১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য সরকারের
- আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ৬৪ বার পড়া হয়েছে
১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য সরকারের
চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত দুই দিনব্যাপী এভিয়েশন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, থার্ড টার্মিনাল নিয়ে বিগত সরকার খুব বাজে অবস্থায় রেখে গেছে এবং অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার আগ পর্যন্ত এর কোনো কাজই হয়নি। তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের পরিকল্পনা আছে ১৬ ডিসেম্বর থার্ড টার্মিনাল ওপেন করার।
পড়ুন>>হরমুজ প্রণালিকে মার্কিন ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
থার্ড টার্মিনালের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে আফরোজা খানম রিতা বলেন, এটি আগের সরকারের প্রকল্প হলেও বিদ্যমান টার্মিনালের সক্ষমতা কম হওয়ায় এর গুরুত্ব অপরিসীম।
দায়িত্ব নেওয়ার পর বিমান ও পর্যটন-সংশ্লিষ্ট প্রতিটি খাতে চরম দুরবস্থা দেখেছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কোথাও কোনো ফান্ড বা টাকা ছিল না। তৎকালীন সরকার আমাদের ওই অবস্থায় রেখে গেছে। আমি চেষ্টা করছি সেই দুরবস্থার ইতি ঘটাতে। বিমান খাতের উন্নয়নের পরিবর্তে আগের সরকার নিজেদের উন্নয়নে বেশি মনোযোগ দিয়েছে এবং মন্ত্রণালয়কে ব্যক্তিস্বার্থে ভর্তুকির খাত হিসেবে ব্যবহার করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
পড়ুন>>ঠাকুরগাঁওয়ে ইকো ইউনিভার্সিটির অনুমোদন, উচ্চশিক্ষায় নতুন দিগন্ত
এ সময় দেশের এভিয়েশন খাতে মেইনটেন্যান্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহল (এমআরও) সুবিধা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, লালমনিরহাট বিমানবন্দরকে এমআরও শিল্পের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বোয়িং, এয়ারবাস, সিঙ্গাপুরসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে। বোয়িং-এয়ারবাসের সঙ্গে এমআরও ব্যাপারে কথা হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে খুব শিগগিরই একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে।
লালমনিরহাটে এমআরও শিল্প গড়ে উঠলে দেশে এভিয়েশন খাতে দক্ষ জনবল তৈরির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের বিমান রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা তৈরি হবে। এর মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের সুযোগও সৃষ্টি হতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আরও পড়ুন>>শারীরিক অসুস্থতায় পিএসসি চেয়ারম্যানের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত
দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাইলট হিসেবে গড়ে তুলতে ফ্লাইং একাডেমি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানান আফরোজা খানম রিতা। তিনি বলেন, বিমানবাহিনীর কল্যাণ ট্রাস্টের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশে একটি এভিয়েশন একাডেমি তৈরির পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আমি ফ্লাইট একাডেমি করার চেষ্টা করছি, যাতে পাইলট হতে কোটি টাকা খরচ না হয়। গরিব মেধাবীরা ভর্তি হলে আমরাই তাদের পড়াব।
মন্ত্রী জানান, এ উদ্যোগের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পাইলটসহ এভিয়েশন খাতের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পরে তারা চাকরিতে যোগ দিয়ে প্রশিক্ষণের ব্যয় পরিশোধ করবেন। এতে দেশে পাইলট সংকট কমার পাশাপাশি বিদেশেও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সাংবাদিকদের এভিয়েশন খাতের সমস্যা ও দুর্বলতার পাশাপাশি সম্ভাবনা ও ইতিবাচক দিকগুলোও তুলে ধরার আহ্বান জানান বিমানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমাদের সমালোচনা অবশ্যই করবেন, ভুল ধরিয়ে দেবেন। সেই সঙ্গে বিমানের ইতিবাচক দিকগুলোও তুলে ধরবেন। সাংবাদিকদের পরামর্শ ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতার মাধ্যমেই দেশের এভিয়েশন খাতকে আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদস্য এয়ার কমোডর মো. নূর-ই-আলম এবং এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ উইং কমান্ডার (অব.) এটিএম নজরুল ইসলাম। দুই দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে এভিয়েশন খাতের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও সাংবাদিকতার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছেন সংশ্লিষ্টরা। যু//র
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























