সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশের কৌশলগত আবু আল-জুহুর সামরিক বিমানবন্দরে সম্প্রতি বিমান হামলার ঘটনা ঘটেছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাশার আল-আসাদের পতনের পর থেকে এই প্রথম কোনো বড় ধরনের হামলার লক্ষ্যবস্তু হলো গুরুত্বপূর্ণ এই বিমানঘাঁটিটি। হামলায় বিমানবন্দরের রানওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি। আল জাজিরা অনলাইনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা, এই হামলার ধরন ও সক্ষমতা পর্যালোচনায় ইসরায়েলের জড়িত থাকার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি।
ইদলিবের রাজনৈতিক বিশ্লেষক কামাল আবদো এই হামলার বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে জানান, সিরিয়ার আকাশসীমায় এত বড় পরিসরে সামরিক বিমান ব্যবহার করে হামলা চালানোর মতো সক্ষমতা ইরান বা তাদের মিত্রদের নেই।
তিনি আরও বলেন, সিরিয়ার নিজস্ব কোনো কার্যকর বিমানবাহিনী বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় দেশটি তাদের আকাশসীমা সুরক্ষায় ব্যর্থ হচ্ছে এবং কোনো পাল্টা জবাব দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই। দামেস্ক বর্তমানে রাশিয়া ও তুরস্কের সঙ্গে অস্ত্র সহায়তার বিষয়ে আলোচনা করলেও ভয়াবহ আর্থিক সংকট বড় বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলার সময়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মার্কিন ও তুর্কি প্রেসিডেন্টের মধ্যকার ফোনালাপ এবং সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন দূতের বৈঠকের মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এই হামলার ঘটনা ঘটল। এর মাধ্যমে ইসরায়েল মূলত তুরস্কসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে একটি কঠোর বার্তা দিতে চাইছে যে, তারা পুরো অঞ্চলের সামরিক গতিবিধির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছে। মা//জ//ন
Leave a Reply