ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্পেনের মালাগার সঙ্গে সহযোগিতার ক্ষেত্র বাড়াতে চায় বাংলাদেশ বাংলাদেশে কার্যালয় খুলতে জেবিআইসিকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সরকারি বেতন দিতে ব্যাংক থেকে আরও ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ আকাশে ড্রোন, মাঠে কে-৯: ঠাকুরগাঁও-১আসন উপ-নির্বাচনে ২১ প্লাটুন বিজিবি রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কায় নিহত ৩ হুতিদের শান্ত করতে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদি আরবের ইসরাইলের নির্বাচনে ঝুলে আছে নেতানিয়াহুর ভাগ্য, সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং দমনে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল জরুরি চুয়েটে ক্লাস শুরু নিয়ে বিভাগীয় প্রধানদের ভিন্নমত কেপটাউন টেস্টে মিচেল স্টার্কের বোলিং তাণ্ডব: ৩২৯ রানে অলআউট দক্ষিণ আফ্রিকা

৩ মাসের মধ্যে বাংলাদেশ পিপলস লীগকে নিবন্ধনের নির্দেশ হাইকোর্টের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১০:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ৪৯ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ পিপলস লীগকে আগামী তিন মাসের মধ্যে নিবন্ধন দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে এ নির্দেশ প্রদান করেন।

এর আগে, নির্বাচন কমিশনে আবেদন করে নিবন্ধন না পাওয়ায় ২০১৪ সালে বাংলাদেশ পিপলস লীগের মহাসচিব সৈয়দ মাহবুব হোসেন হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০২৩ সালের ২ আগস্ট হাইকোর্ট ইসিকে দলটির বিষয়ে পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে চলতি বছরের জুনে দাখিল করা ইসির হলফনামায় দাবি করা হয়, দলটি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এবং রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা, ২০০৮ এর শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। ইসির মাঠপর্যায়ের তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, দলটির দাখিলকৃত সাত জেলার মধ্যে মাত্র ৩টি এবং ৩১টি উপজেলার মধ্যে মাত্র ১৮টি উপজেলা দপ্তরের কার্যকারিতা পাওয়া গেছে, যা নিবন্ধনের শর্ত পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই কমিশন তাদের আবেদন নাকচ করেছিল।

বুধবার আদালতের রায়ের পর দলের চেয়ারম্যান গরিব নেওয়াজ গণমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশ পিপলস লীগ ১৯৭৬ সালে ডা. আলীম আল রাজীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ২০১২ সালে নিবন্ধনের জন্য আবেদন জানানো হলে আদালত রি-ইনকোয়ারির নির্দেশ দেন। কিন্তু রি-ইনকোয়ারির পরেও অন্যায়ভাবে আমাদের নিবন্ধন দেওয়া হয়নি। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অপেক্ষাকৃত কম যোগ্যতা সম্পন্ন অনেক দলকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হলেও তাদের ক্ষেত্রে তা করা হয়নি।

মামলার রিট আবেদনকারী ও দলের মহাসচিব সৈয়দ মাহবুব হোসেন বলেন, ২০১২ সালে আবেদনের সময় আমাদের ৮৩টি উপজেলা এবং ১৮টি জেলায় দপ্তর ছিল। নিয়ম অনুযায়ী ১০০ উপজেলা এবং ২১টি জেলা প্রয়োজন। তিনি দাবি করেন, আমাদের ১০১টি উপজেলা এবং ২১টি জেলায় দপ্তর সম্পন্ন হওয়ার পরেও ইসি আমাদের নিবন্ধন দেয়নি। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের নির্দেশেই এই অন্যায় করা হয়েছে এবং আমরা ২০ দলীয় জোটের শরিক হওয়ার কারণেই নিবন্ধন থেকে বঞ্চিত হয়েছিলাম বলে তিনি মন্তব্য করেন। অবশেষে হাইকোর্টের এই আদেশের মাধ্যমে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে জানান তিনি।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

৩ মাসের মধ্যে বাংলাদেশ পিপলস লীগকে নিবন্ধনের নির্দেশ হাইকোর্টের

আপডেট সময় : ১০:১০:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ পিপলস লীগকে আগামী তিন মাসের মধ্যে নিবন্ধন দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে এ নির্দেশ প্রদান করেন।

এর আগে, নির্বাচন কমিশনে আবেদন করে নিবন্ধন না পাওয়ায় ২০১৪ সালে বাংলাদেশ পিপলস লীগের মহাসচিব সৈয়দ মাহবুব হোসেন হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০২৩ সালের ২ আগস্ট হাইকোর্ট ইসিকে দলটির বিষয়ে পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে চলতি বছরের জুনে দাখিল করা ইসির হলফনামায় দাবি করা হয়, দলটি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এবং রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা, ২০০৮ এর শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। ইসির মাঠপর্যায়ের তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, দলটির দাখিলকৃত সাত জেলার মধ্যে মাত্র ৩টি এবং ৩১টি উপজেলার মধ্যে মাত্র ১৮টি উপজেলা দপ্তরের কার্যকারিতা পাওয়া গেছে, যা নিবন্ধনের শর্ত পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই কমিশন তাদের আবেদন নাকচ করেছিল।

বুধবার আদালতের রায়ের পর দলের চেয়ারম্যান গরিব নেওয়াজ গণমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশ পিপলস লীগ ১৯৭৬ সালে ডা. আলীম আল রাজীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ২০১২ সালে নিবন্ধনের জন্য আবেদন জানানো হলে আদালত রি-ইনকোয়ারির নির্দেশ দেন। কিন্তু রি-ইনকোয়ারির পরেও অন্যায়ভাবে আমাদের নিবন্ধন দেওয়া হয়নি। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অপেক্ষাকৃত কম যোগ্যতা সম্পন্ন অনেক দলকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হলেও তাদের ক্ষেত্রে তা করা হয়নি।

মামলার রিট আবেদনকারী ও দলের মহাসচিব সৈয়দ মাহবুব হোসেন বলেন, ২০১২ সালে আবেদনের সময় আমাদের ৮৩টি উপজেলা এবং ১৮টি জেলায় দপ্তর ছিল। নিয়ম অনুযায়ী ১০০ উপজেলা এবং ২১টি জেলা প্রয়োজন। তিনি দাবি করেন, আমাদের ১০১টি উপজেলা এবং ২১টি জেলায় দপ্তর সম্পন্ন হওয়ার পরেও ইসি আমাদের নিবন্ধন দেয়নি। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের নির্দেশেই এই অন্যায় করা হয়েছে এবং আমরা ২০ দলীয় জোটের শরিক হওয়ার কারণেই নিবন্ধন থেকে বঞ্চিত হয়েছিলাম বলে তিনি মন্তব্য করেন। অবশেষে হাইকোর্টের এই আদেশের মাধ্যমে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে জানান তিনি।

Facebook Comments Box