সাপাহারে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
সাপাহারে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভূরুঙ্গামারীতে ভ্রাম‍্যমান আদালতে মাদকসেবী যুবককে ১মাসের কারাদন্ড দৌলতপুরে ভিক্ষুকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ছাগল বিতরণ সুন্দরগঞ্জে এসকেএস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ডিআরআর চ্যাম্পিয়নদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ  তাড়াশে দুঃস্থ ও অতিদরিদ্র ১০০ পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ ভূরুঙ্গামারীতে আলিম পরীক্ষায় দায়িত্বে অবহেলায় কেন্দ্র সচিব ও ট্যাগ অফিসার সাময়িক বরখাস্ত জাল নোট প্রতিরোধে ভূরুঙ্গামারীতে সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ১৩৪ কোটি টাকার উটপাখি গবেষণা প্রকল্পে আনা ২২টির মধ্যে ১৫টি জবাই টুথপেস্ট-সয়াবিন তেলের পর এবার বাজারের ৯৫ শতাংশ চিনিতেই মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক সুন্দরগঞ্জে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ যুবক গ্ৰেপ্তার হবিগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ

সাপাহারে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগ

সাপাহার (নওগাঁ) থেকে সোহেল চৌধুরী রানা
  • প্রকাশিত : বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২২
সাপাহারে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগ

নওগাঁর সাপাহারে নির্ধারিতের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে সার। অভিযোগ উঠেছে, সরকারি নির্দেশনাকে তোয়াক্কা না করে বিএডিসি-বিসিআইসির ডিলাররা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করছেন।

উপজেলার খুদারামবাটি মহিলিপুর গ্রামের সাইদুল ইসলামের ছেলে সোবহান আলী এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের অনুলিপি তিনি নওগাঁ জেলা প্রশাসক, জেলা কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করেছেন।

সোবহান আলী বলেন, ‘সুফলা ট্রেডার্সের মালিক শ্রী মৃনাল সাহা কাছ থেকে এ বছর ধান চাষের জন্য প্রতি বস্তা ডিএপি ৯৫০ টাকায় কিনেছি। এছাড়া এক বস্তা এমওপি এবং এক বস্তা ইউরিয়া সার কিনেছি ১৩০০ টাকায়। সার ক্রয়ের রশিদ চাইলেও দেয়া হয়নি। আবার রশিদ দিলেও নির্ধারিত মূল্য উল্লেখ থাকে, অতিরিক্ত টাকা লেখা হয় না।’

“সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ৮০০ টাকা মূল্যের ডাই অ্যামোনিয়া ফসফেট (ডিএপি) ৯৫০-১৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৭৫০ টাকার এমওপি বিক্রি হচ্ছে ১২০০-১৩০০ টাকায়। এবং ১১০০ টাকার ইউরিয়া বিক্রি হচ্ছে ১২০০-১৩০০ টাকায়। এতে কৃষককে বস্তা প্রতি অতিরিক্ত গুনতে হচ্ছে ১০০-৭৫০ টাকা।”

সাপাহারের একাধিক কৃষক জানান, বিএডিসি ও বিসিআইসির অনুমোদিত উপজেলার প্রতিটি সার দোকানে মূল্য তালিকা থাকার পরও নির্ধারিত দামে মিলছে না সার। আবার অতিরিক্তি দামে সার ক্রয়ের পর রশিদ চাইলেও দেয়া হয় না। রশিদ চাইলে সার দিতে অপারগতা জানান ডিলাররা।

তাদের দাবী, সরকার সারের দাম কমালেও কৃষকের উপকার হচ্ছে না। কেনার সময় ডিলাররা দাম অনেক বেশি নিচ্ছে। বস্তা প্রতি অতিরিক্ত গুনতে হচ্ছে ১০০-৭৫০ টাকা।পড়ুন>>এখন প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ক্ষতিকর হবে: এম তারিক আহসান

তারা আরোও বলেন, সাপাহারের সাগর ট্রেডার্স, খেয়া ট্রেডাস ও গোলাম রাব্বানী ট্রেডার্স হতে ২১বস্তা ইউরিয়া, ১০বস্তা ডিএপি ও ২৮বস্তা এমওপিসহ মোট ৫৯ বস্তা রাসায়নিক সার সাপাহার হতে পার্শ্ববর্তী পত্নীতলা উপজেলায় নিয়ে যাওয়ার সময় কিছু দিন আগে স্থানীয় লোকজন আটক করে উপজেলা পরিষদ হলরুমে জমা দিয়েছে।

কেনো অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছেন এমন প্রশ্নের বিষয়ে সুফলা ট্রেডার্সের মালিক শ্রী মৃনাল সাহা কোন উত্তর দিতে পারেননি। তিনি বলেন, দোকানে বাবুল হোসেন নামে একজন ম্যানেজার থাকে তার কাছ থেকে শুনে আপনাকে জানাতে পারবো। আপনাদের সার লাগলে জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি এনে সার নিয়ে যায়েন।

পড়ুন>> রাণীশংকৈলে কোটিপতি অতিদরিদ্রের তালিকায় কোটিপতির নাম 

সাপাহার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাপলা খাতুন বলেন, দাম বেশি নেয়ার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলেও কোনো প্রমান পাওয়া যাচ্ছেনা। প্রমান পেলে ডিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আব্দুল্যাহ আল মামুন বলছেন, অতিরিক্তি দামে সার বিক্রির বিষয়টি তদন্ত চলমান রয়েছে প্রমান পেলে ডিলারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।#

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!