
ফেনী নোয়াখালীর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে দাগনভূঞার মাতুভূঞা সংযোগ খালটি এখন মরা নালায় পরিনত হয়েছে। পানি প্রবাহের এ গুরুত্বপূর্ণ খালটির চিহ্ন বর্তমানে নেই বললেই চলে। জবরদখল থেকে মালিকানায় জমিদার হয়েছে অনেকেই। যে কারণে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে দাগনভূঞা পৌরসভায় পানি আটকে থাকার ফলে মাতুভূঞা খালে পানি যেতে না পারায় পানি বন্দি হয়ে সীমাহীন কষ্ট ভোগ করতে হয় পৌরবাসিকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মাতুভূঞা ব্রিজের গোড়া হচ্ছে খালটির সংযোগ, যাহা উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন হয়ে বাজারের জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত ছিল। এ খালটি আবার বসুর হাট সড়কের পাশে দাদনা খালের সাথে সংযোগ ছিলো। কিন্তু বর্মানে এ দুই খালের সেই পরিস্থিতি নেই।
ফেনী সড়কের এই খালটি দিয়ে একসম নৌকায় নিয়ে ব্যবসায়ীরা আসতেন দাগনভূঞা বাজারে ব্যবসাপরিচালনা করতে। কালের বিবর্তনে খালটি সুরু হতে হতে প্রায় মৃত হয়ে গিয়েছে।
সরেজমিনে আরোও দেখা যায়, দাগনভূঞা জিরো পয়েন্ট থেকে উপজেলা পরিষদ পর্যন্ত জবর দখলের কারণে খালটি হারিয়েছে তার অস্তিত্ব। কিছু কিছু স্থানে খালটি প্রশস্ত থাকলও পরিত্যাক্ত, ময়লা পানি, ময়লার স্তূপে, দুর্গন্ধ এবং ডেঙ্গু মশার লাভার সৃষ্টিকারী সুরু নালায় পরিণত হয়েছে।
সরকার পরিবর্তন এর পর থেকে দাগনভূঞা উপজেলার দাদনার খালসহ বিভিন্ন জেলা উপজেলায় দখলকৃত খাল গুলো পূর্ণ উদ্ধারের কাজ করছেন সরকার। দাগনভূঞার প্রশাসন দাদনার খাল উদ্ধারে পরিমাপের কাজ শুরু করেছেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে জবর দখলকারীদের হাত থেকে খালটি উদ্ধার করে পানি প্রবাহের গতি তৈরি করবেন বলে উপজেলা প্রশাসন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
সর্বসাধারণ প্রশাসনকে সাধুবাদ জানিয়ে অবহিত করেন, শুধু মাত্র বসুর হাট সড়কের পাশের দাদনার খাল উদ্ধার করলে সমস্যা সমাধান হবেনা তার সাথে দাগনভূঞা জিরো পয়েন্ট হইতে মাতুভূঞা ব্রিজ সংলগ্ন খালটি পূর্ণ উদ্ধারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এতে করে বাজার সহ আশে পাশের পানি প্রবাহ হবে দ্রুত, সর্বসাধারণপাবে স্বস্তি। মৃত খালটি দখলমুক্ত, পুণ্য খনন ও সংস্কার অতি দ্রুত প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
মন্তব্য করুন