ডোমারে ক্ষমতাসীন দলের পরিচয়ে স্থানীয় সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলা
- আপডেট সময় : ০৭:৩৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩ ১৮৫ বার পড়া হয়েছে
ডোমারে ক্ষমতাসীন দলের পরিচয়ে স্থানীয় সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলা।
নীলফামারীর ডোমারে সত্যেন্দ্রনাথ রায় নামের এক সাংবাদিককে বেধড়ক মারধর করেছে আওয়ামীলীগ পরিচয়দানকারী ১৫/১৬ জনের একটি সন্ত্রাসী দল।
সন্ত্রাসীদের বেধরক মারপিটে সাংবাদিক সত্যেন্দ্রনাথ রায় অচেতন হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দেয়। সেখানে ডক্টররা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষনে রাখা অবস্থায় প্রায় সাড়ে তিন ঘন্টা পর তার জ্ঞান ফিরে আসে।
সত্যেন্দ্রনাথ রায় দৈনিক আজকালের খবর পত্রিকার ডোমার উপজেলা প্রতিনিধি ও ১০নং হরিণচড়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সুরেন্দ্রনাথ রায়ের ছেলে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায় বুধবার ১২ এপ্রিল দিবাগত রাত বারোটায় দিকে উপজেলার ১০নং হরিণচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাসেল রানার কক্ষেই ঘটনাটি ঘটেছে।
এবিষয়ে ১০নং হরিণচড়া ইউপি চেয়ারম্যান রাসেল রানা জানান, বুধবার সন্ধ্যা হতে রাত পর্যন্ত ইউপি কার্যালয়ে ওয়ার্ডের সকল ইউপি সদস্যদের নিয়ে ঈদ উপলক্ষে সরকারের বিশেষ বরাদ্ধ ভিজিএফ এর কার্ড বিতরণের মিটিং চলছিল।
মিটিং চলাকালীন সময়ে অত্র ইউনিয়নের কয়েকজন লোক আমার সাথে দেখা ও কথা বলতে চাইলে, আমি তাদের বসতে বলি এবং পরবর্তীতে তাদের সাথে কথা বলি।
তাদের সাথে কথা বলার সময় তারা আমার কাছে ঈদ উপলক্ষে চাঁদাসহ সাড়ে তিনশত ভিজিএফ এর কার্ডের দাবী করেন।
আমি চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে চাঁদা দাবীকারী হরিণচড়া ইউনিয়নের বিধু মুখোপাধ্যায় এর ছেলে দুলাল মুখোপাধ্যায়, দিলীপ মুখোপাধ্যায়,
নিধি কৃস্ট’র ছেলে নিরঞ্জন রায়, রমেশ চন্দ্রের ছেলে রামকৃষ্ণ রায়,মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে জাকারুল ইসলাম দুখু, মৃত মজর উদ্দিনের ছেলে বাবুল আলম ধউলা, খিরোদ, মকবুল, ধীমানসহ অজ্ঞাত ১৫/১৬ জনের একটি দল নিজেদের আওয়ামীলীগ, তাতীলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ পরিচয় দিয়ে আমাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে হট্টগোল শুরু করে দেয়।
সেসময় স্থানীয় সাংবাদিক সত্যেন্দ্রনাথ রায় আমার কার্যালয়ে প্রবেশ করে এবং কি হয়েছে জানতে চায়।
সাংবাদিক কারণ জানতে চাওয়ায়, দুলাল মুখোপাধ্যায় ও নিরঞ্জন রায় সঙ্গীয় ১৫/১৬জন সত্যেন্দ্রনাথ রায়ের উপর অতর্কিত হামলা করে।
এতে সে অচেতন হয়ে পড়লেও দুলাল, দিলীপ, নিরঞ্জন পা’দিয়ে লাথি মারতে থাকে। পরে স্থানীয় জনগন টের পেয়ে তাদেরকে প্রতিরোধ করে ও সত্যেন্দ্রনাথ রায়কে উদ্ধার করে বোড়াগাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী এলাকার পল্লী চিকিৎসক ধরনীকান্ত রায় জানান, দুলাল, দিলীপ, নিরঞ্জনের দলটি সত্যেন্দ্রনাথ রায়কে বেধড়ক মারধর করে অচেতন করে রাখে।
এবিষয়ে ডোমার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদ উন-নবী জানান লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


























