বার্সেলোনার জয়যাত্রা: রাফিনিয়ার জোড়া গোলে ধসে পড়ল অ্যাস্টন ভিলা
- আপডেট সময় : ০৯:০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
স্প্যানিশ ফুটবল এবং পুরো ক্রীড়াঙ্গনকে স্তব্ধ করে দেওয়া এক দুঃখজনক সংবাদ ম্যাচের মাত্র ১২ ঘণ্টা আগে সবাইকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। কনকাশন চোটের কারণে সিডি তেনেরিফের ফরোয়ার্ড হেসুস দে মিগুয়েলের অকাল প্রয়াণে শোকস্তব্ধ ছিলেন বার্সেলোনার রাফিনিয়া। একই বয়সী সহকর্মীকে হারানোর শোক বুকে নিয়েও তিনি মাঠে নেমেছিলেন এবং অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়ে জোড়া গোল আদায় করেছেন। তার এই পারফরম্যান্স এবং লামিন ইয়ামালের গোল মিলে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। এই পরাজয়ের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়নস লিগে ভিলার শতভাগ জয়ের ধারাটিও থামিয়ে দিয়েছে কাতালানরা। ম্যাচের প্রায় ১২ ঘণ্টা আগে পাওয়া এক সংবাদ স্প্যানিশ ফুটবল তো বটেই, গোটা ফুটবল বিশ্বকেই নাড়িয়ে দিয়েছে।
ম্যাচের শুরু থেকেই বার্সেলোনা আধিপত্য বজায় রেখেছিল। সপ্তম মিনিটে অ্যাস্টন ভিলার রক্ষণের ভুলে বল পেয়ে যান লামিন ইয়ামাল। তার বাঁকানো শটে বল জালে জড়ালে বার্সা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। এটি ইয়ামালের চলতি মৌসুমে ১৫ ম্যাচে ১৩তম গোল। পিছিয়ে পড়েও ভিলা হার মানেনি, প্রথমার্ধে তারা সমতায় ফেরার জন্য বেশ কিছু আক্রমণ চালিয়েছিল। ম্যাটি ক্যাশ ও ভিক্টর লিন্ডেলফের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার পাশাপাশি জোহান মানজাম্বির শট রুখে দেন বার্সা গোলরক্ষক জোয়ান গার্সিয়া। দারুণ শুরু করেও এমন গোল হজম করে বসলে দলের মনোবল ভেঙে পড়ে হরহামেশাই। প্রথমার্ধে সমতায় ফেরার একাধিক সুযোগও এসেছিল। জোহান মানজাম্বি প্রথমে বাইরে মারেন।
বিরতির পর ম্যাচের ৫২তম মিনিটে রাফিনিয়ার নিচু শট পাউ তরেসের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে ঢোকে। গোল করার পর আবেগপ্রবণ রাফিনিয়াকে ঘিরে ধরেন সতীর্থরা। এরপর ৬৪তম মিনিটে জোয়াও ক্যান্সেলোর নিখুঁত পাস থেকে লিডস ইউনাইটেডের সাবেক তারকা রাফিনিয়া ব্যবধান ৩-০ করেন। ম্যাচের শেষভাগে অ্যান্থনি গর্ডন এবং লেওন গোরেৎজকার গোল করার প্রচেষ্টা সফল হয়নি। বক্সের ভেতর দিয়ে জোয়াও গোমেসের তাড়াহুড়ো করা পাস সোজা চলে যায় ইয়ামালের কাছে।
এই জয়ের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বে অ্যাস্টন ভিলাকে পেছনে ফেলে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বার্সেলোনা। এই জয়টি বার্সার জন্য আরও একটি কারণে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ; ২০২৫ সালের এপ্রিলের পর এই প্রথম ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় গোল হজম না করে মাঠ ছেড়েছে তারা। দীর্ঘ ১৮ ম্যাচ এবং এক মৌসুমের বেশি সময় ধরে ক্লিন শিটহীন থাকার সেই আক্ষেপ ঘুচলো অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষের এই ম্যাচে। এই ম্যাচের আগে চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা ১৮ ম্যাচে বার্সা কোনো ক্লিন শিট রাখতে পারেনি, মাঝে একটা পুরো মৌসুম চলে গেছে ক্লিনশিট ছাড়াই। ম্যাচের শুরুটা বার্সার জন্য সহজ ছিল।
সূত্র: যুগান্তর
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ























