সাবেক এমপি গাজী নজরুলের স্ত্রীর শেষকৃত্য সম্পন্ন
- আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের (১৯) মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। সোমবার রাতে মরদেহটি তাঁর গ্রামের বাড়ি শ্যামনগরের গাবুরার সরদারপাড়ায় পৌঁছালে শোকের ছায়া নেমে আসে। কপোতাক্ষ নদ পেরিয়ে ট্রলারে করে তাঁর স্বজনরা মরদেহ নিয়ে পৌঁছানোর পর রাত ১২টা ৩৫ মিনিটে স্থানীয় সরদার বাড়ি জামে মসজিদের পাশে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। মাদরাসা শিক্ষক মাওলানা নুরুল হুদার ইমামতিতে অনুষ্ঠিত জানাজায় স্থানীয় এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিরা অংশ নেন। দাফন প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
মরদেহের সঙ্গে ঢাকা থেকে তাঁর বাবা মাসুম বিল্লাহসহ পরিবারের সদস্যরা শ্যামনগরে আসেন। শোকাতুর স্বজনরা জানান, মরদেহবাহী গাড়িটি পদ্মা সেতু হয়ে সড়কপথে খুলনার কয়রা পর্যন্ত আসে এবং সেখান থেকে জলপথে ট্রলারে করে গাবুরা পৌঁছায়। বাড়িতে দাফনের পূর্বপ্রস্তুতি আগে থেকেই সম্পন্ন করা ছিল। উল্লেখ্য, ঢাকায় চাচার ফ্ল্যাটে থাকার সময় তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনদের স্মৃতিচারণ থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালে ঘূর্ণিঝড় আইলার আঘাতের পর থেকেই মরিয়ম পরিবারসহ ঢাকায় বসবাস করতেন। সাবেক গ্রাম পুলিশ গোলাম রহমানসহ স্থানীয়রা তাঁর অকাল প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গত রোববার সন্ধ্যায় মরিয়মের নিথর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে তাঁর বাবা মাসুম বিল্লাহ শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলায় আসামি হিসেবে সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলাম, তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগম এবং মরিয়মের মামা ওবায়েদুরের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থার অংশ হিসেবে পুলিশ ইতিমধ্যেই গাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রথম স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নিয়েছে। ঘটনার পর থেকেই মামলার অপর আসামি ওবায়েদুর পলাতক রয়েছেন এবং পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: লাশ পৌঁছানোর পর রাত ১২ টা ৩৫ মিনিটে গাবুরা পশ্চিম পাড়া সরদার বাড়ি জামে মসজিদের পাশে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মরিয়মের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দা ইয়াসিন সরদার জানান, ২০০৯ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আইলার পর—যখন মরিয়মের বয়স মাত্র দুই-তিন বছর—তখন থেকেই সে পরিবারসহ ঢাকায় থাকত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই এলাকার ৮২ বছর বয়সী সাবেক গ্রাম পুলিশ গোলাম রহমান বলেন, ‘মেয়েটি ছোটবেলা থেকেই ঢাকায় থাকত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মরদেহের সঙ্গে ছিলেন মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ, মা, দাদি, নানি, ফুপা, ফুপি ও ছোট চাচা মোতাসিম বিল্লাহসহ স্বজনেরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ সময় স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দা, স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা এবং শ্যামনগর থানার এসআই অনিরুদ্ধ রায় ও বদিউজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে স্বজনদের পুরোনো কবরগুলোর পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় মরিয়মকে।
সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
























