ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রবাসী ছেলের সঙ্গে মায়ের কথপোকথন

সিঙ্গাপুর থেকে শফিকুল ইসলাম রিপন
  • আপডেট সময় : ১০:৫৪:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর ২০২২ ৬০৩ বার পড়া হয়েছে

প্রবাসী ছেলের সঙ্গে মায়ের কথপোকথন

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছেলেঃ-মা কেমন আছো তুমি?
মাঃ- আমি ভালো আছি,কিরে বাবা তোর শরীরটা এখন কেমন আছে?
ছেলেঃ- আমি ভালো আছি মা,কতোদিন হইয়া গেছে তোমায় দেখিনা।
মাঃ-বাবা এইবার তুই ঈদে ছুটিতে আয়,কতোদিন হইয়া গেছে তোরে দেখতে মনে চায়।এক এক কইরা ১০টা ঈদ কাইটা গেছে তবুও আইলিনা।আয় না বাবা এই ঈদে ছুটিতে একসাথে ঈদ করি।
ছেলেঃ- হে মা আইমি বস্-রে কইছি ছুটি দিতে,ছুটি দিলেই আইমু মা ঈদ করমু এবার বাড়িতে।
মাঃ-খোকা শুন করিম মিয়া আইছিল সেদিন আমাগো উঠানে,ওর নাকি টাকা দরকার বেইচা দিব তার জমি,আমি চাইছিলাম ঐ জায়গাটা কিনতে পারলে তোর জন্য বানাইতাম সেখানে একটা বাড়ি।টাকা পয়সা আছেরে বাপ কিনতে পারবি কি ঐ করিম মিয়ার জমি
ছেলেঃ- মা টাকা আমি যা কামাই সবই তো দেই তোমায়,হাতে আমি টাকা পয়সা কেমনে কইরা জমাই।সেই কবে বিদেশ আইছি ভুইলা গেছি নিজেই,
কাজ করতে করতে মাগো ঘামে শরীর ভিজে।রনি,রানা, বাড়িতে আছে ওরা কি করে?কাজ কইরা একটা টাকাও আইনা দেয়না ঘরে।আমিও তো মা মানুষ বটে,টাকার মেশিন না,ঠিক আছে বুঝতে পারছি এইবারও দেশে আসা হইবো না।
মাঃ- ওরা তো ছোট মানুষ কেমনে কি বা করে,কাম কাজ নাই দেশেতে তাই টাকা কেমনে দিব ঘরে।ঐ দিকে মাইয়াটাও বড় হইছে দিতে হইবো বিয়া,
সব সময়ই চিন্তায় আছি মাইয়াটারে নিয়া।তোর বাবা তো রোগী মানুষ বইসা থাকে ঘরে,টাকা নাই পয়সা নাই কেমনে কি সে করে।
ছেলেঃ- আচ্ছা বেতন আসলেই টাকা পাইবা মাগো ওরে,তোমার ছেলে এইবার মা আসতে পারবেনা ঘরে।ভালো থাইকো মা দোয়া কইরো আমার তরে
কোন একদিন সময় পেলেই আসবো আমি ফিরে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রবাসী ছেলের সঙ্গে মায়ের কথপোকথন

আপডেট সময় : ১০:৫৪:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর ২০২২

ছেলেঃ-মা কেমন আছো তুমি?
মাঃ- আমি ভালো আছি,কিরে বাবা তোর শরীরটা এখন কেমন আছে?
ছেলেঃ- আমি ভালো আছি মা,কতোদিন হইয়া গেছে তোমায় দেখিনা।
মাঃ-বাবা এইবার তুই ঈদে ছুটিতে আয়,কতোদিন হইয়া গেছে তোরে দেখতে মনে চায়।এক এক কইরা ১০টা ঈদ কাইটা গেছে তবুও আইলিনা।আয় না বাবা এই ঈদে ছুটিতে একসাথে ঈদ করি।
ছেলেঃ- হে মা আইমি বস্-রে কইছি ছুটি দিতে,ছুটি দিলেই আইমু মা ঈদ করমু এবার বাড়িতে।
মাঃ-খোকা শুন করিম মিয়া আইছিল সেদিন আমাগো উঠানে,ওর নাকি টাকা দরকার বেইচা দিব তার জমি,আমি চাইছিলাম ঐ জায়গাটা কিনতে পারলে তোর জন্য বানাইতাম সেখানে একটা বাড়ি।টাকা পয়সা আছেরে বাপ কিনতে পারবি কি ঐ করিম মিয়ার জমি
ছেলেঃ- মা টাকা আমি যা কামাই সবই তো দেই তোমায়,হাতে আমি টাকা পয়সা কেমনে কইরা জমাই।সেই কবে বিদেশ আইছি ভুইলা গেছি নিজেই,
কাজ করতে করতে মাগো ঘামে শরীর ভিজে।রনি,রানা, বাড়িতে আছে ওরা কি করে?কাজ কইরা একটা টাকাও আইনা দেয়না ঘরে।আমিও তো মা মানুষ বটে,টাকার মেশিন না,ঠিক আছে বুঝতে পারছি এইবারও দেশে আসা হইবো না।
মাঃ- ওরা তো ছোট মানুষ কেমনে কি বা করে,কাম কাজ নাই দেশেতে তাই টাকা কেমনে দিব ঘরে।ঐ দিকে মাইয়াটাও বড় হইছে দিতে হইবো বিয়া,
সব সময়ই চিন্তায় আছি মাইয়াটারে নিয়া।তোর বাবা তো রোগী মানুষ বইসা থাকে ঘরে,টাকা নাই পয়সা নাই কেমনে কি সে করে।
ছেলেঃ- আচ্ছা বেতন আসলেই টাকা পাইবা মাগো ওরে,তোমার ছেলে এইবার মা আসতে পারবেনা ঘরে।ভালো থাইকো মা দোয়া কইরো আমার তরে
কোন একদিন সময় পেলেই আসবো আমি ফিরে।

Facebook Comments Box