ঢাকা ১১:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ইউপির সচিবের কক্ষে আগুন: তদন্তের কাগজপত্র পুড়ে ছাই

ঠাকুরগাঁও থেকে হুমায়ুন কবীর
  • আপডেট সময় : ১১:২০:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ ১৫৬ বার পড়া হয়েছে

হোসেনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদভবন

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

 

ইউপির সচিবের কক্ষে আগুন: তদন্তের কাগজপত্র পুড়ে ছাই

 

 

ইউপির সচিবের কক্ষে আগুন: তদন্তের কাগজপত্র পুড়ে ছাই।
ঠাকুরগাঁয়ের রাণীশংকল উপজেলার ৩ হোসেনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের অভিযোগের তদন্তের ঠিক আগের দিন ইউপি পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব)
এর কক্ষে থাকা কম্পিউটারসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র আগুন লেগে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

 

 

বুধবার(৩০ এপ্রিল) ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ওই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো.রফিক, আলাউদ্দিন, পিয়ারা বেগম ও তাহমিনা আক্তারসহ অনেকের দাবি এটি পরিকল্পিতভাবে ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা(সচিব) পলাশ চন্দ্র রায় ঘটিয়েছে।

 

তারা আরো জানান, চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতির বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা সকল ইউপি সদস্য ইউএনও এবং জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছি।

 

 

২৯ এপ্রিল এটি তদন্ত হবার কথা ছিল। ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা উপর মহলে যোগাযোগ করে তদন্তের সময় একদিন বাড়িয়ে নিয়েছে। আর ঠিক আগের রাতেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

 

 

এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের নৈশপ্রহরী (চকিদার) ফজলুল হক জানান, ওই রাতে আমি পাশের দেকানে টিভি দেখে এসে রাত ৩ টার দিক ঘুমিয়ে পড়ি। ফজরের নামাজের আগে পরিষদ চত্বরের মসজিদের মুয়াজ্জিন রুম থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে আমাকে জানায়, আমি সাথে সাথে রুমের জানালা ভেঙ্গে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিভাতে সক্ষম হই।

পড়ুন>>কাউনিয়ায় ল্যাবওয়ান প্লাস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের জরিমানা

 

বিষয়টি সম্পর্কে ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) পলাশ চন্দ্র রায় বলেন, আমি অফিস করে বিকালে বাড়ি চলে যাই। ভোর রাতে আমার কক্ষে আগুন লেগেছে শুনতে পেয়ে পরিষদে আসি। পরিষদের নৈশপ্রহরী ও স্থানীয়রা আগুন নিভিয়েছে। কিভাবে আগুন লাগলো আমি কিছুই জানিনা। তবে সট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে।

 

 

প্যানেল চেয়ারম্যান হেদায়েতুল্লাহ বলেন,আমাদের চেয়ারম্যান মামলার আসামি হয়ে জেল হাজতে রয়েছে।
ইউপি সচিবের মুখে আগুনের কথা শুনে পরিষদে আসি। ইউএনও এবং ওসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তারা বলেছে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে।

 

 

 

উপজলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাফিউল মাজলুবিন রহমান বলেন, আমি ও থানা পুলিশসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্যানেল চেয়ারম্যানকে মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছেহ

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইউপির সচিবের কক্ষে আগুন: তদন্তের কাগজপত্র পুড়ে ছাই

আপডেট সময় : ১১:২০:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫

 

 

 

 

ইউপির সচিবের কক্ষে আগুন: তদন্তের কাগজপত্র পুড়ে ছাই

 

 

ইউপির সচিবের কক্ষে আগুন: তদন্তের কাগজপত্র পুড়ে ছাই।
ঠাকুরগাঁয়ের রাণীশংকল উপজেলার ৩ হোসেনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের অভিযোগের তদন্তের ঠিক আগের দিন ইউপি পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব)
এর কক্ষে থাকা কম্পিউটারসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র আগুন লেগে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

 

 

বুধবার(৩০ এপ্রিল) ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ওই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো.রফিক, আলাউদ্দিন, পিয়ারা বেগম ও তাহমিনা আক্তারসহ অনেকের দাবি এটি পরিকল্পিতভাবে ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা(সচিব) পলাশ চন্দ্র রায় ঘটিয়েছে।

 

তারা আরো জানান, চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতির বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা সকল ইউপি সদস্য ইউএনও এবং জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছি।

 

 

২৯ এপ্রিল এটি তদন্ত হবার কথা ছিল। ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা উপর মহলে যোগাযোগ করে তদন্তের সময় একদিন বাড়িয়ে নিয়েছে। আর ঠিক আগের রাতেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

 

 

এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের নৈশপ্রহরী (চকিদার) ফজলুল হক জানান, ওই রাতে আমি পাশের দেকানে টিভি দেখে এসে রাত ৩ টার দিক ঘুমিয়ে পড়ি। ফজরের নামাজের আগে পরিষদ চত্বরের মসজিদের মুয়াজ্জিন রুম থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে আমাকে জানায়, আমি সাথে সাথে রুমের জানালা ভেঙ্গে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিভাতে সক্ষম হই।

পড়ুন>>কাউনিয়ায় ল্যাবওয়ান প্লাস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের জরিমানা

 

বিষয়টি সম্পর্কে ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) পলাশ চন্দ্র রায় বলেন, আমি অফিস করে বিকালে বাড়ি চলে যাই। ভোর রাতে আমার কক্ষে আগুন লেগেছে শুনতে পেয়ে পরিষদে আসি। পরিষদের নৈশপ্রহরী ও স্থানীয়রা আগুন নিভিয়েছে। কিভাবে আগুন লাগলো আমি কিছুই জানিনা। তবে সট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে।

 

 

প্যানেল চেয়ারম্যান হেদায়েতুল্লাহ বলেন,আমাদের চেয়ারম্যান মামলার আসামি হয়ে জেল হাজতে রয়েছে।
ইউপি সচিবের মুখে আগুনের কথা শুনে পরিষদে আসি। ইউএনও এবং ওসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তারা বলেছে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে।

 

 

 

উপজলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাফিউল মাজলুবিন রহমান বলেন, আমি ও থানা পুলিশসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্যানেল চেয়ারম্যানকে মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছেহ

 

 

Facebook Comments Box