মণ। অল্প খরচে ভালো ফলন পেয়ে খুশি তাজরুল ইসলাম।

তাজরুলের এমন সফলতা দেখে এ ধান চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন অনেক স্থানীয় কৃষক।

কৃষক তাজরুল ইসলাম জানান, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আমার ১৫ বিঘা জমির উপর প্রদর্শনী পেয়েছিলাম। এ ধান চাষে অন্য ধানের তুলনায় সার ও কীটনাশক খরচ কম লেগেছে। ফলনও পেয়েছি বেশি। তাতে আমি লাভবান হতে পেরেছি ।

নতুন জাতের এ ধানের বীজ নেওয়ার জন্য স্থানীয় কৃষকরা এখন আমার বাড়িতে ভীড় করছে। খুব কম সময়ে ফসল ঘরে তুলতে পারায় আমি এখন ওই জমিতে সরিষার চাষ করার সুযোগ পাচ্ছি।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সুত্রে জানাযায়, ২০১৮ সালে ব্রিধান-৮৭ নামে নতুন জাতের ধান উদ্ভাবন করেন বিজ্ঞানীরা। এ ধানের বৈশিষ্ট্য হলো, ধানে চিটা ও পোকা মাকড়ের আক্রমন কম। চাল চিকন ও সাদা বর্ণের হওয়ায় বাজারে এ ধানের চালের চাহিদা বেশি।

এ ছাড়া এ ধানের জীবনকাল ১২৫ দিন থেকে ১৩০ দিন। অর্থাৎ বীজতোলা থেকে শুরু করে ১২৫ থেকে ১৩০ দিনের মধ্যে ফসল ঘরে তুলা যায়। যার কারনে কৃষক ইচ্ছে করলে ওই জমিতে অন্য ফসল চাষ করার সুযোগ পায়।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. সেলিম রেজা বলেন, স্বল্প জীবনকালীন নতুন জাতের এ ধান চাষে কৃষক অল্প দিনের মধ্যে ফসল ঘরে তুলে ওই জমিতে আবার সরিষা, আলু সহ যে কোন রবি শস্য চাষ করতে পারবেন। কৃষি প্রধান এই অঞ্চলে দুই ফসলী জমিতে যাতে কৃষকরা তিনবার ফসল ফলাতে পারে সে লক্ষ্য নিয়ে উপজেলা কৃষি বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে। আমরা আশা করছি আগামীতে আমন মৌসুমে তাজরুলের মত অনেকেই এ ধান চাষ করে লাভবান হবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!