সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বাদাঘাটে স্ত্রী নির্যাতন ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।
ভুক্তভোগী স্বামী আবু তালহা ইমন মানববন্ধনে বলেন, ২০২২ সালের ৮ আগষ্ট ইসলামি শরীয়তে তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের ধূতমা গ্রামের আশরাফ আলীর মেয়ে সালমা আক্তারকে দুই লাখ টাকা দেন-মোহরনায় বিয়ে করেন। মোহরনার সব টাকা সঙ্গে সঙ্গে কাবিননামায় পরিশোধ করে দেন তিনি। বিয়ের পর তাদের ঔরসে আদিয়া ইবনাত (ঊষা) নামে একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। সন্তান হওয়ার পর থেকে তার স্ত্রী তার সঙ্গে নানা তালবাহানা ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে।
এক পর্যায়ে বিবাহিত স্ত্রী বলেন, বিয়ের আগের দুই লাখ টাকা কাবিননামা হবেনা। আমাকে আবার নতুন করে পুনরায় ১০ লাখ টাকা কাবিন নামা দিয়ে বিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে, নতুবা তার সংসার তিনি আর করবেন না।
একথা বলে স্বামীকে মারপিট করে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দেন। স্ত্রীর কথা মতো স্বামী রাজি না হওয়ায় গত ২৯ আগষ্ট তাহিরপুর হাসপাতাল থেকে মিথ্যা ইনজুরি সার্টিফিকেট নিয়ে সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি পিটিশন মিথ্যা মামলা করে তার স্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, ‘তার স্ত্রী বাবার বাড়ি যাওয়ার সময়ে তার ঘর থেকে ৭ ভরি স্বর্ণ ও নগদ টাকা নিয়ে গেছেন। আমার সন্তানের মুখের দিকে থাকিয়ে সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য স্ত্রীর কথা মতো তাদের বাড়িতে নিজ খরচে থাকি এবং দুই লাখ টাকা স্ত্রীর কাছে জমা রাখি।’
এগুলোর পর ও স্ত্রী এবং তার পরিবারের নির্যাতন থেকে স্বামী কোন অবস্থায় রেহাই পাননি। তিনি হয়রানি ও নির্যাতন এবং মিথ্যা বানোয়াট মামলার সঠিক তদন্ত দাবি করেন।
ভুক্তভোগী আবু তালহা ইমনের মা জুয়েনা আক্তার বলেন, ‘আমি একজন স্কুল শিক্ষিকা। আমাকে এই মিথ্যা মামলায় ছেলের সঙ্গে আসামি করা হয়েছে’।
তিনি এই মিথ্যা মামলার সঠিক তদন্ত এবং অযথা হয়রানি করার বিচার দাবি করেন।
Leave a Reply