ভূঞাপুরে জামায়াতের নির্বাচনি অফিসে অগ্নিসংযোগ।
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা-এ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গাবসারা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভূঞাপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিমুজ্জামান তালুকদার সেলুর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গাবসারা ইউনিয়ন-এর ২নং ওয়ার্ডের মেঘার পটল গ্রামে রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে একটি উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে।
বিভিন্ন মাধ্যমে পাওয়া তথ্য-প্রমাণ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত পাওয়ায় গাবসারা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় তদন্তের জন্য ভূঞাপুর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি এস এম ফরহাদুল ইসলাম শাপলাকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিমুজ্জামান তালুকদার সেলু বলেন, “প্রাথমিকভাবে আমাদের কিছু নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততার আশঙ্কা রয়েছে। সে কারণেই সংগঠনগত শৃঙ্খলা রক্ষায় কমিটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে এবং তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।”
উল্লেখ্য, গত শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভূঞাপুর উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের মেঘারপটল এলাকায় অবস্থিত জামায়াতে ইসলামীর একটি নির্বাচনি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, গাবসারা ইউনিয়নের ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কাজলের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১৫ জন বিএনপির নেতাকর্মী পেট্রোল ঢেলে অফিসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
ঘটনাটি এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পর পরবর্তী সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা বিএনপি।
Leave a Reply