নওগাঁর মান্দায় ইজারাকৃত একটি পুকুর হতে কয়েক লক্ষ টাকার মাছ চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলার ৩ নং পরানপুর ইউপির বামনগাঁ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায় বামনগাঁ মৌজার ২ নং খতিয়ানের ৩৭৭ দাগে ১.৪৬ একর সরকারি (ভিপি) পুকুরটি ওপেন টেন্ডার এর মাধ্যমে বাংলা ১৪৩১ হতে ১৪৩৩ সাল পর্যন্ত তিন বছরের জন্য ২ লখ ৮৭ হাজার টাকায় উপজেলার ছোটবেলালদহ গ্রামের সমতুল্ল্যার ছেলে সাইফুল ইসলাম ইজারা গ্রহণ করেন।
এমতাবস্থায় ঐ এলাকার পিয়ার উদ্দিনের ছেলে পারভেজ, আফাজ উদ্দিন এর ছেলে মোখলেসুর, মাজেদের ছেলে মিজানুর রহমান, লয়ির দ্দিনের ছেলে ইয়াজিজ সহ আরো কিছু বখাটে একটি চক্র, ইজারাদার জাহাঙ্গীর আলমকে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক পুকুরটি এলাকার মসজিদের নামে কৌশলে লিখে দেওয়ার চাপ প্রয়োগ করে। কিন্তু পুকুরটি লিখে না দেওয়ায় বুধবার দিবাগত রাতে পুকুরের সমস্ত সুরক্ষা খুঁটি উঠিয়ে পুকুরের মাছ চুরি করে নিয়ে যায়।
এ সময় স্থানীয়রা চুরি করে মাছ ধরতে নিষেধ করায় মারপিট সহ খুন জখমের হুমকি প্রদান করে। এ ঘটনায় ইজারাদার জাহাঙ্গীর আলম জানান, পুকুরটি কন্ট্রাক্ট নেওয়ার পর লক্ষাধিক টাকার মাছ ছাড়া হয়েছে চার মাসে মাছ গুলো অনেকটাই উপযুক্ত হয়েছে। এমতাবস্থায় গত মঙ্গলবার দিন অভিযুক্তরা আমাকে ডেকে নিয়ে পুকুরটি ও এলাকার মসজিদের নামে স্ট্যাম্পে লিখে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে।
বিষয়টি স্থানীয় নেতা গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ অনেকেই জানেন। মাছ চুরির বিষয়ে অভিযুক্ত পারভেজ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পুকুরটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মসজিদের নামে ইজারা নিয়ে চাষ করা হতো। কিন্তু এবছর জাহাঙ্গীর নামে ওই ব্যক্তি নিয়েছেন। তাই আমরা তার কাছ থেকে কিছু টাকা দিয়ে মসজিদে নামে লিখে নিতে চেয়েছিলাম কিন্তু তিনি রাজি হননি। তবে মাছ মারার বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।
এব্যাপারে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক কাজী বলেন বিষয়টি মৌখিকভাবে শুনেছি লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Leave a Reply