তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে কোনো তথ্য নেই: রণধীর জয়সওয়াল
- আপডেট সময় : ১০:১৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে
তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে কোনো তথ্য নেই: রণধীর জয়সওয়াল
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য পলাতক ব্যক্তিদের দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে করা অনুরোধগুলো ভারতের ‘প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়া’ অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানান। তবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে নতুন কোনো তথ্য নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি। আউটলুক ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
পড়ুন>>মারামারি করে ১৫ ম্যাচ নিষিদ্ধ ফুটবলার আল-আমিন
সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র দপ্তর তারেক রহমানের ভারত সফরের বিষয়ে কিছু শর্তের কথা উল্লেখ করেছে, যার মধ্যে শেখ হাসিনাসহ পলাতকদের প্রত্যর্পণের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত। এ প্রসঙ্গে জয়সওয়াল স্পষ্ট করেন যে, শেখ হাসিনার ভারতে প্রকাশ্যে উপস্থিতি নিয়ে ভারতের অবস্থান নতুন করে পুনরাবৃত্তি করার প্রয়োজন নেই। তিনি পুনরায় নিশ্চিত করেন যে, পলাতক ব্যক্তিদের প্রত্যর্পণসংক্রান্ত সব অনুরোধ ভারতের আইনি ও প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়া মেনেই পরীক্ষা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শিগগিরই ভারত সফরে আসবেন কি না অথবা ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল জানান, এ বিষয়ে খুব দ্রুত হালনাগাদ তথ্য জানানো হবে।
পড়ুন>>রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভোট দেওয়ার নিয়ম ও পদ্ধতি জানালেন ইসি সচিব
ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ইস্যুটিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাংলাদেশে উগ্রপন্থী নেটওয়ার্কের সক্রিয়তা নিয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কোনো আলোচনা হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি সন্ত্রাসবাদকে ‘সবার জন্য অভিন্ন অভিশাপ’ হিসেবে অভিহিত করেন। এই হুমকি মোকাবিলায় ভারত সব দেশের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে আগ্রহী বলে তিনি জানান।
এ সময় জয়সওয়াল জাতিসংঘের একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ওই প্রতিবেদনে দিল্লির লালকেল্লায় সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে জড়িত গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম এসেছে। রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা ইস্যুতে সংবেদনশীলতা থাকলেও বাংলাদেশের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে ভারত। বাংলাদেশ অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহের যে অনুরোধ করেছে, তা বর্তমানে পর্যালোচনাধীন রয়েছে। ভারতের নিজস্ব চাহিদা, পরিশোধন সক্ষমতা ও মজুত পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
দুই দেশের সামগ্রিক সম্পর্কের বিষয়ে মুখপাত্র বলেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থ ও সমতার ভিত্তিতে একটি ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যতমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। এছাড়া তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা নিয়ে তিনি জানান, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। পানি বণ্টন ও এ-সংক্রান্ত সব আলোচনা যৌথ নদী কমিশনসহ বিদ্যমান কাঠামোগত সংলাপের মাধ্যমেই এগিয়ে নেওয়া হবে। মা//জ//ন
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
























