গাইবান্ধার বামনডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশনের জমি দোকান ভাড়া নিয়ে প্রতারণা মাধ্যমে নিজ নামে লাইসেন্স করার অভিযোগ উঠেছে আনিসুর রহমান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
আনিসুর রহমান সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের রামভদ্র গ্ৰামের মৃত বরকত আলীর ছেলে।
লাইসেন্স বাতিলের জন্য বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা বাংলাদেশ রেলওয়ে লালমনিরহাট বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন বর্তমান দলীয় জমির মালিক মাহাবুবুর রহমান নামে এক ব্যক্তি ।
অভিযোগে বলা হয়েছে, মাহাবুবুর রহমান বাংলাদেশে রেলওয়ে বামনডাঙ্গা স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় “৩০*১০=৩০০ বর্গফুট পতিত জমির মধ্যে জৈনক শামছুল আলমের নিকট থেকে ২০০ বর্গফুট জমি হস্তান্তর পত্রের মাধ্যমে গ্ৰহণ করে। আর বাকি ১০০বর্গফুট জমি তার আগে থেকেই ছিল।পরে জমিটি বাণিজ্যিক লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু পরে জানতে পায় তার দখলীয় জমির ২০০ বর্গফুট জমি সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের রামভদ্র গ্ৰামের মৃত বরকত আলীর ছেলে মোঃ আনিসুর রহমান গোপনে লাইসেন্স প্রাপ্ত হন। বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় আনিসুর রহমানের এমন প্রতারণা ,অপচেষ্টা রোধ ও তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
সরেজমিন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,বামনডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন ঐ ২০০ বর্গফুট জমি দীর্ঘদিন মোঃ শামছুল আলম ভোগ দখলে করে আসছিলেন। জমিতে দোকানঘর নির্মাণ করে মোঃ শামসুল আলম উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের মৃত বরকত আলীর ছেলে আনিসুর রহমানের নিকট ভাড়া দেন। আনিসুর রহমান ভাড়া নিয়ে ফার্নিচারের দোকান করে, এবং নিয়মিত ভাড়া প্রদান করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হঠাৎ করেই তিনি ভাড়া দেয়া বন্ধ করে দেয় এবং জমিটি নিজের বলে দাবি করেন।
স্থানীয় লোকজন আরো বলেন আমরা যতটুকু জানি জমিটি শামছুল আলমের দখলে ছিল, পরবর্তীতে তিনি মাহাবুবুর রহমান নামক ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করেন। আর আনিসুর রহমান ঐ জমিটি ভাড়া নিয়ে দোকান করে আসছিল। এখন শুনতে পাচ্ছি জমিটির লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য তিনি চেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা চাই রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সঠিক তদন্তের মাধ্যমে জমিটির প্রকৃত মালিককে লাইসেন্স দিক।
এবিষয়ে আনিসুরের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
Leave a Reply