সিলেটের রায়নগরে তিনজনকে হত্যার ঘটনায় বাবুল মিয়া নামে এক রংমিস্ত্রিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে বাবুল এই ঘটনার দায় স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম।
গতকাল (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, অভিযুক্ত বাবুলের সঙ্গে আব্দুস সাত্তার ও তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগমের পূর্ব পরিচয় ছিল। কাজের সুবাদে সে ওই বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করত এবং সেখানে কর্মরত গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন সকালে বাবুল ওই বাসায় যায় এবং গৃহকর্মী তাহমিনা দরজা খুলে দেয়। এক পর্যায়ে তাহমিনার রুমে গিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় এবং বাবুল তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে।
এরপর চিৎকারে এগিয়ে এলে সুরাইয়া বেগমকেও সে একইভাবে হত্যা করে। সবশেষে আব্দুস সাত্তারকে হত্যা করা হয়। রায়নগর এলাকার আক্তার মিয়ার কলোনির বাসিন্দা মৃত নূর মিয়ার ছেলে বাবুল পেশায় একজন রংমিস্ত্রি। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গৃহকর্মীর চিৎকার শুনে সুরাইয়া বেগম এগিয়ে গেলে তাকেও আক্রমণ করা হয়। ঘটনার পর বাবুল বেলকনি দিয়ে পালিয়ে যায় এবং পাশের ফ্ল্যাটের একটি স্থানে খুনে ব্যবহৃত ছুরিটি ফেলে দেয়।
পুলিশ জানায়- খুনের পর বাবুল বেলকোনি দিয়ে পালায়।গৃহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের জেরে সিলেটের রংমিস্ত্রী বাবুল মিয়া একাই খুন করেছে তিন জনকে। এক পর্যায়ে বাবুল চাকু দিয়ে তাহমিনাকে খুন করে।
মা/জ//ন
Leave a Reply