ঢাকা ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ: হামলায় আহত শ্রমিকের মৃত্যু, অর্ধশত কারখানায় ছুটি বার্সেলোনার জয়যাত্রা: রাফিনিয়ার জোড়া গোলে ধসে পড়ল অ্যাস্টন ভিলা সংশয় আর কৌতূহল চাকরিপ্রার্থীদের: ৫২তম বিসিএসও কি বিশেষ হতে যাচ্ছে আপাতত ইরানে নতুন কোনো হামলার পরিকল্পনা নেই: ডোনাল্ড ট্রাম্প ঠাকুরগাঁওয়ে অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার রংপুরে আইজিপির উদ্যোগে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন পল্লবীতে কুরিয়ার সার্ভিস কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১ এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্স: বাংলাদেশ ‘এ’ দলের প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা চট্টগ্রামে যুবদল নেতা গ্রেপ্তার: প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে জীবনের পুরোনো ছবি নেতানিয়াহুর পতন ঘটাতে জোট গঠনের পথে ইসরাইলি বিরোধী নেতারা

আপাতত ইরানে নতুন কোনো হামলার পরিকল্পনা নেই: ডোনাল্ড ট্রাম্প

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইরানে নতুন করে আর কোনো সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত মঙ্গলবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যে লক্ষ্য নিয়ে যুদ্ধ শুরু করেছিল, তা ইতোমধ্যে অর্জিত হয়েছে। ছয় মিনিটের ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, আমরা মনে হচ্ছে, আমরা যা চেয়েছি তার সবই পেয়েছি।

ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা হওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন ট্রাম্প। এর আগে নির্বাচনের আগে সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরেও তিনি যুদ্ধ থেকে সরে আসার আভাস দিয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতার পথ সুগম করতে কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা ইতোমধ্যে একটি খসড়া চুক্তি তৈরি করেছেন বলে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে। গত রোববার দোহায় টানা তৃতীয় দিনের মতো এ নিয়ে বৈঠক করেছেন ইরানি প্রতিনিধিরা। তবে নির্বাচনের আগের দিন ওয়াশিংটনে সাংবাদিকেরা তাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি ‘না’ বলেছিলেন।

ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, ইরানের সঙ্গে কয়েক দফা ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং তারা সমঝোতা নিয়ে আশাবাদী। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শর্ত হলো, ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না; এই অবস্থানে ট্রাম্প কঠোরভাবে অটল রয়েছেন। ট্রাম্পও এ শর্তে অনড় থাকার কথা জানিয়েছে ন।

যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে যুদ্ধ অবসানের চাপ রয়েছে প্রেসিডেন্টের ওপর। তবে এ নিয়ে ভিন্নমতও রয়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করার পক্ষে। অন্য একটি পক্ষ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রেখে ছাড় আদায়ের পক্ষপাতী। অন্যদিকে, কূটনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে সংকট নিরসনে আগ্রহী পক্ষটি মনে করে, যুদ্ধ বাড়লে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না। তাদের যুক্তি, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে পরিস্থিতির উন্নতি নাও হতে পারে। তাঁদের মতে, ইরানকে বিশ্বাস করা যায় না। তাদের ধারণা, দীর্ঘদিন অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে থাকলে ইরান আরও ছাড় দিতে বাধ্য হবে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় মার্কিন ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। ইরানের সঙ্গে সংঘাতের প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও পড়েছে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আপাতত ইরানে নতুন কোনো হামলার পরিকল্পনা নেই: ডোনাল্ড ট্রাম্প

আপডেট সময় : ০৮:০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

ইরানে নতুন করে আর কোনো সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত মঙ্গলবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যে লক্ষ্য নিয়ে যুদ্ধ শুরু করেছিল, তা ইতোমধ্যে অর্জিত হয়েছে। ছয় মিনিটের ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, আমরা মনে হচ্ছে, আমরা যা চেয়েছি তার সবই পেয়েছি।

ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা হওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন ট্রাম্প। এর আগে নির্বাচনের আগে সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরেও তিনি যুদ্ধ থেকে সরে আসার আভাস দিয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতার পথ সুগম করতে কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা ইতোমধ্যে একটি খসড়া চুক্তি তৈরি করেছেন বলে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে। গত রোববার দোহায় টানা তৃতীয় দিনের মতো এ নিয়ে বৈঠক করেছেন ইরানি প্রতিনিধিরা। তবে নির্বাচনের আগের দিন ওয়াশিংটনে সাংবাদিকেরা তাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি ‘না’ বলেছিলেন।

ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, ইরানের সঙ্গে কয়েক দফা ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং তারা সমঝোতা নিয়ে আশাবাদী। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শর্ত হলো, ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না; এই অবস্থানে ট্রাম্প কঠোরভাবে অটল রয়েছেন। ট্রাম্পও এ শর্তে অনড় থাকার কথা জানিয়েছে ন।

যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে যুদ্ধ অবসানের চাপ রয়েছে প্রেসিডেন্টের ওপর। তবে এ নিয়ে ভিন্নমতও রয়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করার পক্ষে। অন্য একটি পক্ষ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রেখে ছাড় আদায়ের পক্ষপাতী। অন্যদিকে, কূটনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে সংকট নিরসনে আগ্রহী পক্ষটি মনে করে, যুদ্ধ বাড়লে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না। তাদের যুক্তি, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে পরিস্থিতির উন্নতি নাও হতে পারে। তাঁদের মতে, ইরানকে বিশ্বাস করা যায় না। তাদের ধারণা, দীর্ঘদিন অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে থাকলে ইরান আরও ছাড় দিতে বাধ্য হবে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় মার্কিন ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। ইরানের সঙ্গে সংঘাতের প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও পড়েছে।

Facebook Comments Box