লিচুকে ঘিরে দিনাজপুরে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ কোটি টাকা লেনদেন : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
লিচুকে ঘিরে দিনাজপুরে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ কোটি টাকা লেনদেন : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বরিশালে নাতির লাথিতে প্রাণ গেল নানির ব্রিটেনে বিশ্বনাথের ইছমাইল উদ্দিনের ব্যাচেলর ডিগ্রী অর্জন পর্তুগাল থেকে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনায় সিক্ত হলেন তালুকদার গিয়াস উদ্দিন ভাইরাল তাজু ভাই এবার টাইমস টুডের মফস্বল সাংবাদিক রাণীশংকৈলে ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক দ্বিতীয় স্ত্রীর বিচ্ছেদ ও ঋণের চাপে ইউপি সদস্যের আত্মহত্যার অভিযোগ কদমতলীতে জাল নোট তৈরির কারখানায় অভিযানে জাল নোটসহ গ্রেপ্তার ২ দৌলতপুরে ছেলের টর্চলাইটের আঘাতে বাবার মৃত‍্যু ফেসবুকে ৩০ জুলাই এসএসসি ফল প্রকাশের গুঞ্জনে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান শিক্ষা বোর্ডের ভিসার ঝামেলা ছাড়াই ভ্রমণ এশিয়ার ৬ দেশ: জেনে নিন তালিকা

লিচুকে ঘিরে দিনাজপুরে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ কোটি টাকা লেনদেন

সৃষ্টি ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৮ মে, ২০২২
লিচুকে ঘিরে দিনাজপুরে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ কোটি টাকা লেনদেন

দিনাজপুর গাছে গাছে লিচু লাল রং ধারণ করতে শুরু করেছে।ইতিমধ্যেই মাদ্রাজি ও মোজাফফরি লিচু বাজারে আসা শুরু হয়েছে । প্রতিদিন লিচু নিয়ে দিনাজপুর ছাড়ছে সহস্রাধিক পরিবহন।লিচুকে কেন্দ্র করে জেলায় প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে,দিনাজপুরে এবার লিচুর ভালো ফলন হয়েছে। এ বছর উৎপাদন হবে ৩০ হাজার টন লিচু। তা বিক্রি হবে ৬১৬ কোটি টাকায়।জানা গেছে, সদর উপজেলার মাশিমপুর ও বিরলের মাধবমাটি গ্রামের লিচু সারাদেশে পরিচিত। এ এলাকাগুলোর উৎপাদিত মাদ্রাজি,বেদানা,বোম্বাই,চায়না থ্রি,ও কাঁঠালিসহ সব লিচুকে রসগোল্লা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এরই মধ্যে মাদ্রাজি ও মোজাফফরি লিচু বাজারে উঠতে শুরু করেছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে লিচুর রঙ পুরোপুরি লাল ধারণ করলেই বেদানা ও বোম্বাই লিচুর বাজারজাত শুরু হবে। চায়না থ্রি ও কাঁঠালি লিচু আসবে সবার পরে। দিনাজপুর গোর-এ শহীদ বড় ময়দানে উদ্বোধন করা হয়েছে লিচুর অস্থায়ী বাজার।চাষি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লিচুর রাজ্য হিসেবে পরিচিত দিনাজপুরে দিন দিন লিচু চাষ বাড়ছে।<সারাদেশে চাষ হলেও দিনাজপুরের লিচু স্বাদে-গন্ধে অতুলনীয়। তাই দিনাজপুরের লিচুর কদর আলাদা।প্রতি বছরই ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলেছে লিচু চাষের জমির  পরিমাণ।এখন লিচুকে এ জেলার জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার  জোর দাবি জানিয়েছেন দিনাজপুরবাসীর। মাধবমাটি গ্রামের কৃষক সাহেব হোসেন বলেন, আমাদের লিচুর অনেক সুনাম রয়েছে। কিন্তু এ লিচু দীর্ঘদিন সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা নেই। লিচু সংরক্ষণের জন্য একটি হিমাগার তৈরি করা হলে আমরা অনেক লাভবান হবো। কেন না লিচু গাছ থেকে নামানোর পর কয়েকদিনের মধ্যে নষ্ট হয়ে যায়। এতে অনেক লিচু নষ্ট হয়। একটি হিমাগার থাকলে সেই লিচু সংরক্ষণ সম্ভব হবে। এর পাশাপাশি দামও ভালো পাওয়া যাবে।’ মাশিমপুর গ্রামের কৃষক শরিফুল ইসলাম জানান,আমি কয়েক বছর ধরে লিচুর চাষ করছি। কিন্তু গত দুবছর করোনার কারণে লিচুতে কিছুটা লোকসান হয়েছিল। কিন্তু এ বছর ফলন দেখে খুব ভালো লাগছে। দামও ভালো পাবো বলে আশা করছি।ঢাকা থেকে আসা লিচু ব্যবসায়ী রাজা ইসলাম বলেন,‘প্রতি বছর এ জেলার কয়েকটি লিচুর বাগান কিনি। ঢাকায় আমার লিচুর বড় আড়ত রয়েছে। সেখানে দিনাজপুরের লিচুর অনেক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু গত দুবছর করোনার কারণে গাড়ি সংকটে থাকায় কিছু লোকসান হয়েছির। তবে এবার ভালো লাভ হবে বলে মনে করছি।’ লিচু ব্যবসায়ী লিটন ও রানা বলেন, ‘দিনাজপুর থেকে প্রতিদিন কমপক্ষে এক হাজার যানবাহন যাচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায়। এছাড়া কুরিয়ারে এবং ট্রেনেও লিচু যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন বাজারে। স্থানীয়ভাবে বেচাকেনা তো আছেই। সব মিলিয়ে প্রতিদিন লিচুর বাজারে কমপক্ষে ১০ কোটি টাকার লেনদেন হচ্ছে। বোম্বাই, বেদানা ও চায়না থ্রি লিচু বাজারে এলে লেনদেন ১৫ কোটি টাকা ছেড়ে যাবে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) মো. খালেদুর রহমান জানান, গত বছর দিনাজপুরে ৫ হাজার ৪৮১ হেক্টর জমিতে লিচুর চাষ হয়েছে। ফলন হয়েছিল ২৮ হাজার টন। এবার দিনাজপুরে ৫ হাজার ৬১০ হেক্টর জমিতে লিচু উৎপাদন হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়েছে ৩০ হাজার টন। গত বছর লিচু বিক্রি হয়েছে ৫৭৫ কোটি টাকা। এবার তা বেড়ে ৬১৬ কোটি টাকায় গিয়ে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, ২০ মে থেকে জেলায় মাদ্রাজি ও মোজাফফরি লিচুর প্রথম দফায় আহরণ শুরু হয়েছে। সংরক্ষণ বা প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য বিভিন্ন সময় মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন কোম্পানিকে আহবান জানানো হয়েছে।  

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!