তাড়াশে ৩৮ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
তাড়াশে ৩৮ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

তাড়াশে ৩৮ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক

তাড়াশ(সিরাজগঞ্জ) থেকে রফিকুল ইসলাম
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬
উপজেলা শিক্ষা অফিস, তাড়াশ।

 

 

 

তাড়াশে ৩৮ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক

 

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ৩৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক। জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করায় স্কুল ব্যবস্থাপনা ও পাঠদান কার্যক্রম খুড়িয়ে চলছে বলে ভুক্তভোগী বিদ্যালয় সমূহের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের অভিযোগ।

 

 

 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য সূত্রে জানা যায়, তাড়াশ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৩৬ টি। যার ৩৮ টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ ফাঁকা আছে। এসব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের ৩৮ পদ শূন্য থাকায় ব্যাহত হচ্ছে মানসম্পন্ন পাঠদান এবং স্কুল ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম।

পড়ুন>> রাঙ্গামাটিতে গৃহবধূ হত্যার ২ আসামী গ্রেপ্তার

 

 

শিক্ষক ঘাটতি পূরণে কর্মরত শিক্ষকগণ শিক্ষার্থীদের মানসম্পন্ন পাঠদানে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তথ্য আরো বলছে, বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট জরিপ তালিকা অনুযায়ী এ সব বিদ্যালয়ে ২১ হাজার ২৩৫ শিক্ষার্থীর লেখাপড়া করছে।

 

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অন্তত ৫টি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, বাড়তি সম্মানী না থাকলেও প্রধান শিক্ষকের শূন্যতায় দায়িত্বরত শিক্ষকদের অতিরিক্ত দায়িত্বের বোঝা বহন করতে হচ্ছে। অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপ পর্যাপ্ত বিশ্রাম না থাকা ক্লান্তিবোধ থেকে হতাশায় ভুগছেন অনেকেই। এতে মানসম্মত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।

পড়ুন>> এবার প্রথম যুক্ত হলো সনাতনীদের নতুন উৎসব গঙ্গা আরতী

 

উপজেলার গুল্টা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর অভিভাবক আব্দুর রহিম বলেন, সবারই চাওয়া মান সম্মত পাঠদান। কিন্তু স্বল্প শিক্ষক দিয়ে মানসম্মত, যুগোপযোগী ও আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার প্রসার কতটুকু সম্ভব। তিনি দ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিতে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানান।

আরও পড়ুন>> গাইবান্ধায় ৬ বছরের শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অপরাধে রেস্টুরেন্টে আগুন

 

দেশীগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাদ্দাম হোসেন বলেন, প্রধান শিক্ষক না থাকায় ক্লাস নেয়ার পাশাপাশি দাপ্তরিক কাজ আমাকেই করতে হয়। সে ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চাপ থাকে। আবার অনেক সময় অফিসের কাজে বিদ্যালয়ের বাহিরে গেলে ক্লাসে বিঘ্ন ঘটে।

 

 

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আপেল মাহমুদ জানান, উপজেলায় ৩৮ টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। শূন্য পদগুলিতে নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হচ্ছে। নিয়োগ দিলে এ সমস্যা কেটে যাবে।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!