ঢাকা ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মহা-হিসাব নিরীক্ষক কার্যালয়ে ৩৪৭ পদে চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নতুন ট্রাফিক ও সম্পত্তি আইন পাস করল কাতারের শুরা কাউন্সিল শিল্পাঞ্চল ও কেপিআই নিরাপত্তায় আনসার সদস্যদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি: মহাপরিচালক সুন্দরবনে দুই বাহিনীর গোলাগুলির ঘটনায় পাঁচ জেলে অপহৃত এআই যেন বেকারত্ব না বাড়ায়, সতর্ক থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির মোংলা বন্দর হবে দেশের নতুন অর্থনৈতিক হাব: প্রধানমন্ত্রী মুচলেকা দিয়ে আদালত থেকে জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি মানিকগঞ্জে ট্রিপল মার্ডার: চার ভাইসহ পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ও আটজনের যাবজ্জীবন খুলনায় চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রেল দরপত্র জালিয়াতির তদন্ত নিয়ে গড়িমসি, জানেন না সময়সীমা জিএম

জেলা আঃলীগ সভাপতির পোষ্য পুত্রের যত অনিয়ম দুর্নীতি

কুড়িগ্রাম থেকে বিপুল রায়
  • আপডেট সময় : ০৯:১৩:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১২৫ বার পড়া হয়েছে

জেলা আঃলীগ সভাপতির পোষ্য পুত্র বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রনি

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

জেলা আঃলীগ সভাপতির পোষ্য পুত্রের যত অনিয়ম দুর্নীতি

 

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রনির স্বেচ্ছাচারিতাসহ ব্যাপক অনিয়ম ও সীমাহীন দুর্নীতির কারণে পরিষদের সদস্যসহ ইউনিয়নবাসী অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।

জানা যায়, আসাদুজ্জামান রনি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। তার আমলে টিআর, কাবিখা/কাবিটা, জি আর, ভিজিডি, এডিবি, এলজিএসপি, ননওয়েজ, লজিক, ইজিপিপি, পরিষদের রাজস্ব খোযাড়-খেয়া ইজারার অর্থ, ইউপি ট্যাক্স, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন ফি, হাটবাজার, ১% খাতের নিজের খেয়ালখুশি মতো ব্যবহার করে থাকেন।

পড়ুন>> সংস্কার প্রতিবেদন বিস্তারিত: কি থাকছে এই সংস্করণে

সেই সাথে রনির বিরুদ্ধে ফ্যাসিস্ট ধাঁচের স্বেচ্ছাচারী আচরণ এবং দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় জনগণের দাবি, চেয়ারম্যান কর্তৃক সরকারি ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পের তহবিলের অপব্যবহারসহ স্বেচ্ছাচারিতার নানা উদাহরণ রয়েছে। সেই সাথে কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জাফর আলীর পোষ্য পুত্র ছিলেন এই রনি সেই দাপটে হাতিয়ে নিয়েছেন জনগণের নামে বরাদ্দের লক্ষ লক্ষ টাকা করেছেন অনিয়ম দুর্নীতি।

চলমান WFP অর্থায়নে RDRS এর তত্বাবধানে, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ২০৬০ মিটার নতুন রাস্তা নির্মাণে বরাদ্দ ছিলো ১কোটি ১১লাখ, কাজটিতে পুকুর চুরির মতো দুর্নীতি করেছে অভিযোগ এলাকাবাসীর। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রকল্পের ত্রাণসামগ্রী বিতরণে পক্ষপাতিত্ব, নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ এবং প্রকল্পের অর্থের অপচয় স্পষ্ট। প্রকল্পের সুবিধাভোগী তালিকায় নিজের সমর্থকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের ক্ষোভ ও প্রতিবাদইউনিয়নের সাধারণ মানুষের দাবি, চেয়ারম্যানের একনায়কতন্ত্র ও অনিয়ম তাদের অধিকার হরণ করছে। তারা বলছেন, দেশের ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্তি মিললেও তাদের ইউনিয়নে এখনও “ফ্যাসিস্ট শাসন” বহাল রয়েছে।

(নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) স্থানীয় কয়েকজন বলেন,
“আমরা ভাবতাম দেশের ফ্যাসিস্ট শাসন শেষ হলে স্থানীয় প্রশাসনও জনবান্ধব হবে। কিন্তু এখানে আমরা উল্টোটা দেখছি। WFP প্রকল্পের নামে জনগণের প্রাপ্য সুবিধা লুটপাট করেছে।”

পড়ুন>> সরিষাবাড়ীতে জমি সালিশ বৈঠকে দুই পক্ষের সংঘর্ষ আহত- ১৪

প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি স্থানীয় জনগণ দ্রুত তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা চান, বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদকে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতামুক্ত করে জনগণের প্রকৃত সেবা নিশ্চিত করা হোক।

উল্লেখ্য, এ বিষয়ে বামনডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রনি’র সঙ্গে একাধিকবার মুটোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জেলা আঃলীগ সভাপতির পোষ্য পুত্রের যত অনিয়ম দুর্নীতি

আপডেট সময় : ০৯:১৩:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

জেলা আঃলীগ সভাপতির পোষ্য পুত্রের যত অনিয়ম দুর্নীতি

 

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রনির স্বেচ্ছাচারিতাসহ ব্যাপক অনিয়ম ও সীমাহীন দুর্নীতির কারণে পরিষদের সদস্যসহ ইউনিয়নবাসী অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।

জানা যায়, আসাদুজ্জামান রনি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। তার আমলে টিআর, কাবিখা/কাবিটা, জি আর, ভিজিডি, এডিবি, এলজিএসপি, ননওয়েজ, লজিক, ইজিপিপি, পরিষদের রাজস্ব খোযাড়-খেয়া ইজারার অর্থ, ইউপি ট্যাক্স, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন ফি, হাটবাজার, ১% খাতের নিজের খেয়ালখুশি মতো ব্যবহার করে থাকেন।

পড়ুন>> সংস্কার প্রতিবেদন বিস্তারিত: কি থাকছে এই সংস্করণে

সেই সাথে রনির বিরুদ্ধে ফ্যাসিস্ট ধাঁচের স্বেচ্ছাচারী আচরণ এবং দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় জনগণের দাবি, চেয়ারম্যান কর্তৃক সরকারি ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পের তহবিলের অপব্যবহারসহ স্বেচ্ছাচারিতার নানা উদাহরণ রয়েছে। সেই সাথে কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জাফর আলীর পোষ্য পুত্র ছিলেন এই রনি সেই দাপটে হাতিয়ে নিয়েছেন জনগণের নামে বরাদ্দের লক্ষ লক্ষ টাকা করেছেন অনিয়ম দুর্নীতি।

চলমান WFP অর্থায়নে RDRS এর তত্বাবধানে, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ২০৬০ মিটার নতুন রাস্তা নির্মাণে বরাদ্দ ছিলো ১কোটি ১১লাখ, কাজটিতে পুকুর চুরির মতো দুর্নীতি করেছে অভিযোগ এলাকাবাসীর। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রকল্পের ত্রাণসামগ্রী বিতরণে পক্ষপাতিত্ব, নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ এবং প্রকল্পের অর্থের অপচয় স্পষ্ট। প্রকল্পের সুবিধাভোগী তালিকায় নিজের সমর্থকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের ক্ষোভ ও প্রতিবাদইউনিয়নের সাধারণ মানুষের দাবি, চেয়ারম্যানের একনায়কতন্ত্র ও অনিয়ম তাদের অধিকার হরণ করছে। তারা বলছেন, দেশের ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্তি মিললেও তাদের ইউনিয়নে এখনও “ফ্যাসিস্ট শাসন” বহাল রয়েছে।

(নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) স্থানীয় কয়েকজন বলেন,
“আমরা ভাবতাম দেশের ফ্যাসিস্ট শাসন শেষ হলে স্থানীয় প্রশাসনও জনবান্ধব হবে। কিন্তু এখানে আমরা উল্টোটা দেখছি। WFP প্রকল্পের নামে জনগণের প্রাপ্য সুবিধা লুটপাট করেছে।”

পড়ুন>> সরিষাবাড়ীতে জমি সালিশ বৈঠকে দুই পক্ষের সংঘর্ষ আহত- ১৪

প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি স্থানীয় জনগণ দ্রুত তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা চান, বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদকে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতামুক্ত করে জনগণের প্রকৃত সেবা নিশ্চিত করা হোক।

উল্লেখ্য, এ বিষয়ে বামনডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রনি’র সঙ্গে একাধিকবার মুটোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Facebook Comments Box